ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরাকের কিরকুক শহরের কাছে বোমা বিস্ফোরণে অন্তত আট ইরাকি ফেডারেল পুলিশ নিহত

ইরাকের কিরকুক শহরের কাছে বোমা বিস্ফোরণে অন্তত আট ইরাকি ফেডারেল পুলিশ নিহত হয়েছেন। পুলিশ সদস্যরা পুলিশি কনভয়ে করে যাচ্ছিলেন। সেই সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
রোববার কিরকুকের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত সাফরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর রয়টার্সের।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকে বিস্ফোরণের ঘটনায় আটজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি দুজন পুলিশ কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।
কিরকুকের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সাফরা গ্রামের কাছে এ বিস্ফোরণটি ঘটে।
এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কেউ দায় স্বীকার করেনি। তবে ওই এলাকাটিতে সশস্ত্র জঙ্গি সংগঠন আইএসআইএলের (আইএসআইএস) তৎপরতা রয়েছে।
ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে ২৩৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কিরকুক শহরটি কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল। প্রায় পাঁচ বছর আগে ২০১৭ সালে তাদের হটিয়ে দিয়ে সেখানে পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিল ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী। কিন্তু আইএসআইএলের সদস্যদের হামলার মুখে সেখান থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল ইরাকের সরকারি বাহিনী। এর পর এর নিয়ন্ত্রণ নেয় কুর্দি আঞ্চলিক সরকার।
Tag :

ইরাকের কিরকুক শহরের কাছে বোমা বিস্ফোরণে অন্তত আট ইরাকি ফেডারেল পুলিশ নিহত

Update Time : ০৮:০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২২
ইরাকের কিরকুক শহরের কাছে বোমা বিস্ফোরণে অন্তত আট ইরাকি ফেডারেল পুলিশ নিহত হয়েছেন। পুলিশ সদস্যরা পুলিশি কনভয়ে করে যাচ্ছিলেন। সেই সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
রোববার কিরকুকের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত সাফরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর রয়টার্সের।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকে বিস্ফোরণের ঘটনায় আটজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি দুজন পুলিশ কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।
কিরকুকের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সাফরা গ্রামের কাছে এ বিস্ফোরণটি ঘটে।
এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কেউ দায় স্বীকার করেনি। তবে ওই এলাকাটিতে সশস্ত্র জঙ্গি সংগঠন আইএসআইএলের (আইএসআইএস) তৎপরতা রয়েছে।
ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে ২৩৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কিরকুক শহরটি কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল। প্রায় পাঁচ বছর আগে ২০১৭ সালে তাদের হটিয়ে দিয়ে সেখানে পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিল ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী। কিন্তু আইএসআইএলের সদস্যদের হামলার মুখে সেখান থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল ইরাকের সরকারি বাহিনী। এর পর এর নিয়ন্ত্রণ নেয় কুর্দি আঞ্চলিক সরকার।