ঢাকা ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠতে যাচ্ছে ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৮ আগস্ট ২০২৬ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ডাকা হচ্ছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন সিলেট ও বগুড়ায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৭, আহত ৫০ সৌদি আরব উত্তর ও দক্ষিণ দিক থেকে একযোগে বড় ধরনের সমন্বিত হামলার আশঙ্কা করছে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে ভারি বর্ষণের সতর্কবার্তা, ১০ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস থাইল্যান্ডের স্কুলে ১৪ বছরের শিক্ষার্থীর গুলিতে নিহত অন্তত ৬, আহত ১৫ জন

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হওয়ার হতাশা বহুমুখী বিপদের জন্ম দিচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৭:৪৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ২৭৩ Time View
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হওয়ার হতাশা যে বহুমুখী বিপদের জন্ম দিচ্ছে, সে কথা তুলে ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কথামালার ঊর্ধ্বে উঠে সত্যিকারের গুরুত্ব দিয়ে এ সঙ্কটের সুরুহা করতে উদ্যোগী হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেছেন, “আমি বার বার বলে আসছি, তারা মিয়ানমারের নাগরিক, সুতরাং নিরাপদে এবং আত্মমর্যাদার সঙ্গে নিজের দেশ মিয়ানমারেই তাদের ফিরে যেতে হবে। আমাদের সবাইকে, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সেজন্য সম্ভব সব কিছু করতে হবে।”
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের  সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে বুধবার রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় কথা বলছিলেন শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কট একটি আন্তঃসীমান্ত এবং আঞ্চলিক সমস্যা, সুতরাং এ মানবিক সঙ্কটের সমাধান করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরই দায়িত্ব।
“গুরুতর এ সঙ্কট বিলম্বিত হলে আমাদের সবার নিরাপত্তাই হুমকির মুখে পড়বে। প্রত্যাবাসনের উদ্যোগে কোনো উন্নতি না হওয়ায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। তাদের অনেকে নানা অপরাধমূলক কাজে জড়াচ্ছে। তাদের অনেকের উগ্রবাদে জড়ানোর ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। আমাদের পুরো অঞ্চলের জন্য এটা একটা হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।”
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রধানমন্ত্রী আবারও মনে করিয়ে দিয়েছেন, দুর্দশায় পড়া রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ যা যা করছে, তার সবই সাময়িকভাবে।
“আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের বন্ধু আর উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, আমাদের এই চেষ্টায় সহযোগিতা করুন। রোহিঙ্গারা নিজেরাও তাদের বাড়ি ফিরে যেতে চায়।”
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আগে বাংলাদেশের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘ফোরসিবলি ডিসপ্লেস মিয়ানমার ন্যাশনালস (রোহিঙ্গা) ক্রাইসিস: ইম্পারেটিভস ফর এ  সাস্টেইনেবল সলিউশন’ শীর্ষক এই উচ্চ পর্যায়েল ভার্চুয়াল বৈঠক হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ এই আলোচনায় আমাদের প্রধান অংশীদারদের উপস্থিতি আমাকে উৎসাহ যোগাচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের মত আপনারাও এ সঙ্কট নিয়ে উদ্বিগ্ন। এখন এই গুরুতর সঙ্কটের সমাধানে দরকার জরুরি উদ্যোগ।
“এই সঙ্কটের প্রত্যাশিত সমাধানে পৌঁছাতে কথামালার ঊর্ধ্বে উঠে আমাদের বাস্তব উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন, আর রোহিঙ্গারাও সেটাই চায়।”
Tag :

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠতে যাচ্ছে

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হওয়ার হতাশা বহুমুখী বিপদের জন্ম দিচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

Update Time : ০৭:৪৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হওয়ার হতাশা যে বহুমুখী বিপদের জন্ম দিচ্ছে, সে কথা তুলে ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কথামালার ঊর্ধ্বে উঠে সত্যিকারের গুরুত্ব দিয়ে এ সঙ্কটের সুরুহা করতে উদ্যোগী হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেছেন, “আমি বার বার বলে আসছি, তারা মিয়ানমারের নাগরিক, সুতরাং নিরাপদে এবং আত্মমর্যাদার সঙ্গে নিজের দেশ মিয়ানমারেই তাদের ফিরে যেতে হবে। আমাদের সবাইকে, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সেজন্য সম্ভব সব কিছু করতে হবে।”
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের  সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে বুধবার রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় কথা বলছিলেন শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কট একটি আন্তঃসীমান্ত এবং আঞ্চলিক সমস্যা, সুতরাং এ মানবিক সঙ্কটের সমাধান করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরই দায়িত্ব।
“গুরুতর এ সঙ্কট বিলম্বিত হলে আমাদের সবার নিরাপত্তাই হুমকির মুখে পড়বে। প্রত্যাবাসনের উদ্যোগে কোনো উন্নতি না হওয়ায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। তাদের অনেকে নানা অপরাধমূলক কাজে জড়াচ্ছে। তাদের অনেকের উগ্রবাদে জড়ানোর ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। আমাদের পুরো অঞ্চলের জন্য এটা একটা হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।”
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রধানমন্ত্রী আবারও মনে করিয়ে দিয়েছেন, দুর্দশায় পড়া রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ যা যা করছে, তার সবই সাময়িকভাবে।
“আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের বন্ধু আর উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, আমাদের এই চেষ্টায় সহযোগিতা করুন। রোহিঙ্গারা নিজেরাও তাদের বাড়ি ফিরে যেতে চায়।”
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আগে বাংলাদেশের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘ফোরসিবলি ডিসপ্লেস মিয়ানমার ন্যাশনালস (রোহিঙ্গা) ক্রাইসিস: ইম্পারেটিভস ফর এ  সাস্টেইনেবল সলিউশন’ শীর্ষক এই উচ্চ পর্যায়েল ভার্চুয়াল বৈঠক হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ এই আলোচনায় আমাদের প্রধান অংশীদারদের উপস্থিতি আমাকে উৎসাহ যোগাচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের মত আপনারাও এ সঙ্কট নিয়ে উদ্বিগ্ন। এখন এই গুরুতর সঙ্কটের সমাধানে দরকার জরুরি উদ্যোগ।
“এই সঙ্কটের প্রত্যাশিত সমাধানে পৌঁছাতে কথামালার ঊর্ধ্বে উঠে আমাদের বাস্তব উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন, আর রোহিঙ্গারাও সেটাই চায়।”