ঢাকা ১২:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতিসংঘের তথ্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ‘অত্যন্ত ভুল’ বলে চ্যালেঞ্জ করে শেখ হাসিনার চিঠি আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালালো কর্মীরা ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত: গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭২ হাজার ৯৩৮ ছাড়াল আদ্-দ্বীন হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জিয়ার আদর্শে দেশ গঠনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর ‘অপারেশন সিঁদুর ২.০’-এর জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ভারত: সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৮ শিশুর মৃত্যু ফরিদপুরে প্রাক্তন ক্রিকেটারদের পুনর্মিলনী উপলক্ষে ক্রিকেট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত চিড়িয়াখানায় ‘ডনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ, দেখতে দর্শনার্থীদের প্রচণ্ড ভিড় ঈদের ছুটি শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন নগরবাসী

আগামী মার্চ থেকে থেকে মোবাইল ডাটার মেয়াদ থাকবে না

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৬:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ৩১৮ Time View

মোবাইল ইন্টারনেটের ডাটা প্যাকেজে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে চলেছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি)। এই পরিবর্তনের ফলে অপারেটরদের অফারের সংখ্যা কমে যাবে এবং গ্রাহকরা তাদের বর্তমান প্যাকেজের অব্যবহৃত ডেটাও পরবর্তী প্যাকেজের সঙ্গে পেয়ে যাবেন।

আগামী মার্চ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বিটিআরসি ইতোমধ্যে অপারেটরদের নির্দেশনা দিয়েছে।

অধিক প্যাকেজ এবং জটিল শর্তের জাল থেকে গ্রাহকদের স্বস্তি দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। কারণ এসব প্যাকেজ থেকে নিজের সুবিধাজনক প্যাকেজটি খুঁজে নেওয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিভ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বলেন, ‘বাজারে অসংখ্য প্যাকেজ রয়েছে যেগুলো বিভ্রান্তি তৈরি করছে। গ্রাহকরা মন্ত্রণালয়, বিটিআরসির কল সেন্টারে এবং গণশুনানির সময় এ বিষয়ে অভিযোগ করছেন। আমরা ডেটা প্যাকেজগুলোকে সহজ করার জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছি। যেন গ্রাহকরা সহজেই তাদের পছন্দসই প্যাকেজ নির্বাচন করতে পারেন।’

নতুন নির্দেশনা অনুসারে, একটি অপারেটর তিনটি বিভাগে ৯৫টি প্যাকেজ দিতে পারবে। এগুলো হলো, নিয়মিত প্যাকেজ, গ্রাহককেন্দ্রিক বিশেষ প্যাকেজ এবং গবেষণা ও উন্নয়ন প্যাকেজ। সব ধরনের গ্রাহকের জন্য নিয়মিত প্যাকেজের সংখ্যা হতে পারবে সর্বোচ্চ ৫০টি। গ্রাহককেন্দ্রিক বিশেষ প্যাকেজের সংখ্যা হবে সর্বোচ্চ ৩৫টি। বাকি ১০টি গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগে আসবে, যেন অপারেটররা প্যাকেজ এবং পরিবর্তীত গ্রাহক প্রবণতার কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করতে পারে। প্রতিটি প্যাকেজে ৩, ৭, ১৫ এবং ৩০ দিনের সময়কাল থাকবে।

বিটিআরসির নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সময়কাল নির্বিশেষে যেকোনো ডেটা প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে একই প্যাকেজ গ্রাহক ক্রয় করলে অব্যবহৃত ডেটা পরের প্যাকেজে যোগ হয়ে যাবে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন গ্রাহক ৩ দিন মেয়াদে ৭ গিগাবাইট (জিবি) ডেটা ও ১০০ মিনিট টকটাইমের প্যাকেজ কিনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা শেষ করতে না পারেন, তাহলে অব্যবহৃত ডেটা বা টকটাইম মেয়াদ শেষে আর ব্যবহার করতে পারেন না। কিন্তু ১ মার্চ থেকে গ্রাহকরা মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে একই প্যাকেজ কিনলে অব্যবহৃত ডেটা এবং টকটাইম নতুন প্যাকেজে স্থানান্তরের সুবিধা পাবেন। ফলে অব্যবহৃত ডেটা ও টকটাইম নতুন ডেটা ও টকটাইমের সঙ্গে যোগ হয়ে যাবে।

