ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরের নগরকান্দায় মাদ্রাসা শিক্ষকের নির্যাতনে দুই শিক্ষার্থী আহত

ফরিদপুরের নগরকান্দায় মাদ্রাসা শিক্ষকের নির্যাতনে দুই শিক্ষার্থী আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটানাটি উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের সুতারকান্দা দারুস সালাম ইসলামীয়া মাদ্রাসায়। আহতরা হলো উপজেলার জিয়াকুলী গ্রামের বাদল মোল্যার ছেলে নিজাম (৯) ও জলফত জমাদ্দারের ছেলে আর্শিক (১০) । দুই জনই উক্ত মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।

জানাগেছে  বুধবার (৩০ জুন) মাদ্রাসায় ফজরের নামাজের পর শিক্ষার্থীদের নিয়ে তালিম চলছিল। এসময় হেফজ বিভাগের ছাত্র নিজাম ও আর্শিক বসে বসে ঘুমাচ্ছিল। মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ রকিবুল ইসলাম উক্ত দুই ছাত্রকে দাঁড় করিয়ে একে অপরের মাথায় সজরে আঘাত করেন। এতে দুজনের মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে। পরে পাশ্ববর্তী পোড়াদিয়া বাজারে গ্রাম্য চিকিৎকের নিকট এনে দু’জনের মাথায় সেলাই দিয়ে বাড়ী পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর শিক্ষক হাফেজ রকিবুল ইসলাম পরাতক রয়েছেন।

আহত ছাত্র নিজামের বাবা দাদল মোল্যা অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলে হেফজ বিভাগে পড়ে।  তালিমের সময় ঝিমানোর অভিযোগে আমার ছেলে ও আর একটি ছেলের মাথায় মাখায় টক্কোর মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। আমার ছেলের মাথায় চারটি সেলাই লেগেছে।

মাদ্রাসার মোহতামিম আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আমি মাদ্রাসায় ছিলাম না। একটা অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে গেছে। শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা কমিটির পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেতী প্রু বলেন, দুই শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আর অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

ফরিদপুরের নগরকান্দায় মাদ্রাসা শিক্ষকের নির্যাতনে দুই শিক্ষার্থী আহত

Update Time : ০৪:৫৬:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুন ২০২১

ফরিদপুরের নগরকান্দায় মাদ্রাসা শিক্ষকের নির্যাতনে দুই শিক্ষার্থী আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটানাটি উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের সুতারকান্দা দারুস সালাম ইসলামীয়া মাদ্রাসায়। আহতরা হলো উপজেলার জিয়াকুলী গ্রামের বাদল মোল্যার ছেলে নিজাম (৯) ও জলফত জমাদ্দারের ছেলে আর্শিক (১০) । দুই জনই উক্ত মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।

জানাগেছে  বুধবার (৩০ জুন) মাদ্রাসায় ফজরের নামাজের পর শিক্ষার্থীদের নিয়ে তালিম চলছিল। এসময় হেফজ বিভাগের ছাত্র নিজাম ও আর্শিক বসে বসে ঘুমাচ্ছিল। মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ রকিবুল ইসলাম উক্ত দুই ছাত্রকে দাঁড় করিয়ে একে অপরের মাথায় সজরে আঘাত করেন। এতে দুজনের মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে। পরে পাশ্ববর্তী পোড়াদিয়া বাজারে গ্রাম্য চিকিৎকের নিকট এনে দু’জনের মাথায় সেলাই দিয়ে বাড়ী পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর শিক্ষক হাফেজ রকিবুল ইসলাম পরাতক রয়েছেন।

আহত ছাত্র নিজামের বাবা দাদল মোল্যা অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলে হেফজ বিভাগে পড়ে।  তালিমের সময় ঝিমানোর অভিযোগে আমার ছেলে ও আর একটি ছেলের মাথায় মাখায় টক্কোর মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। আমার ছেলের মাথায় চারটি সেলাই লেগেছে।

মাদ্রাসার মোহতামিম আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আমি মাদ্রাসায় ছিলাম না। একটা অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে গেছে। শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা কমিটির পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেতী প্রু বলেন, দুই শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আর অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।