ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ বাজারজুড়েই সবজির পসরা; বেশিরভাগ সবজির গায়েই আগুন শারদীয় দুর্গোৎসব মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে আজ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী বাকীগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রথম অ্যালামনাই কনফারেন্স আগামী ২৪ অক্টোবর ফরিদপুর জেলা পরিষদের ৬০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ন্যাটোকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া

মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহায়তা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহায়তা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (২৬ মার্চ) জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীর শেষ দিনের অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত সবসময় বাংলাদেশের পাশে আছে। সবচেয়ে বড় কথা, ভারতের প্রতিটি রাজনৈতিক দল, দলমত নির্বিশেষে ভারতের জনগণ একটি বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়— সেটি হলো বাংলাদেশ। তারা সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকে। তাই ভারত শুধু আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী বন্ধুরাষ্ট্রই নয়, তাদের সঙ্গে আমাদের ঐতিহাসিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ভৌগলিক সেতুবন্ধন রয়েছে। দুই দেশের সরকার ও জনগণ ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সৈন্যরা অত্যাচার-নিপীড়ন চালিয়েছিল। গণহত্যা, অগ্নিসংযোগহ, ধর্ষণ, লুটপাটের শিকার হয়ে বাংলাদেশ থেকে প্রায় এক কোটি মানুষ ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেন। ভারত সেই শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে, খাদ্য দিয়েছে, চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। সেই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা যারা অংশ নিয়েছেন, সেই মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে ভারত, অস্ত্র সরবরাহ করে সহযোগিতা করেছে। আমি ভারতের জনগণ ও সরকারের কাছে বাংলাদেশের জনগণ ও আমার নিজের পক্ষ থেকে অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ভারত সরকারের দেওয়া গান্ধী শান্তি পুরস্কার তার ছোট মেয়ে শেখ রেহানার হাতে তুলে দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যে আকুলতা এ দেশে ছিল, তেমন ভারতেও আকুলতা ছিল।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে শামিল হওয়া আমার জীবনের প্রথম আন্দোলন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ঠিক করে দিয়েছিলো কোনও শক্তিই বাংলাদেশকে গোলাম বানিয়ে রাখতে পারবে না।

মোদি বলেন, এটি আমার জীবনের সেরা সময়ের একটি। বাংলাদেশের উন্ননযাত্রার এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আমাকে ডাকায় অভিভূত। আমি আপনাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো। আমি সব ভারতীয়দের তরফ থেকে আপনাদের ধন্যবাদ দেই। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ ও এখানের মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আমরা তাকে গান্ধী শান্তি সম্মান দিতে পেরে গর্বিত।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। পাশাপাশি উপস্থিত আছেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা ও জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীসহ বাংলাদেশ, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা। এ অনুষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন মিডিয়া এবং স্যোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয়

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ

মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহায়তা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ০১:০৬:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মার্চ ২০২১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহায়তা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (২৬ মার্চ) জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীর শেষ দিনের অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত সবসময় বাংলাদেশের পাশে আছে। সবচেয়ে বড় কথা, ভারতের প্রতিটি রাজনৈতিক দল, দলমত নির্বিশেষে ভারতের জনগণ একটি বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়— সেটি হলো বাংলাদেশ। তারা সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকে। তাই ভারত শুধু আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী বন্ধুরাষ্ট্রই নয়, তাদের সঙ্গে আমাদের ঐতিহাসিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ভৌগলিক সেতুবন্ধন রয়েছে। দুই দেশের সরকার ও জনগণ ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সৈন্যরা অত্যাচার-নিপীড়ন চালিয়েছিল। গণহত্যা, অগ্নিসংযোগহ, ধর্ষণ, লুটপাটের শিকার হয়ে বাংলাদেশ থেকে প্রায় এক কোটি মানুষ ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেন। ভারত সেই শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে, খাদ্য দিয়েছে, চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। সেই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা যারা অংশ নিয়েছেন, সেই মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে ভারত, অস্ত্র সরবরাহ করে সহযোগিতা করেছে। আমি ভারতের জনগণ ও সরকারের কাছে বাংলাদেশের জনগণ ও আমার নিজের পক্ষ থেকে অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ভারত সরকারের দেওয়া গান্ধী শান্তি পুরস্কার তার ছোট মেয়ে শেখ রেহানার হাতে তুলে দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যে আকুলতা এ দেশে ছিল, তেমন ভারতেও আকুলতা ছিল।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে শামিল হওয়া আমার জীবনের প্রথম আন্দোলন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ঠিক করে দিয়েছিলো কোনও শক্তিই বাংলাদেশকে গোলাম বানিয়ে রাখতে পারবে না।

মোদি বলেন, এটি আমার জীবনের সেরা সময়ের একটি। বাংলাদেশের উন্ননযাত্রার এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আমাকে ডাকায় অভিভূত। আমি আপনাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো। আমি সব ভারতীয়দের তরফ থেকে আপনাদের ধন্যবাদ দেই। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ ও এখানের মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আমরা তাকে গান্ধী শান্তি সম্মান দিতে পেরে গর্বিত।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। পাশাপাশি উপস্থিত আছেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা ও জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীসহ বাংলাদেশ, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা। এ অনুষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন মিডিয়া এবং স্যোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে।