ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও খলিলুর রহমানের মতবিনিময় সংঘাতের সমাধান না হলে তিনি ইরানকে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারেন: ট্রাম্প পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ নিয়ে নতুন বার্তা, কবে কোথায় আঘাত হানতে পারে আঘাত? সৌদির ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন চালু, বিশ্ববাজারে কমলো দাম সেপ্টেম্বরের প্রথম ২১ দিনে দেশে ২.০৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠালেন প্রবাসীরা ফরিদপুরের সালথায় ‎বিএনপি কর্মী হত্যা : জামিনে এসে বাদী ও স্বাক্ষীদের হুমকি, বিচারের দাবিতে তিন মাসের সন্তান কোলে নিয়ে আদালতে চত্বরে নিহতের স্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর বাড়ল বাসভাড়া

বাড়ছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা, এক মাসে ১৬৮ জন নিহত

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৫:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • ৫৫৪ Time View
বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে সারা দেশে ১৫৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৮ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৩৪ শতাংশ। সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সংস্থাটির পক্ষ থেকে শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে দেখা গেছে, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে ৮৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ১০৩ জন। গত বছরের তুলনায় এ বছরের প্রথম মাসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ৭৮ শতাংশ বেড়েছে এবং প্রাণহানি বেড়েছে ৬৩ শতাংশ।
দেশের সাতটি জাতীয় দৈনিক, পাঁচটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে বলে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে।
সংস্থাটির হিসাব মতে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে সারা দেশে ৪২৭টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪৮৪ জন এবং আহত হয়েছেন ৬৭৩ জন। নিহতের মধ্যে ৪৭ শিশু ও ৯২ জন নারী রয়েছেন। এছাড়া চারটি নৌ দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত, ৪ জন আহত ও নিখোঁজ হয়েছেন ৬ জন। আর রেলপথে ১১টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ৬ জন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ১১২টি দুর্ঘটনায় মোট প্রাণ হারিয়েছেন ১২৮ জন। আর সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে সিলেট বিভাগে। এ বিভাগে ৩২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৭ জন।
সড়কে কিশোর-যুবকেরা চরম বেপরোয়া হয়ে মোটরসাইকেল চালানোয় দুর্ঘটনার কারণ উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এজন্য তারাই বেশি দুর্ঘটনায় শিকার হচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের চালক নিহতের হার বেড়েছে উল্লেখ করে সংস্থাটি বলেছে, জানুয়ারিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৭.২৩ শতাংশ। মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইনের প্রয়োগ ও নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে বলেও আশঙ্কা করেছে তারা।
Tag :

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও খলিলুর রহমানের মতবিনিময়

বাড়ছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা, এক মাসে ১৬৮ জন নিহত

Update Time : ০৫:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১
বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে সারা দেশে ১৫৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৮ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৩৪ শতাংশ। সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সংস্থাটির পক্ষ থেকে শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে দেখা গেছে, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে ৮৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ১০৩ জন। গত বছরের তুলনায় এ বছরের প্রথম মাসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ৭৮ শতাংশ বেড়েছে এবং প্রাণহানি বেড়েছে ৬৩ শতাংশ।
দেশের সাতটি জাতীয় দৈনিক, পাঁচটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে বলে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে।
সংস্থাটির হিসাব মতে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে সারা দেশে ৪২৭টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪৮৪ জন এবং আহত হয়েছেন ৬৭৩ জন। নিহতের মধ্যে ৪৭ শিশু ও ৯২ জন নারী রয়েছেন। এছাড়া চারটি নৌ দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত, ৪ জন আহত ও নিখোঁজ হয়েছেন ৬ জন। আর রেলপথে ১১টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ৬ জন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ১১২টি দুর্ঘটনায় মোট প্রাণ হারিয়েছেন ১২৮ জন। আর সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে সিলেট বিভাগে। এ বিভাগে ৩২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৭ জন।
সড়কে কিশোর-যুবকেরা চরম বেপরোয়া হয়ে মোটরসাইকেল চালানোয় দুর্ঘটনার কারণ উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এজন্য তারাই বেশি দুর্ঘটনায় শিকার হচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের চালক নিহতের হার বেড়েছে উল্লেখ করে সংস্থাটি বলেছে, জানুয়ারিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৭.২৩ শতাংশ। মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইনের প্রয়োগ ও নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে বলেও আশঙ্কা করেছে তারা।