ঢাকা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বেড়েছে ঘরমুখো যাত্রীদের সংখ্যা

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শুক্রবার (৮ জুলাই) সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বেড়েছে ঘরমুখো যাত্রীদের সংখ্যা। এদিন বেশিরভাগ লঞ্চেরই ডেক-কেবিন কানায় কানায় ভরা দেখা যায়। এমনকি, অনেক লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহনও চোখে পড়ে।
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, ভোলা, হাতিয়া, চরফ্যাশন, ভেতুয়া, মনপুরা ও বরগুনাগামী লঞ্চগুলোতে যাত্রীর চাপ সবচেয়ে বেশি।
পদ্মা সেতুর কারণে কিছুদিন আগেও লঞ্চঘাটে যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক সময়ের মতো। তবে, বৃহস্পতিবার (০৭ জুলাই) ও শুক্রবার লঞ্চযাত্রীদের চাপ বেড়েছে। দেখে মনে হয়, চিরচেনা রূপ ফিরে পেয়েছে লঞ্চ টার্মিনাল।
চরফ্যাশন, বেতুয়াগামী লঞ্চ এমভি তাসরিফের ডেক, কেভিন কানায় কানায় ভর্তি দেখা যায়। রাত ৮টায় ঘাট ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে লঞ্চটির। তবে, যাত্রী বেশি হয়ে গেলে নির্ধারিত সময়ের আগেই ছাড়া হবে বলে জানায় লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
লঞ্চটির একাধিক যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি হলেও অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না। তবে, কেবিনের জন্য যাত্রীভেদে কিছু টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
সদরঘাটের বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) যুগ্ম-পরিচালক মো. আলমগীর বলেন, এবার অনেক শান্তিতে আছি। অন্যবারের তুলনায় এবার লঞ্চঘাটে যাত্রীর চাপ অনেকটাই কম।
আমাদের লঞ্চঘাটে দুই লাখের মতো যাত্রীবহন সক্ষমতা আছে। আগে ঈদের সময় যাত্রীর চাপ অনেক বেশি থাকতো, এমনকি যাত্রীর সংখ্যা পাঁচ লাখও ছাড়িয়ে যেতো। দুর্ঘটনাও ঘটতো বেশি। এবার যাত্রীর চাপ কম থাকায় বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটবে না বলে আশা করছি।
Tag :

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বেড়েছে ঘরমুখো যাত্রীদের সংখ্যা

Update Time : ০৪:১৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ জুলাই ২০২২
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শুক্রবার (৮ জুলাই) সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বেড়েছে ঘরমুখো যাত্রীদের সংখ্যা। এদিন বেশিরভাগ লঞ্চেরই ডেক-কেবিন কানায় কানায় ভরা দেখা যায়। এমনকি, অনেক লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহনও চোখে পড়ে।
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, ভোলা, হাতিয়া, চরফ্যাশন, ভেতুয়া, মনপুরা ও বরগুনাগামী লঞ্চগুলোতে যাত্রীর চাপ সবচেয়ে বেশি।
পদ্মা সেতুর কারণে কিছুদিন আগেও লঞ্চঘাটে যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক সময়ের মতো। তবে, বৃহস্পতিবার (০৭ জুলাই) ও শুক্রবার লঞ্চযাত্রীদের চাপ বেড়েছে। দেখে মনে হয়, চিরচেনা রূপ ফিরে পেয়েছে লঞ্চ টার্মিনাল।
চরফ্যাশন, বেতুয়াগামী লঞ্চ এমভি তাসরিফের ডেক, কেভিন কানায় কানায় ভর্তি দেখা যায়। রাত ৮টায় ঘাট ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে লঞ্চটির। তবে, যাত্রী বেশি হয়ে গেলে নির্ধারিত সময়ের আগেই ছাড়া হবে বলে জানায় লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
লঞ্চটির একাধিক যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি হলেও অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না। তবে, কেবিনের জন্য যাত্রীভেদে কিছু টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
সদরঘাটের বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) যুগ্ম-পরিচালক মো. আলমগীর বলেন, এবার অনেক শান্তিতে আছি। অন্যবারের তুলনায় এবার লঞ্চঘাটে যাত্রীর চাপ অনেকটাই কম।
আমাদের লঞ্চঘাটে দুই লাখের মতো যাত্রীবহন সক্ষমতা আছে। আগে ঈদের সময় যাত্রীর চাপ অনেক বেশি থাকতো, এমনকি যাত্রীর সংখ্যা পাঁচ লাখও ছাড়িয়ে যেতো। দুর্ঘটনাও ঘটতো বেশি। এবার যাত্রীর চাপ কম থাকায় বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটবে না বলে আশা করছি।