ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠতে যাচ্ছে ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৮ আগস্ট ২০২৬ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ডাকা হচ্ছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন সিলেট ও বগুড়ায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৭, আহত ৫০ সৌদি আরব উত্তর ও দক্ষিণ দিক থেকে একযোগে বড় ধরনের সমন্বিত হামলার আশঙ্কা করছে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে ভারি বর্ষণের সতর্কবার্তা, ১০ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস থাইল্যান্ডের স্কুলে ১৪ বছরের শিক্ষার্থীর গুলিতে নিহত অন্তত ৬, আহত ১৫ জন

মোট জনসংখ্যার ১৯ শতাংশ পেয়েছে টিকার প্রথম ডোজ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১১:১০:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ২৮৪ Time View

করোনাভাইরাস মহামারির মোকাবেলায় দেশে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচির আওতায় গত মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছে মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৯ শতাংশ। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ মিলে মোট টিকাদানের ১৪ শতাংশই হয়েছে মঙ্গলবার এক দিনে। ওই দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় ৭৫ লাখসহ ৮০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে ঢাকা সাড়া কম পাওয়ায় লক্ষ্য অর্জন পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। গতকালও বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় টিকা দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও বিষয়টিকে তাদের টিকাদানে সক্ষমতার বড় প্রমাণ বলে মনে করছে। অন্যদিকে এখন পর্যন্ত দেশে জনসংখ্যা বিবেচনায় বিভাগ হিসেবে সবচেয়ে বেশি টিকা পেয়েছে ঢাকা বিভাগের মানুষ আর জেলা হিসেবে রাঙামাটির মানুষ। যদিও দ্বিতীয় ডোজে সবচেয়ে এগিয়ে আছে চট্টগ্রাম বিভাগ।

ঢাকায় প্রধানত চারটি কারণে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচিতে তুলনামূলক সাড়া কম পড়েছে। এগুলো হচ্ছে সার্ভারের সমস্যা, গ্রামের তুলনায় ঢাকায় প্রচার কম হওয়া, নিয়মিত কেন্দ্রগুলোকে ক্যাম্পেইনের বাইরে রাখা এবং সিনোফার্মের চেয়ে অন্য টিকার প্রতি ঢাকার মানুষের আগ্রহ বেশি থাকা। টিকাসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা এমন অভিমত ও তথ্য দিয়েছেন।

গতকাল ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যেসব কেন্দ্রে নিয়মিত হিসেবে ফাইজার দেওয়া হয়েছে, সেখানে ওই দিনও মানুষের ভিড় ছিল তুলনামূলক বেশি। আর ঢাকার বাইরে যেহেতু একটি টিকার (সিনোফার্মের) সুযোগই ছিল, তাই সেখানে মানুষ ওই টিকা নেওয়ার জন্যই ভিড় করছে বেশি। অবশ্য মানুষের এই প্রবণতা দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপদেষ্টা ড. মুশতাক হোসেন বলেন, গ্রামের তুলনায় ঢাকার বিশেষ কার্যক্রমের প্রচার কম হয়েছে। অনেক মানুষই জানতে পারেনি। আবার নিয়মিত কেন্দ্রগুলো থেকে অনেক মানুষকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। টিকার পছন্দ-অপছন্দের বিষয়টি থাকলেও তা খুব বেশি মানুষের ছিল না।

মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে মোট টিকা দেওয়া হয়েছে চার কোটি ৮১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫২ ডোজ। এর মধ্যে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে তিন কোটি ১৫ লাখ ছয় হাজার ১৭ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে এক কোটি ৬৬ লাখ ৩৩ হাজার ৭৩৫ জনকে। প্রথম ডোজ পেয়েছে মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৯ শতাংশ। আর দুই ডোজ মিলে মোট টিকার ১৪ শতাংশ বা ৬৭ লাখ ৫৫ হাজার জনকে দেওয়া হয়েছে গত মঙ্গলবার এক দিনে। ওই দিন শুধু প্রথম ডোজই পেয়েছে ৬৬ লাখ ২৫ হাজার ১২৩ জন।

জনসংখ্যা বিবেচনায় সবচেয়ে বেশি টিকা পেয়েছে রাঙামাটি জেলার মানুষ। যেখানে মোট সাত লাখ ১৭ হাজার মানুষের মধ্যে প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছে ২৮ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে ২১ শতাংশ মানুষ। বিভাগ হিসাবে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ মানুষ টিকা পেয়েছে ঢাকা বিভাগে। এর পরই ১৮ শতাংশ করে পেয়েছে চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের মানুষ। সব চেয়ে কম দেওয়া হয়েছে সিলেট বিভাগে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকাদানের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রথম ডোজের তুলনায় সবচেয়ে বেশি ৭১ শতাংশ দ্বিতীয় ডোজ টিকা পেয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগের মানুষ। এর পরেই ৬৭ শতাংশ দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগে, ৬৬ শতাংশ করে পেয়েছে খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের মানুষ, ৬৪ শতাংশ পেয়েছে বরিশাল বিভাগে এবং ৫৭ শতাংশ পেয়েছে রংপুর বিভাগের মানুষ।

