সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে মুন্সীগঞ্জ ও চাঁদপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। চাঁদপুরের ১৫ গ্রাম ও মুন্সিগঞ্জের ৯টি গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ গ্রামগুলো হচ্ছে- সদর উপজেলার আনন্দপুর, শিলই, নায়েবকান্দি, আধারা, মিজিকান্দি, কালিরচর, বাংলাবাজার, বাঘাইকান্দির ও কংসপুরা একাংশ। জেলার হাজীগঞ্জের সাদ্রা মাদরাসা মাঠে বৃহস্পতিবার (১৩ মে) সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা আরীফ চৌধুরী। এ সময় আরীফ চৌধুরীর অনুসারী মুসল্লিরা ঈদের জামাতে অংশ নেন। পরে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
গ্রামগুলোর জাহাগীর তরিকার প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ কয়েক বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এবারও একদিন আগে ঈদ উদযাপন করছে। বিগত বছরগুলোর মতো শিলই গ্রামে এই ঈদ জামাতে ইমামতি করেছেন হাজী ডা. মনিরুল ইসলাম। তিনি এবার অসুস্থ থাকায় তার ছেলে ঈদ জামাত পড়ান মো. সফিকুল ইসলাম।
সকাল ৯টায় খোলা মাঠে স্থানীয় ঈদগায়ে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। কোলাকুলিসহ আনন্দে মেতে উঠেন গ্রামবাসী।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব, কচুয়া ও শাহরাস্তিসহ পাঁচ উপজেলার প্রায় ১৫টি গ্রামে আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে। ঈদের নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর মঙ্গল কামনায় মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
মাওলানা আরীফ চৌধুরী জানান, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, শমেষপুর, প্রতাপপুর, বলাখাল, অলিপুর এবং ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুরাঙ্গচাইল, বাসারা, উভারামপুর, উটতলী, বাছপাড়া, কাইতাড়া, নুরপুর, সাচন মেঘ, ভূলাচোঁ, বদরপুর, আইটপাড়া গ্রামে বৃহস্পতিবার ঈদের নামাজ আদায় করা হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক 























