ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘ইউক্রেনে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতির’ আশঙ্কা প্রকাশ

গণভোটের মাধ্যমে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করা ইউক্রেনের চারটি প্রদেশে মার্শাল ল’ জারি করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। উক্ত প্রদেশে সমূহ হলো দনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিজিয়া ও খেরসন।

পুতেনের ঘোষণার মাধ্যমে কার্যত ওই চার অঞ্চলে সামরিক শাসন কায়েম হলো বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে ইউক্রেনের প্রায় ১৫ শতাংশ এলাকা রুশদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেলো।

এমন অবস্থায় যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতির কথা জানিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের ইউক্রেন ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।

সেখানকার অধিবাসীদের স্বাধীনভাবে যাতায়াতের অধিকার ও বাকস্বাধীনতা খর্ব হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা সতর্কবার্তাতেও ‘ইউক্রেনে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতির’ আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

গণভোটের মাধ্যমে ইউক্রনের ১৫ শতাংশ অঞ্চলকে রাশিয়ায় জুড়ে নেওয়ার উদ্যোগকে অবশ্য নাকচ করেছে বিশ্ব। জাতিসংঘে গত শুক্রবার ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আনা নিন্দাপ্রস্তাব সমর্থন করে ১৪৩টি দেশ। বিপক্ষে পড়েছে মাত্র ৫টি ভোট।

মস্কোর দাবি, ওই চারটি অঞ্চলেরই ৮০ শতাংশের বেশি অধিবাসী গণভোটে রাশিয়ার সঙ্গে থাকার পক্ষে মত দিয়েছেন। ২০১৪ সালে দক্ষিণ ইউক্রেনের ক্রিমিয়াতে একই কায়দায় গণভোট করিয়ে দখল নিয়েছিলো রাশিয়া।

Tag :

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘ইউক্রেনে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতির’ আশঙ্কা প্রকাশ

Update Time : ০৫:৩৪:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর ২০২২

গণভোটের মাধ্যমে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করা ইউক্রেনের চারটি প্রদেশে মার্শাল ল’ জারি করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। উক্ত প্রদেশে সমূহ হলো দনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিজিয়া ও খেরসন।

পুতেনের ঘোষণার মাধ্যমে কার্যত ওই চার অঞ্চলে সামরিক শাসন কায়েম হলো বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে ইউক্রেনের প্রায় ১৫ শতাংশ এলাকা রুশদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেলো।

এমন অবস্থায় যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতির কথা জানিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের ইউক্রেন ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।

সেখানকার অধিবাসীদের স্বাধীনভাবে যাতায়াতের অধিকার ও বাকস্বাধীনতা খর্ব হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা সতর্কবার্তাতেও ‘ইউক্রেনে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতির’ আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

গণভোটের মাধ্যমে ইউক্রনের ১৫ শতাংশ অঞ্চলকে রাশিয়ায় জুড়ে নেওয়ার উদ্যোগকে অবশ্য নাকচ করেছে বিশ্ব। জাতিসংঘে গত শুক্রবার ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আনা নিন্দাপ্রস্তাব সমর্থন করে ১৪৩টি দেশ। বিপক্ষে পড়েছে মাত্র ৫টি ভোট।

মস্কোর দাবি, ওই চারটি অঞ্চলেরই ৮০ শতাংশের বেশি অধিবাসী গণভোটে রাশিয়ার সঙ্গে থাকার পক্ষে মত দিয়েছেন। ২০১৪ সালে দক্ষিণ ইউক্রেনের ক্রিমিয়াতে একই কায়দায় গণভোট করিয়ে দখল নিয়েছিলো রাশিয়া।