ঢাকা ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফরিদপুর পুলিশ লাইনস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজর এসএসসি- ২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ- ৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থী ও বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ‘টিম ফরিদপুর’-এর যাত্রা শুরু, বিনামূল্যে ওষুধ-নিত্যপণ্য পৌঁছে দেবেন তারা দেশে ছড়িয়ে পড়া হামের প্রকোপ থামছেই না; আরও ৬ শিশুর মৃত্যু অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয় বাংলাদেশের ২০২৭ সালে এসএসসি পরীক্ষা শুরু ৭ জানুয়ারি ইন্দোনেশিয়ায় ফ্লোরেসের পর সুমাত্রায় ৬.৯ মাত্রার কম্পন, ২৩০টি আফটারশক, নিহত বেড়ে ৪৭ এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ১৫ আগস্ট ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৬ আগস্ট ২০২৬ খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা

মাছ শিকারে একই দিনে বাংলাদেশ ও ভারতে নিষেধাজ্ঞা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৩:৩৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ১৪৫ Time View

ভারতের সঙ্গে মিল রেখে এবার সাগরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময় ঠিক করেছে সরকার। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, প্রজনন মৌসুমে ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিন সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে।

সাধারণত প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছ ধরা বন্ধ থাকে। তবে ভারতে প্রতিবছর মাছ ধরা বন্ধ থাকে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ৬১ দিন। আর মিয়ানমারে নিষেধাজ্ঞার এই সময় ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মোট ৯১ দিন।

বাংলাদেশের জেলেরা যখন সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ রাখেন, তখন প্রতিবেশী দেশের জেলেরা এদেশের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরে থাকেন। এই কারণে মৎস্যজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞার সময় সমন্বয়ের দাবি করে আসছিলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফরিদা আখতার বলেন, “সামুদ্রিক জলসীমায় ইলিশ ও অন্যান্য মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মৎস্য আহরণের ওপর প্রতি বছর ২০ মে হতে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোন প্রকার মৎস্য ও চিংড়ি, কাঁকড়া, লবস্টার ইত্যাদি (ক্রাস্টাশিয়ান্স) আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়। এর ফলে সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ আহরণ ১২ দশমিক ৭৮ শতাংশ বৃদ্ধির রেকর্ড রয়েছে।

কিন্তু এই সময়কাল পার্শ্ববর্তী দেশের সাথে সমন্বয় না থাকায় বাংলাদেশের মাছ আহরণে পার্শ্ববর্তী দেশের মৎস্যজীবীরা সুযোগ নিচ্ছে। তাই মৎস্য আহরণকারী সংগঠন এবং মৎস্যজীবীগণ কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে ব্যান পিরিয়ড সমন্বয় করার দাবি উত্থাপিত হয়ে আসছে।

এ পরিস্থিতিতে মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য অংশীজন এবং মৎস্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্বশীল আহরণ ও স্টেকহোল্ডারদের স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বঙ্গোপসাগরে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অধিকাংশ মাছের প্রজনন মৌসুম এপ্রিল থেকে জুন মাস হওয়ায় ১৫ এপ্রিল হতে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন বঙ্গোপসাগরে সকল ধরনের মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

অর্থাৎ এখন থেকে সামুদ্রিক জলসীমায় ইলিশ ও অন্যান্য মাছের আহরণের নিষিদ্ধ কাল হচ্ছে ৫৮ দিন।

Tag :

ফরিদপুর পুলিশ লাইনস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজর এসএসসি- ২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ- ৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থী ও বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

মাছ শিকারে একই দিনে বাংলাদেশ ও ভারতে নিষেধাজ্ঞা

Update Time : ০৩:৩৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ভারতের সঙ্গে মিল রেখে এবার সাগরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময় ঠিক করেছে সরকার। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, প্রজনন মৌসুমে ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিন সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে।

সাধারণত প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছ ধরা বন্ধ থাকে। তবে ভারতে প্রতিবছর মাছ ধরা বন্ধ থাকে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ৬১ দিন। আর মিয়ানমারে নিষেধাজ্ঞার এই সময় ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মোট ৯১ দিন।

বাংলাদেশের জেলেরা যখন সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ রাখেন, তখন প্রতিবেশী দেশের জেলেরা এদেশের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরে থাকেন। এই কারণে মৎস্যজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞার সময় সমন্বয়ের দাবি করে আসছিলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফরিদা আখতার বলেন, “সামুদ্রিক জলসীমায় ইলিশ ও অন্যান্য মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মৎস্য আহরণের ওপর প্রতি বছর ২০ মে হতে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোন প্রকার মৎস্য ও চিংড়ি, কাঁকড়া, লবস্টার ইত্যাদি (ক্রাস্টাশিয়ান্স) আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়। এর ফলে সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ আহরণ ১২ দশমিক ৭৮ শতাংশ বৃদ্ধির রেকর্ড রয়েছে।

কিন্তু এই সময়কাল পার্শ্ববর্তী দেশের সাথে সমন্বয় না থাকায় বাংলাদেশের মাছ আহরণে পার্শ্ববর্তী দেশের মৎস্যজীবীরা সুযোগ নিচ্ছে। তাই মৎস্য আহরণকারী সংগঠন এবং মৎস্যজীবীগণ কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে ব্যান পিরিয়ড সমন্বয় করার দাবি উত্থাপিত হয়ে আসছে।

এ পরিস্থিতিতে মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য অংশীজন এবং মৎস্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্বশীল আহরণ ও স্টেকহোল্ডারদের স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বঙ্গোপসাগরে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অধিকাংশ মাছের প্রজনন মৌসুম এপ্রিল থেকে জুন মাস হওয়ায় ১৫ এপ্রিল হতে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন বঙ্গোপসাগরে সকল ধরনের মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

অর্থাৎ এখন থেকে সামুদ্রিক জলসীমায় ইলিশ ও অন্যান্য মাছের আহরণের নিষিদ্ধ কাল হচ্ছে ৫৮ দিন।