সার্বিক টিকাদান পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা  বলেন, ‘মঙ্গলবার এক দিনে যেমন আমরা সর্বোচ্চ ৬৭ লাখ টিকা দিতে পেরেছি, তেমনি আমাদের জন্য বড় এক চ্যালেঞ্জ ছিল সার্ভারের সমস্যা। আগের দিন থেকে কয়েক ঘণ্টায় প্রায় ১০ লাখ মানুষের নিবন্ধন করতে গিয়ে সার্ভার ডাউন হয়ে যায়। অনেক কেন্দ্রেই দুপুর পর্যন্ত ইনপুট দেওয়া যায়নি।এ ছাড়া আগের দিন বহু কেন্দ্রে এসএমএস পাঠাতে পারেনি। ফলে অনেক কেন্দ্রেই সক্ষমতা থাকতেও কম টিকা দিতে হয়েছে। যদিও আজ (গতকাল) সেই কেন্দ্রগুলোতে আরো টিকা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা সিটি করপোরেশনের বেশির ভাগ কেন্দ্রেই প্রথম দিন ঠিকমতো টিকা দেওয়া যায়নি।’

খোঁজ নিয়ে যায়, মঙ্গলবার সবচেয়ে কমসংখ্যক টিকা দেওয়া হয়েছে রাজধানীর জাতীয় বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে। সেখানে মাত্র ৫০ জনকে দেওয়া হয়েছে প্রথম ডোজের টিকা। সঙ্গে অবশ্য ২০০ জনকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে টিকার ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে বুধবার টিকা দেওয়া হয়েছে ১৩ লাখ ৩৪ হাজার ২৪৪ ডোজ। এর মধ্যে  প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে ১১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৩ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন এক লাখ ৪৮ হাজার ১৫১ জন। দুই দিনে মোট ৮০ লাখ ৯৯ হাজার ২১৬ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে টিকা দেওয়া হয়েছে চার কোটি ৯৪ লাখ ৭৩ হাজার ৯৯৬ ডোজ। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন তিন কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ১১০ জন ও দুই ডোজ নিয়েছেন এক কোটি ৬৭ লাখ ৮১ হাজার ৮৮৬ জন।

Tag :

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠতে যাচ্ছে

মোট জনসংখ্যার ১৯ শতাংশ পেয়েছে টিকার প্রথম ডোজ

Update Time : ১১:১০:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনাভাইরাস মহামারির মোকাবেলায় দেশে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচির আওতায় গত মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছে মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৯ শতাংশ। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ মিলে মোট টিকাদানের ১৪ শতাংশই হয়েছে মঙ্গলবার এক দিনে। ওই দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় ৭৫ লাখসহ ৮০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে ঢাকা সাড়া কম পাওয়ায় লক্ষ্য অর্জন পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। গতকালও বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় টিকা দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও বিষয়টিকে তাদের টিকাদানে সক্ষমতার বড় প্রমাণ বলে মনে করছে। অন্যদিকে এখন পর্যন্ত দেশে জনসংখ্যা বিবেচনায় বিভাগ হিসেবে সবচেয়ে বেশি টিকা পেয়েছে ঢাকা বিভাগের মানুষ আর জেলা হিসেবে রাঙামাটির মানুষ। যদিও দ্বিতীয় ডোজে সবচেয়ে এগিয়ে আছে চট্টগ্রাম বিভাগ।

ঢাকায় প্রধানত চারটি কারণে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচিতে তুলনামূলক সাড়া কম পড়েছে। এগুলো হচ্ছে সার্ভারের সমস্যা, গ্রামের তুলনায় ঢাকায় প্রচার কম হওয়া, নিয়মিত কেন্দ্রগুলোকে ক্যাম্পেইনের বাইরে রাখা এবং সিনোফার্মের চেয়ে অন্য টিকার প্রতি ঢাকার মানুষের আগ্রহ বেশি থাকা। টিকাসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা এমন অভিমত ও তথ্য দিয়েছেন।

