ঢাকা ০১:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মমেকের করোনা ইউনিটে আরো ১৩ জনের মৃত্যু

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৮:৪১:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অগাস্ট ২০২১
  • ৩০৪ Time View
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন করোনা শনাক্ত হয়ে এবং আটজন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
শুক্রবার (২০ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. মহিউদ্দিন খান মুন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টার মধ্যে করোনায় মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে তিনজন ময়মনসিংহের ও দুইজন নেত্রকোনার বাসিন্দা।
ওই সময়ের মধ্যে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া আটজনের মধ্যে ময়মনসিংহের চারজন, নেত্রকোনার দুইজন এবং জামালপুর ও কিশোরগঞ্জের একজন করে রয়েছেন।
ডা. মুন আরো জানান, করোনা ইউনিটে এক সপ্তাহ ধরেই কমতে শুরু করেছে রোগীর চাপ। ৪০২ শয্যার এ ইউনিটটিতে বর্তমানে রোগী ভর্তি আছেন ২৬৯ জন। এর মধ্যে ২১ জন আইসিইউতে আছেন। ওই সময়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ৩২ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩২ জন।
এদিকে জেলায় কমেছে শনাক্তের হারও। এক দিনে ৮৬৭ জনের নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত হয় ১১০ জনের শরীরে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৬৮ শতাংশ বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. নজরুল ইসলাম।
Tag :

মমেকের করোনা ইউনিটে আরো ১৩ জনের মৃত্যু

Update Time : ০৮:৪১:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অগাস্ট ২০২১
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন করোনা শনাক্ত হয়ে এবং আটজন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
শুক্রবার (২০ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. মহিউদ্দিন খান মুন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টার মধ্যে করোনায় মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে তিনজন ময়মনসিংহের ও দুইজন নেত্রকোনার বাসিন্দা।
ওই সময়ের মধ্যে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া আটজনের মধ্যে ময়মনসিংহের চারজন, নেত্রকোনার দুইজন এবং জামালপুর ও কিশোরগঞ্জের একজন করে রয়েছেন।
ডা. মুন আরো জানান, করোনা ইউনিটে এক সপ্তাহ ধরেই কমতে শুরু করেছে রোগীর চাপ। ৪০২ শয্যার এ ইউনিটটিতে বর্তমানে রোগী ভর্তি আছেন ২৬৯ জন। এর মধ্যে ২১ জন আইসিইউতে আছেন। ওই সময়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ৩২ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩২ জন।
এদিকে জেলায় কমেছে শনাক্তের হারও। এক দিনে ৮৬৭ জনের নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত হয় ১১০ জনের শরীরে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৬৮ শতাংশ বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. নজরুল ইসলাম।