ঢাকা ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

১৫ বছরে ব্যাংক থেকে আত্মসাৎ ৯২ হাজার কোটি টাকা: সিপিডি

বাংলাদেশে ২০০৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ব্যাংক খাতে ৯২ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

গত ১৫ বছরে ব্যাংক খাতে ২৪টি বড় কেলেঙ্কারির মাধ্যমে এ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটি বলছে।

আত্মসাৎ হওয়া অর্থের পরিমাণ চলতি অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের ১২ শতাংশ এবং দেশের মোট জিডিপির দুই শতাংশের সমান।

গত ১৬ বছরে শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে দেশের আর্থিক খাতের অনিয়ম এবং অব্যবস্থাপনা নিয়ে সোমবার এক গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডি।

সংস্থার নির্বাহী পরিচালক এবং এ রিপোর্টের যৌথ গবেষক ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত এ সময়ে ধুঁকতে থাকা ব্যাংকগুলোর পুঁজির যোগান দিতে সরকারকে সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে।

গ্লোবাল ফাইনানন্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি’র এক রিপোর্টের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ২০০৭ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশ থেকে ৪৭০০ থেকে ৬৭০০ কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে পাচার করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের ব্যাংক খাতে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বহু অনিয়ম করা হয়েছে।

উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, অ্যানন টেক্স গ্রুপ নামে এক প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে জনতা ব্যাংক, যা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটির মোট পুঁজির এক চতুর্থাংশের বেশি।

আবার, ২০১৭ সালে দেশের একটি মাত্র ব্যবসায়িক কর্পোরেশন রাজনৈতিক প্রভাবে সাতটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণ নেয়।

Tag :

১২ বছর বাদে আবারও ‘সেভেন আপ’ কাণ্ড জার্মানির

১৫ বছরে ব্যাংক থেকে আত্মসাৎ ৯২ হাজার কোটি টাকা: সিপিডি

Update Time : ০১:০১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অগাস্ট ২০২৪

বাংলাদেশে ২০০৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ব্যাংক খাতে ৯২ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

গত ১৫ বছরে ব্যাংক খাতে ২৪টি বড় কেলেঙ্কারির মাধ্যমে এ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটি বলছে।

আত্মসাৎ হওয়া অর্থের পরিমাণ চলতি অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের ১২ শতাংশ এবং দেশের মোট জিডিপির দুই শতাংশের সমান।

গত ১৬ বছরে শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে দেশের আর্থিক খাতের অনিয়ম এবং অব্যবস্থাপনা নিয়ে সোমবার এক গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডি।

সংস্থার নির্বাহী পরিচালক এবং এ রিপোর্টের যৌথ গবেষক ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত এ সময়ে ধুঁকতে থাকা ব্যাংকগুলোর পুঁজির যোগান দিতে সরকারকে সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে।

গ্লোবাল ফাইনানন্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি’র এক রিপোর্টের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ২০০৭ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশ থেকে ৪৭০০ থেকে ৬৭০০ কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে পাচার করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের ব্যাংক খাতে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বহু অনিয়ম করা হয়েছে।

উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, অ্যানন টেক্স গ্রুপ নামে এক প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে জনতা ব্যাংক, যা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটির মোট পুঁজির এক চতুর্থাংশের বেশি।

আবার, ২০১৭ সালে দেশের একটি মাত্র ব্যবসায়িক কর্পোরেশন রাজনৈতিক প্রভাবে সাতটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণ নেয়।