গতকাল ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যেসব কেন্দ্রে নিয়মিত হিসেবে ফাইজার দেওয়া হয়েছে, সেখানে ওই দিনও মানুষের ভিড় ছিল তুলনামূলক বেশি। আর ঢাকার বাইরে যেহেতু একটি টিকার (সিনোফার্মের) সুযোগই ছিল, তাই সেখানে মানুষ ওই টিকা নেওয়ার জন্যই ভিড় করছে বেশি। অবশ্য মানুষের এই প্রবণতা দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপদেষ্টা ড. মুশতাক হোসেন বলেন, গ্রামের তুলনায় ঢাকার বিশেষ কার্যক্রমের প্রচার কম হয়েছে। অনেক মানুষই জানতে পারেনি। আবার নিয়মিত কেন্দ্রগুলো থেকে অনেক মানুষকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। টিকার পছন্দ-অপছন্দের বিষয়টি থাকলেও তা খুব বেশি মানুষের ছিল না।

মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে মোট টিকা দেওয়া হয়েছে চার কোটি ৮১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫২ ডোজ। এর মধ্যে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে তিন কোটি ১৫ লাখ ছয় হাজার ১৭ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে এক কোটি ৬৬ লাখ ৩৩ হাজার ৭৩৫ জনকে। প্রথম ডোজ পেয়েছে মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৯ শতাংশ। আর দুই ডোজ মিলে মোট টিকার ১৪ শতাংশ বা ৬৭ লাখ ৫৫ হাজার জনকে দেওয়া হয়েছে গত মঙ্গলবার এক দিনে। ওই দিন শুধু প্রথম ডোজই পেয়েছে ৬৬ লাখ ২৫ হাজার ১২৩ জন।

জনসংখ্যা বিবেচনায় সবচেয়ে বেশি টিকা পেয়েছে রাঙামাটি জেলার মানুষ। যেখানে মোট সাত লাখ ১৭ হাজার মানুষের মধ্যে প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছে ২৮ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে ২১ শতাংশ মানুষ। বিভাগ হিসাবে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ মানুষ টিকা পেয়েছে ঢাকা বিভাগে। এর পরই ১৮ শতাংশ করে পেয়েছে চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের মানুষ। সব চেয়ে কম দেওয়া হয়েছে সিলেট বিভাগে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকাদানের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রথম ডোজের তুলনায় সবচেয়ে বেশি ৭১ শতাংশ দ্বিতীয় ডোজ টিকা পেয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগের মানুষ। এর পরেই ৬৭ শতাংশ দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগে, ৬৬ শতাংশ করে পেয়েছে খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের মানুষ, ৬৪ শতাংশ পেয়েছে বরিশাল বিভাগে এবং ৫৭ শতাংশ পেয়েছে রংপুর বিভাগের মানুষ।

সার্বিক টিকাদান পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা  বলেন, ‘মঙ্গলবার এক দিনে যেমন আমরা সর্বোচ্চ ৬৭ লাখ টিকা দিতে পেরেছি, তেমনি আমাদের জন্য বড় এক চ্যালেঞ্জ ছিল সার্ভারের সমস্যা। আগের দিন থেকে কয়েক ঘণ্টায় প্রায় ১০ লাখ মানুষের নিবন্ধন করতে গিয়ে সার্ভার ডাউন হয়ে যায়। অনেক কেন্দ্রেই দুপুর পর্যন্ত ইনপুট দেওয়া যায়নি।এ ছাড়া আগের দিন বহু কেন্দ্রে এসএমএস পাঠাতে পারেনি। ফলে অনেক কেন্দ্রেই সক্ষমতা থাকতেও কম টিকা দিতে হয়েছে। যদিও আজ (গতকাল) সেই কেন্দ্রগুলোতে আরো টিকা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা সিটি করপোরেশনের বেশির ভাগ কেন্দ্রেই প্রথম দিন ঠিকমতো টিকা দেওয়া যায়নি।’

খোঁজ নিয়ে যায়, মঙ্গলবার সবচেয়ে কমসংখ্যক টিকা দেওয়া হয়েছে রাজধানীর জাতীয় বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে। সেখানে মাত্র ৫০ জনকে দেওয়া হয়েছে প্রথম ডোজের টিকা। সঙ্গে অবশ্য ২০০ জনকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে টিকার ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে বুধবার টিকা দেওয়া হয়েছে ১৩ লাখ ৩৪ হাজার ২৪৪ ডোজ। এর মধ্যে  প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে ১১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৩ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন এক লাখ ৪৮ হাজার ১৫১ জন। দুই দিনে মোট ৮০ লাখ ৯৯ হাজার ২১৬ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে টিকা দেওয়া হয়েছে চার কোটি ৯৪ লাখ ৭৩ হাজার ৯৯৬ ডোজ। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন তিন কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ১১০ জন ও দুই ডোজ নিয়েছেন এক কোটি ৬৭ লাখ ৮১ হাজার ৮৮৬ জন।