শুধু তাই নয়, অন্য তিন ধরনের মেয়াদে নতুন প্যাকেজ কিনলেও অব্যবহৃত ডেটা স্থানান্তর করা যাবে।

Tag :

জাতিসংঘের তথ্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ‘অত্যন্ত ভুল’ বলে চ্যালেঞ্জ করে শেখ হাসিনার চিঠি

আগামী মার্চ থেকে থেকে মোবাইল ডাটার মেয়াদ থাকবে না

Update Time : ০৬:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২

মোবাইল ইন্টারনেটের ডাটা প্যাকেজে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে চলেছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি)। এই পরিবর্তনের ফলে অপারেটরদের অফারের সংখ্যা কমে যাবে এবং গ্রাহকরা তাদের বর্তমান প্যাকেজের অব্যবহৃত ডেটাও পরবর্তী প্যাকেজের সঙ্গে পেয়ে যাবেন।

আগামী মার্চ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বিটিআরসি ইতোমধ্যে অপারেটরদের নির্দেশনা দিয়েছে।

অধিক প্যাকেজ এবং জটিল শর্তের জাল থেকে গ্রাহকদের স্বস্তি দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। কারণ এসব প্যাকেজ থেকে নিজের সুবিধাজনক প্যাকেজটি খুঁজে নেওয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিভ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বলেন, ‘বাজারে অসংখ্য প্যাকেজ রয়েছে যেগুলো বিভ্রান্তি তৈরি করছে। গ্রাহকরা মন্ত্রণালয়, বিটিআরসির কল সেন্টারে এবং গণশুনানির সময় এ বিষয়ে অভিযোগ করছেন। আমরা ডেটা প্যাকেজগুলোকে সহজ করার জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছি। যেন গ্রাহকরা সহজেই তাদের পছন্দসই প্যাকেজ নির্বাচন করতে পারেন।’

নতুন নির্দেশনা অনুসারে, একটি অপারেটর তিনটি বিভাগে ৯৫টি প্যাকেজ দিতে পারবে। এগুলো হলো, নিয়মিত প্যাকেজ, গ্রাহককেন্দ্রিক বিশেষ প্যাকেজ এবং গবেষণা ও উন্নয়ন প্যাকেজ। সব ধরনের গ্রাহকের জন্য নিয়মিত প্যাকেজের সংখ্যা হতে পারবে সর্বোচ্চ ৫০টি। গ্রাহককেন্দ্রিক বিশেষ প্যাকেজের সংখ্যা হবে সর্বোচ্চ ৩৫টি। বাকি ১০টি গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগে আসবে, যেন অপারেটররা প্যাকেজ এবং পরিবর্তীত গ্রাহক প্রবণতার কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করতে পারে। প্রতিটি প্যাকেজে ৩, ৭, ১৫ এবং ৩০ দিনের সময়কাল থাকবে।

বিটিআরসির নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সময়কাল নির্বিশেষে যেকোনো ডেটা প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে একই প্যাকেজ গ্রাহক ক্রয় করলে অব্যবহৃত ডেটা পরের প্যাকেজে যোগ হয়ে যাবে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন গ্রাহক ৩ দিন মেয়াদে ৭ গিগাবাইট (জিবি) ডেটা ও ১০০ মিনিট টকটাইমের প্যাকেজ কিনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা শেষ করতে না পারেন, তাহলে অব্যবহৃত ডেটা বা টকটাইম মেয়াদ শেষে আর ব্যবহার করতে পারেন না। কিন্তু ১ মার্চ থেকে গ্রাহকরা মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে একই প্যাকেজ কিনলে অব্যবহৃত ডেটা এবং টকটাইম নতুন প্যাকেজে স্থানান্তরের সুবিধা পাবেন। ফলে অব্যবহৃত ডেটা ও টকটাইম নতুন ডেটা ও টকটাইমের সঙ্গে যোগ হয়ে যাবে।

শুধু তাই নয়, অন্য তিন ধরনের মেয়াদে নতুন প্যাকেজ কিনলেও অব্যবহৃত ডেটা স্থানান্তর করা যাবে।