ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

ইউক্রেনে ভয়াবহ যুদ্ধে কোনও পক্ষই জয়ী হবে না: জাতিসংঘ

ইউক্রেনে ভয়াবহ যুদ্ধে কোনও পক্ষই জয়ী হবে না। ইউক্রেন যুদ্ধের ১০০তম দিনে এমনই মনে করছেন জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব ও ইউক্রেন সংকট বিষয়ক সমন্বয়কারী আমিন আওয়াদ।

শুক্রবার (০৩ জুন) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়।

জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব আমিন আওয়াদ বলেছেন, রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের একশ দিন হয়ে গেছে। মস্কোর সামরিক বাহিনী ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দনবাসে তুমুল আক্রমণ পরিচালনা করছে। কিন্তু (শেষমেষ) এই আগ্রাসনের ঘটনায় কোনো পক্ষই বিজয়ী হবে না। বরং আমরা ১০০ দিন ধরে অনেক মানুষের জীবন, ঘর-বাড়ি, চাকরি এবং আগামীর সম্ভাবনা হারাতে দেখছি।

এ সময়ে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ইউক্রেনীয়কে তাদের বাড়ি ঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

জাতিসংঘের এই সহকারী মহাসচিব বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে মানুষের জীবনের ওপর এক ধরনের অগ্রহণযোগ্য খড়গ নেমে এসেছে। শহরের পর শহর, গ্রামের পর গ্রামজুড়ে আমরা ধ্বংসযজ্ঞ দেখলাম। ধ্বংস করা হচ্ছে স্কুল, হাসপাতাল ও আশ্রয়কেন্দ্রও।

আমিন আওয়াদ আরও বলেন, যুদ্ধের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। কিন্তু সবকিছুর পরে আমাদের শান্তি দরকার। যুদ্ধ এখনই থামানো দরকার।

Tag :

মার্কিন বাহিনীর বাগদাদ কিংবা তেহরান—কোথাও সামরিক অভিযানে যাওয়া ঠিক হয়নি: ট্রাম্প

ইউক্রেনে ভয়াবহ যুদ্ধে কোনও পক্ষই জয়ী হবে না: জাতিসংঘ

Update Time : ০৪:৫১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুন ২০২২

ইউক্রেনে ভয়াবহ যুদ্ধে কোনও পক্ষই জয়ী হবে না। ইউক্রেন যুদ্ধের ১০০তম দিনে এমনই মনে করছেন জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব ও ইউক্রেন সংকট বিষয়ক সমন্বয়কারী আমিন আওয়াদ।

শুক্রবার (০৩ জুন) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়।

জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব আমিন আওয়াদ বলেছেন, রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের একশ দিন হয়ে গেছে। মস্কোর সামরিক বাহিনী ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দনবাসে তুমুল আক্রমণ পরিচালনা করছে। কিন্তু (শেষমেষ) এই আগ্রাসনের ঘটনায় কোনো পক্ষই বিজয়ী হবে না। বরং আমরা ১০০ দিন ধরে অনেক মানুষের জীবন, ঘর-বাড়ি, চাকরি এবং আগামীর সম্ভাবনা হারাতে দেখছি।

এ সময়ে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ইউক্রেনীয়কে তাদের বাড়ি ঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

জাতিসংঘের এই সহকারী মহাসচিব বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে মানুষের জীবনের ওপর এক ধরনের অগ্রহণযোগ্য খড়গ নেমে এসেছে। শহরের পর শহর, গ্রামের পর গ্রামজুড়ে আমরা ধ্বংসযজ্ঞ দেখলাম। ধ্বংস করা হচ্ছে স্কুল, হাসপাতাল ও আশ্রয়কেন্দ্রও।

আমিন আওয়াদ আরও বলেন, যুদ্ধের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। কিন্তু সবকিছুর পরে আমাদের শান্তি দরকার। যুদ্ধ এখনই থামানো দরকার।