ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় করোনায় আরও ১৪ জনের মৃত্যু

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৫:২৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই ২০২১
  • ৩৩৯ Time View
কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১০ জন করোনা শনাক্ত ছিলেন, আর ৪ জনের করোনার উপসর্গ ছিলো।

গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এদের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত ৩৮০ জনের মৃত্যু হলো।
এছাড়াও ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৭৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষায় গতদিনের চেয়ে শনাক্তের হার ৬ কমে ৩০.৫৩ শতাংশ।
গত ৭ দিনেই কুষ্টিয়ায় করোনা আক্রান্ত ৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৮শ ৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেডেট জেনারেল হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েই চলেছে। তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার আব্দুল মোমেন জানান, ২শ বেডে করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন ২৮৫ জন। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত রোগীই ২২১ জন। বাকিরা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন। প্রায় ৭০ শতাংশ রোগীদের অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে। হিমশিম খাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ।
এদিকে লকডাউন শিথিল হওয়ায় শহরের দোকানপাট-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঘুলেছে, হাটে, শহরে ও গ্রামে অধিকাংশ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না।
Tag :

কুষ্টিয়ায় করোনায় আরও ১৪ জনের মৃত্যু

Update Time : ০৫:২৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই ২০২১
কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১০ জন করোনা শনাক্ত ছিলেন, আর ৪ জনের করোনার উপসর্গ ছিলো।

গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এদের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত ৩৮০ জনের মৃত্যু হলো।
এছাড়াও ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৭৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষায় গতদিনের চেয়ে শনাক্তের হার ৬ কমে ৩০.৫৩ শতাংশ।
গত ৭ দিনেই কুষ্টিয়ায় করোনা আক্রান্ত ৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৮শ ৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেডেট জেনারেল হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েই চলেছে। তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার আব্দুল মোমেন জানান, ২শ বেডে করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন ২৮৫ জন। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত রোগীই ২২১ জন। বাকিরা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন। প্রায় ৭০ শতাংশ রোগীদের অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে। হিমশিম খাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ।
এদিকে লকডাউন শিথিল হওয়ায় শহরের দোকানপাট-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঘুলেছে, হাটে, শহরে ও গ্রামে অধিকাংশ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না।