ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ঈদুল আজহার আগে নখ ও চুল কাটা নিয়ে ইসলামি বিধান কী? দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাজুস ১৫ বছর পর পশ্চিমবঙ্গের শাসন ক্ষমতায় ফের পালাবদল, সরকার গঠনের পথে বিজেপি নিজের আসনেই বড় ব্যবধানে হেরেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হরমুজ প্রণালিতে কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলা হয়নি, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো ফুটেছে ‘পদ্ম’: মোদি ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে রেকর্ড ১৭ শিশুর প্রাণহানি ফরিদপুরে দৈনিক ফতেহাবাদ পত্রিকার ১৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা বিজেপি এগিয়ে এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ৩ মে ২০২৬

আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকার সমাবেশ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান: বিএনপির মহাসচিব

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:৩১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২২
  • ২২৬ Time View
আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকার সমাবেশ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ নিয়ে মনে কোনো দ্বিধা রাখবেন না। সেদিন অবশ্যই রাজধানীতে সমাবেশ হবে। সেদিন থেকে মানুষ নতুন স্বপ্ন দেখবে।
মঙ্গলবার (০৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে হোটেল লেকশোরে এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন।
“ভায়োলেন্স অ্যান্ড পলিটিক্স অব ব্লেমিং” শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ও অ্যাডভোকেট ফারজানা শারমিন পুতুল।
মির্জা ফখরুল বলেন, অনির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী কয়েক দিন আগে একটি নাটক করেছেন। তিনি কিছু আহত লোককে নিয়ে এসে আবারে ব্লেইমগেম খেলতে চাইছেন। কিছু কিছু অসমর্থিত সূত্র বলছে আমাদের চলমান আন্দোলন বানচাল করতে ২০০ বাস নাকি পোড়ানোর জন্য রেডি করা হয়েছে। ছাত্রলীগ নামধারী নেতাদেরকে রেডি রাখা হয়েছে আমাদের মোকাবিলা করতে। কিন্তু আমরা বলছি সরকার এখন আবার পুরনো খেলায় মেতেছে। জনগণ আজকে জেগে উঠেছে।
তিনি বলেন, সরকার নির্বাচিত নয়। তারা ১৫ বছর ধরে দেশের মানুষের ওপর নিপীড়নের স্টিম রোলার চালাচ্ছে। আজকে দেশে ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি করেছে। মানুষ আজকে সর্বগ্রাসী দানব সরকারের হাত থেকে মুক্তি চায়। আজকে জাতির করুন অবস্থা।
আমরা এবার মানুষকে নিয়ে বেরিয়েছি। তারাই এবার আমাদের আগে। আমরা পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। ইনশাআল্লাহ আমরা বিজয়ী হবো। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে হলে সকলকে মিলে একটি বাসযোগ্য রাষ্ট্র তৈরি করি।
গোলটেবিল আলোচনায় রাশিয়া, ইরান, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, জাতিসংঘ ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট শিরোনামে একটা প্রবন্ধ পাঠ করেন ডাঃ সায়ন্থ সাখাওয়াত। এছাড়া গত কযেক বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতাসীনদের দ্বারা সহিংসতার ওপর ভিডিও ডকুমেন্টারী প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বিএনপির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, আব্দুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, মীর মোহাম্মদ নাছির, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, জয়নুল আবদীন ফারুক, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, নিতাই রায় চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, বরকত উল্লাহ বুলু, মোঃ আবদুস সালাম, ডক্টর এনামুল হক চৌধুরী, ড. শাহিদা রফিক, ইসমাইল জবিউল্লাহ, আব্দুল কাইয়ুম, বিজন কান্তি সরকার, মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ফজলুল হক মিলন, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, জহির উদ্দিন স্বপন, অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, কাদের গণি চৌধুরী, তাইফুল ইসলাম টিপু, ব্যারিস্টার মীর হেলাল, তাবিথ আউয়াল, নায়াবা ইউসুফ, এবিএম আবদুস সাত্তার, শায়রুল কবির খান প্রমুখ।
অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন জাতীয় পার্টির (জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, সুব্রত চৌধুরী, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান ও এসএম শাহাদাত, ডিএল‘র সাইফুদ্দিন মনি, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, এনপিপির ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পিপলস লীগের সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ন্যাপ ভাসানীর অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকী, এনডিপির ক্বারী আবু তাহের, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম, ইসলামী ঐক্যজোটের অধ্যাপক আবদুল করিম, বাংলাদেশ ন্যাপের এম এন শাওন সাদেকি প্রমুখ।
Tag :
জনপ্রিয়

ঈদুল আজহার আগে নখ ও চুল কাটা নিয়ে ইসলামি বিধান কী?

আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকার সমাবেশ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান: বিএনপির মহাসচিব

Update Time : ০৪:৩১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২২
আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকার সমাবেশ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ নিয়ে মনে কোনো দ্বিধা রাখবেন না। সেদিন অবশ্যই রাজধানীতে সমাবেশ হবে। সেদিন থেকে মানুষ নতুন স্বপ্ন দেখবে।
মঙ্গলবার (০৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে হোটেল লেকশোরে এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন।
“ভায়োলেন্স অ্যান্ড পলিটিক্স অব ব্লেমিং” শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ও অ্যাডভোকেট ফারজানা শারমিন পুতুল।
মির্জা ফখরুল বলেন, অনির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী কয়েক দিন আগে একটি নাটক করেছেন। তিনি কিছু আহত লোককে নিয়ে এসে আবারে ব্লেইমগেম খেলতে চাইছেন। কিছু কিছু অসমর্থিত সূত্র বলছে আমাদের চলমান আন্দোলন বানচাল করতে ২০০ বাস নাকি পোড়ানোর জন্য রেডি করা হয়েছে। ছাত্রলীগ নামধারী নেতাদেরকে রেডি রাখা হয়েছে আমাদের মোকাবিলা করতে। কিন্তু আমরা বলছি সরকার এখন আবার পুরনো খেলায় মেতেছে। জনগণ আজকে জেগে উঠেছে।
তিনি বলেন, সরকার নির্বাচিত নয়। তারা ১৫ বছর ধরে দেশের মানুষের ওপর নিপীড়নের স্টিম রোলার চালাচ্ছে। আজকে দেশে ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি করেছে। মানুষ আজকে সর্বগ্রাসী দানব সরকারের হাত থেকে মুক্তি চায়। আজকে জাতির করুন অবস্থা।
আমরা এবার মানুষকে নিয়ে বেরিয়েছি। তারাই এবার আমাদের আগে। আমরা পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। ইনশাআল্লাহ আমরা বিজয়ী হবো। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে হলে সকলকে মিলে একটি বাসযোগ্য রাষ্ট্র তৈরি করি।
গোলটেবিল আলোচনায় রাশিয়া, ইরান, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, জাতিসংঘ ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট শিরোনামে একটা প্রবন্ধ পাঠ করেন ডাঃ সায়ন্থ সাখাওয়াত। এছাড়া গত কযেক বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতাসীনদের দ্বারা সহিংসতার ওপর ভিডিও ডকুমেন্টারী প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বিএনপির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, আব্দুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, মীর মোহাম্মদ নাছির, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, জয়নুল আবদীন ফারুক, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, নিতাই রায় চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, বরকত উল্লাহ বুলু, মোঃ আবদুস সালাম, ডক্টর এনামুল হক চৌধুরী, ড. শাহিদা রফিক, ইসমাইল জবিউল্লাহ, আব্দুল কাইয়ুম, বিজন কান্তি সরকার, মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ফজলুল হক মিলন, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, জহির উদ্দিন স্বপন, অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, কাদের গণি চৌধুরী, তাইফুল ইসলাম টিপু, ব্যারিস্টার মীর হেলাল, তাবিথ আউয়াল, নায়াবা ইউসুফ, এবিএম আবদুস সাত্তার, শায়রুল কবির খান প্রমুখ।
অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন জাতীয় পার্টির (জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, সুব্রত চৌধুরী, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান ও এসএম শাহাদাত, ডিএল‘র সাইফুদ্দিন মনি, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, এনপিপির ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পিপলস লীগের সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ন্যাপ ভাসানীর অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকী, এনডিপির ক্বারী আবু তাহের, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম, ইসলামী ঐক্যজোটের অধ্যাপক আবদুল করিম, বাংলাদেশ ন্যাপের এম এন শাওন সাদেকি প্রমুখ।