ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আরেক দফা স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজুস ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৭ মে ২০২৬ সেনাবাহিনীর সদস্যদের ব্যারাকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার এইচএসসি শিক্ষার্থীরা পাবেন ৬ হাজার টাকা ভর্তি সহায়তা, আবেদন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমার খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও তেলের দাম হ্রাস ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতার লক্ষ্যে প্রজেক্ট ফ্রিডম স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর পশ্চিমবঙ্গজুড়ে সহিংসতা

১১১ দিন কারাভোগের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস মুক্তি পেয়েছেন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৫:০৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ১৮২ Time View

১১১ দিন কারাভোগের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস মুক্তি পেয়েছেন।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় কারামুক্ত হন তিনি। তার আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেল থেকে বের হয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের মির্জা আব্বাস বলেন, আমাদের গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলন চলবে। জেলে অনেক কর্মী এখনও বন্দি। তাদেরও মুক্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ পানি ছাড়া যেমন গাছ বাঁচে না তেমনি কর্মী ছাড়া একটি দল বা সংগঠন চলতে পারে না। জেলে তাদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। আমি সরকারকে আহ্বান জানানো, আমাদের নেতাকর্মীদের ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন।

এর আগে ঢাকা রেওলয়ে থানার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। এ নিয়ে গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে হওয়া ১১ মামলার সবগুলোতে জামিন পাওয়ায় কারামুক্ত হন তিনি।

গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা হয়। শাহজাহানপুর থানার নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে মির্জা আব্বাসকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এ মামলায় পাঁচদিনের রিমান্ড শেষে ৫ নভেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ২৪ জানুয়ারি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা রেওলয়ে থানার আরেক মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি মির্জা আব্বাসের পল্টন থানার পাঁচ এবং রমনা মডেল থানার চার মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। পরে ৫ ফেব্রুয়ারি পল্টন থানার চার ও রমনা মডেল থানার দুই মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। পরদিন ৬ ফেব্রুয়ারি শাহজাহান পুর, পল্টন থানার ও রমনা মডেল থানার পৃথক আরও তিন মামলায় ও গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রমনা মডেল থানার প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় জামিন পান তিনি।

Tag :
জনপ্রিয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

১১১ দিন কারাভোগের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস মুক্তি পেয়েছেন

Update Time : ০৫:০৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

১১১ দিন কারাভোগের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস মুক্তি পেয়েছেন।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় কারামুক্ত হন তিনি। তার আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেল থেকে বের হয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের মির্জা আব্বাস বলেন, আমাদের গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলন চলবে। জেলে অনেক কর্মী এখনও বন্দি। তাদেরও মুক্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ পানি ছাড়া যেমন গাছ বাঁচে না তেমনি কর্মী ছাড়া একটি দল বা সংগঠন চলতে পারে না। জেলে তাদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। আমি সরকারকে আহ্বান জানানো, আমাদের নেতাকর্মীদের ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন।

এর আগে ঢাকা রেওলয়ে থানার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। এ নিয়ে গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে হওয়া ১১ মামলার সবগুলোতে জামিন পাওয়ায় কারামুক্ত হন তিনি।

গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা হয়। শাহজাহানপুর থানার নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে মির্জা আব্বাসকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এ মামলায় পাঁচদিনের রিমান্ড শেষে ৫ নভেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ২৪ জানুয়ারি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা রেওলয়ে থানার আরেক মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি মির্জা আব্বাসের পল্টন থানার পাঁচ এবং রমনা মডেল থানার চার মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। পরে ৫ ফেব্রুয়ারি পল্টন থানার চার ও রমনা মডেল থানার দুই মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। পরদিন ৬ ফেব্রুয়ারি শাহজাহান পুর, পল্টন থানার ও রমনা মডেল থানার পৃথক আরও তিন মামলায় ও গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রমনা মডেল থানার প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় জামিন পান তিনি।