ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলায় অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১০:০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • ১৫৫ Time View

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আদালত অবমাননার মামলায় স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিতে একজন অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই দায়িত্ব পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ ওয়াই মশিউজ্জামান।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এর আগে ৩ জুন মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল। মামলার প্রধান আসামি শেখ হাসিনা এবং অপর আসামি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের শাকিল আকন্দ বুলবুল ওরফে মো. শাকিল আলম (৪০)।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিওতে ‘২২৬ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি’— এমন মন্তব্যকে শেখ হাসিনার বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আদালত অবমাননার অভিযোগ আনেন।

গত ৩০ এপ্রিলের শুনানিতে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামিকে ২৫ মে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেয়। নির্ধারিত তারিখে তারা হাজির না হওয়ায় এবং কোনো আইনজীবীর মাধ্যমেও ব্যাখ্যা না দেয়ায়, আদালত তাদের বিরুদ্ধে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। পরদিন দুটি জাতীয় দৈনিকে সেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়, যাতে দুজনকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের জবাব দিতে বলা হয়।

Tag :

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলায় অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ

Update Time : ১০:০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আদালত অবমাননার মামলায় স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিতে একজন অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই দায়িত্ব পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ ওয়াই মশিউজ্জামান।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এর আগে ৩ জুন মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল। মামলার প্রধান আসামি শেখ হাসিনা এবং অপর আসামি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের শাকিল আকন্দ বুলবুল ওরফে মো. শাকিল আলম (৪০)।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিওতে ‘২২৬ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি’— এমন মন্তব্যকে শেখ হাসিনার বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আদালত অবমাননার অভিযোগ আনেন।

গত ৩০ এপ্রিলের শুনানিতে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামিকে ২৫ মে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেয়। নির্ধারিত তারিখে তারা হাজির না হওয়ায় এবং কোনো আইনজীবীর মাধ্যমেও ব্যাখ্যা না দেয়ায়, আদালত তাদের বিরুদ্ধে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। পরদিন দুটি জাতীয় দৈনিকে সেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়, যাতে দুজনকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের জবাব দিতে বলা হয়।