ঢাকা ১১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দ্রুত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক না করলে সৌদি আরবের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি বাতিল: হোয়াইট হাউস ইরানের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো যুক্তরাষ্ট্র অধিকৃত পশ্চিম তীরের গাজার মতো সামরিক অভিযান চালানোর আহ্বান ইসরায়েলি নিরাপত্তামন্ত্রী কে হতে যাচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি আগামী রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন জামায়াতে ইসলামী ফেরেশতাদের দল নয়, আমরা মানুষ আমাদেরও ভুল ত্রুটি হয়: শফিকুর রহমান পদত্যাগপত্রে কি লিখেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি আগামী রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করা সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি আগামী রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) কালের কণ্ঠকে তার পরিবারের এক সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিগগির বঙ্গভবন ছেড়ে দেবেন। সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে। বঙ্গভবন ছেড়ে মো. সাহাবুদ্দিন পরিবারসহ রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসায় উঠবেন বলেও নিশ্চিত করেন তিনি। মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণের তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

আজ বিকেলে এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে স্পিকার জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্বাক্ষর করা পদত্যাগপত্র আজ বিকেল ৫টা ১ মিনিটে তার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।স্পিকার বলেন, ‘আমি পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।’ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে স্পিকার বলেন, তিনি গুরুতর অসুস্থ।

বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ায় শারীরিক ও মানসিকভাবে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালনে অসামর্থ্য হওয়ায় তিনি পদত্যাগ করেছেন।স্পিকার বরাবর লেখা মো. সাহাবুদ্দিন স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, শারীরিক অসুস্থতার কথা। তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও লিখেছেন পদত্যাগপত্রে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের এপ্রিলে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। এর পর থেকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবি করে আসছিলেন জামায়াত-এনসিপি নেতাকর্মীরা। গণ-অভ্যুত্থানের পর এ দাবিতে একাধিক আন্দোলনও হয়েছে।
Tag :
জনপ্রিয়

দ্রুত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে

সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি আগামী রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন

Update Time : ০৫:০৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করা সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি আগামী রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) কালের কণ্ঠকে তার পরিবারের এক সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিগগির বঙ্গভবন ছেড়ে দেবেন। সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে। বঙ্গভবন ছেড়ে মো. সাহাবুদ্দিন পরিবারসহ রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসায় উঠবেন বলেও নিশ্চিত করেন তিনি। মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণের তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

আজ বিকেলে এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে স্পিকার জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্বাক্ষর করা পদত্যাগপত্র আজ বিকেল ৫টা ১ মিনিটে তার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।স্পিকার বলেন, ‘আমি পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।’ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে স্পিকার বলেন, তিনি গুরুতর অসুস্থ।

বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ায় শারীরিক ও মানসিকভাবে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালনে অসামর্থ্য হওয়ায় তিনি পদত্যাগ করেছেন।স্পিকার বরাবর লেখা মো. সাহাবুদ্দিন স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, শারীরিক অসুস্থতার কথা। তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও লিখেছেন পদত্যাগপত্রে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের এপ্রিলে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। এর পর থেকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবি করে আসছিলেন জামায়াত-এনসিপি নেতাকর্মীরা। গণ-অভ্যুত্থানের পর এ দাবিতে একাধিক আন্দোলনও হয়েছে।