ঢাকা ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

লঘুচাপটি আগামী রোববার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে, তখন এটির নাম হবে ‘অশনি’

দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। আগামী রবিবার (০৮ মে) এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
ভারতের আবহাওয়া অফিস এমন খবর জানিয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের আবহাওয়ার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে।
বর্তমান গতিপথ অনুযায়ী, লঘুচাপটি আগামী রোববার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে, তখন এটির নাম হবে ‘অশনি’।
উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামী ১০ মে রাতে ‘অশনি’ উড়িষ্যা ও অন্ধ্র উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছাবে। তবে এটি কিছুটা পূর্বদিকে দিক পরিবর্তন করে উপকূলে আঘাত হানতে পারে ১১ মে।
যে গতিপথ ধরে লঘুচাপটি অগ্রসর হচ্ছে, এতে বাংলাদেশের উপকূলে অশনির আঘাত হানার সম্ভাবনা কম। এমনকি পশ্চিমবঙ্গে বড় ধরনের প্রভাব নাও পড়তে পারে।
ভারতের আবহাওয়া বিজ্ঞানী আনন্দ কুমার দাস জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়টি কেন্দ্রে সর্বোচ্চ গতি উঠতে পারে ১০০ কিলোমিটার।
সাগর প্রচণ্ড বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠবে বিধায় সব মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলে ফিরে আসতে হবে। এ সময় ভারী বৃষ্টিপাত হবে উড়িষ্যায়।
এদিকে বাংলাদেশের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি আরও ঘণীভূত হতে পারে। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে পরবর্তী নিদের্শনা পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে।
Tag :

একনেক সভায় ১০ প্রকল্প অনুমোদন

লঘুচাপটি আগামী রোববার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে, তখন এটির নাম হবে ‘অশনি’

Update Time : ০৩:০৯:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মে ২০২২
দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। আগামী রবিবার (০৮ মে) এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
ভারতের আবহাওয়া অফিস এমন খবর জানিয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের আবহাওয়ার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে।
বর্তমান গতিপথ অনুযায়ী, লঘুচাপটি আগামী রোববার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে, তখন এটির নাম হবে ‘অশনি’।
উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামী ১০ মে রাতে ‘অশনি’ উড়িষ্যা ও অন্ধ্র উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছাবে। তবে এটি কিছুটা পূর্বদিকে দিক পরিবর্তন করে উপকূলে আঘাত হানতে পারে ১১ মে।
যে গতিপথ ধরে লঘুচাপটি অগ্রসর হচ্ছে, এতে বাংলাদেশের উপকূলে অশনির আঘাত হানার সম্ভাবনা কম। এমনকি পশ্চিমবঙ্গে বড় ধরনের প্রভাব নাও পড়তে পারে।
ভারতের আবহাওয়া বিজ্ঞানী আনন্দ কুমার দাস জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়টি কেন্দ্রে সর্বোচ্চ গতি উঠতে পারে ১০০ কিলোমিটার।
সাগর প্রচণ্ড বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠবে বিধায় সব মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলে ফিরে আসতে হবে। এ সময় ভারী বৃষ্টিপাত হবে উড়িষ্যায়।
এদিকে বাংলাদেশের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি আরও ঘণীভূত হতে পারে। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে পরবর্তী নিদের্শনা পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে।