ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুক্রবার পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০২:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ৫৮ Time View
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেলে, রাষ্ট্রপতি পদে মো. সাহাবুদ্দিনের থাকা-না থাকা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। তবে, সংবিধান রক্ষায় তার কাছেই শপথ নেয়, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। পরে, ২০২৬ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপিও মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নিয়ে সরকার গঠন করে।
এই দুই বছরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জামায়াতসহ বিভিন্ন পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের দাবি তোলে। কিন্তু, তাতে সায় দেয়নি বিএনপি। উল্টো সাহাবুদ্দিনকে রাখতে জোর ভূমিকা রাখে তারা। তবে, এবার পাল্টে যাচ্ছে দৃশ্যপট।
জানা গেছে, চলতি মাসের শুরুতে মৌখিকভাবে রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে বলেছে বিএনপি সরকার। এ সময় কিছুটা সময় চান তিনি। বঙ্গভবনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, শুক্রবার পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার দুপুর নাগাদ পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন বঙ্গভবনের কর্মকর্তারা।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে সিটি স্ক্যান ও এমআরআই পরীক্ষায় তার নিউরো কেন্দ্রিক জটিল রোগ ধরা পড়েছে। তাই পদত্যাগ করে স্ত্রীসহ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য যেতে চান, মো. সাহাবুদ্দিন।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে বেরিয়েছে আরও স্পর্শকাতর তথ্য। সেখানে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি এ বছরের ৯ মে লন্ডনে যান এবং ১৮ মে দেশে ফেরেন। সেখানে গিয়ে তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। পরে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ওই ফোনালাপের বিষয়টি জানতে পারে। এরপরই তাকে পদত্যাগের বার্তা দেয়, বিএনপি সরকার।
সংবিধান মতে, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে কেউ অপারগতা প্রকাশ করলে, স্পিকারের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। পদশূন্য হলে স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে আসবেন নতুন রাষ্ট্রপতি।
Tag :

শুক্রবার পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

Update Time : ০২:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেলে, রাষ্ট্রপতি পদে মো. সাহাবুদ্দিনের থাকা-না থাকা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। তবে, সংবিধান রক্ষায় তার কাছেই শপথ নেয়, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। পরে, ২০২৬ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপিও মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নিয়ে সরকার গঠন করে।
এই দুই বছরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জামায়াতসহ বিভিন্ন পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের দাবি তোলে। কিন্তু, তাতে সায় দেয়নি বিএনপি। উল্টো সাহাবুদ্দিনকে রাখতে জোর ভূমিকা রাখে তারা। তবে, এবার পাল্টে যাচ্ছে দৃশ্যপট।
জানা গেছে, চলতি মাসের শুরুতে মৌখিকভাবে রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে বলেছে বিএনপি সরকার। এ সময় কিছুটা সময় চান তিনি। বঙ্গভবনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, শুক্রবার পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার দুপুর নাগাদ পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন বঙ্গভবনের কর্মকর্তারা।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে সিটি স্ক্যান ও এমআরআই পরীক্ষায় তার নিউরো কেন্দ্রিক জটিল রোগ ধরা পড়েছে। তাই পদত্যাগ করে স্ত্রীসহ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য যেতে চান, মো. সাহাবুদ্দিন।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে বেরিয়েছে আরও স্পর্শকাতর তথ্য। সেখানে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি এ বছরের ৯ মে লন্ডনে যান এবং ১৮ মে দেশে ফেরেন। সেখানে গিয়ে তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। পরে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ওই ফোনালাপের বিষয়টি জানতে পারে। এরপরই তাকে পদত্যাগের বার্তা দেয়, বিএনপি সরকার।
সংবিধান মতে, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে কেউ অপারগতা প্রকাশ করলে, স্পিকারের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। পদশূন্য হলে স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে আসবেন নতুন রাষ্ট্রপতি।