ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ন্যাটোকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরে দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: শতভাগ সিসিটিভি ক্যামেরা নিশ্চিত করার নির্দেশ পুলিশ সুপারের মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হলেন ফাতিমা জাহরা প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন বিকেলে আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি :৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাইবার নিরাপত্তা আইনে দায়েরকৃত মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হলে সে জন্য বাদীকে শাস্তি পেতে হবে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ২০৮ Time View

সাইবার নিরাপত্তা আইনে দায়েরকৃত মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হলে সে জন্য বাদীকে শাস্তি পেতে হবে। মিথ্যা মামলা দায়েরকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে সাজার বিধান যুক্ত করার সুপারিশ জানিয়ে জাতীয় সংসদে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সুপারিশে বলা হয়েছে, মিথ্যা মামলার শিকার হওয়া ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দিলে আদালত তা আমলে নেবেন।

রোববার সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩ পাসের সুপারিশ করে সংসদে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংসদীয় কমিটির সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দেশের বেশ কয়েকটি সাংবাদিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর এমন সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়। সেই সঙ্গে প্রতিবেদনে সাইবার নিরাপত্তা বিলের ৩২ নম্বর ধারা বাদ দেয়াসহ কয়েকটি ধারায় শব্দগত পরিবর্তন আনার সুপারিশও করা হয়েছে।

রোববার সংসদে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ এ নতুন একটি ধারা যুক্ত করার সুপারিশ করে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোনো ধারার অধীনে মামলা বা অভিযোগ দায়ের করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ না জেনেও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহলে তা হবে একটি অপরাধ। এই অপরাধে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করিয়েছেন, উক্ত ব্যক্তি মূল অপরাধটির জন্য যে দণ্ড নির্ধারিত রয়েছে, সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

এছাড়া কোনো ব্যক্তি যদি এই আইনের একাধিক ধারায় মিথ্যা কোনো মামলা বা অভিযোগ করেন, তাহলে ওই ধারায় বর্ণিত অপরাধগুলোর মধ্যে মূল অপরাধের জন্য যার দণ্ডের পরিমাণ বেশি হয়, সেটিই দণ্ডের পরিমাণ হিসাবে নির্ধারণ করা যাবে। ভুক্তভোগী ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল এই অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করতে পারবেন বলেও বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও দমনে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সংসদে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস হয়। একই বছরের ৮ অক্টোবর থেকে আইনটি কার্যকর হয়। শুরু থেকেই আইনটির অপব্যবহারের জন্য ব্যাপকভাবে সমালোচনা হয়।

পরবর্তীতে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি বাতিলে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি ওঠে। এমন দাবির মাঝে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হচ্ছে। সবশেষ গত মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩ সংসদে উত্থাপন করা হয়। এরপর বিলটি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

Tag :

ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

সাইবার নিরাপত্তা আইনে দায়েরকৃত মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হলে সে জন্য বাদীকে শাস্তি পেতে হবে

Update Time : ০৫:৫০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

সাইবার নিরাপত্তা আইনে দায়েরকৃত মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হলে সে জন্য বাদীকে শাস্তি পেতে হবে। মিথ্যা মামলা দায়েরকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে সাজার বিধান যুক্ত করার সুপারিশ জানিয়ে জাতীয় সংসদে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সুপারিশে বলা হয়েছে, মিথ্যা মামলার শিকার হওয়া ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দিলে আদালত তা আমলে নেবেন।

রোববার সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩ পাসের সুপারিশ করে সংসদে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংসদীয় কমিটির সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দেশের বেশ কয়েকটি সাংবাদিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর এমন সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়। সেই সঙ্গে প্রতিবেদনে সাইবার নিরাপত্তা বিলের ৩২ নম্বর ধারা বাদ দেয়াসহ কয়েকটি ধারায় শব্দগত পরিবর্তন আনার সুপারিশও করা হয়েছে।

রোববার সংসদে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ এ নতুন একটি ধারা যুক্ত করার সুপারিশ করে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোনো ধারার অধীনে মামলা বা অভিযোগ দায়ের করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ না জেনেও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহলে তা হবে একটি অপরাধ। এই অপরাধে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করিয়েছেন, উক্ত ব্যক্তি মূল অপরাধটির জন্য যে দণ্ড নির্ধারিত রয়েছে, সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

এছাড়া কোনো ব্যক্তি যদি এই আইনের একাধিক ধারায় মিথ্যা কোনো মামলা বা অভিযোগ করেন, তাহলে ওই ধারায় বর্ণিত অপরাধগুলোর মধ্যে মূল অপরাধের জন্য যার দণ্ডের পরিমাণ বেশি হয়, সেটিই দণ্ডের পরিমাণ হিসাবে নির্ধারণ করা যাবে। ভুক্তভোগী ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল এই অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করতে পারবেন বলেও বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও দমনে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সংসদে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস হয়। একই বছরের ৮ অক্টোবর থেকে আইনটি কার্যকর হয়। শুরু থেকেই আইনটির অপব্যবহারের জন্য ব্যাপকভাবে সমালোচনা হয়।

পরবর্তীতে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি বাতিলে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি ওঠে। এমন দাবির মাঝে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হচ্ছে। সবশেষ গত মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩ সংসদে উত্থাপন করা হয়। এরপর বিলটি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।