মাহবুব পিয়াল, ফরিদপুর : ফরিদপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ও হামিম গ্রুপের চেয়ারম্যান এ.কে আজাদের নিবাচনী গণসংযোগে স্থানীয় যুবদলের হামলার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ব্যাখ্যা দিয়েছেন মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারন সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের লিয়াকত হোসেন মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন করেন ফরিদপুর সদর আসনের বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। নায়াব ইউসুফ ফরিদপুর-সদর আসনের সাবেক এমপি ও সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের জ্যেষ্ট কন্যা। তিনি এ আসন থেকে বিএনপির দলীয় গ্রিন সিগন্যাল পেয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেরাচ্ছেন ।
সংবাদ সন্মেলনে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বলেন, গত দুইদিন যাবৎ আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়ীতে বাড়ীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভয়ভীতির সৃষ্টি করছে, যেমনটা অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা বিএনপি’র নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে রাজনৈতিক কর্মকান্ড থেকে নিবৃত করার চেষ্টা করতেন।
তিনি দাবি করেন, ফরিদপুরের মাটিতে আওয়ামী দুঃশাসনের আমল নতুন রূপে শুরু হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এসময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজিপি এবং ঢাকা রেঞ্জের ডিআইডি’র দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ফরিদপুর জেলা শাখার উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য এ.কে আজাদসহ ফ্যাসিবাদের পুর্নবাসনকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহাবয়ক আফজাল হোসেন খান পলাশ, জেলা বিএনপি সদস্য সচিব এ.কে কিবরিয়া স্বপন, যুগ্ম আহাবয়ক মো. আজম খান, রশিদুল ইসলাম লিটন, এ বি সিদ্দিকী মিতুল, এ্যডভোকেট আলী আশরাফ নান্নু, রুবেল চৌধুরী, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এএফএম কাইয়ুম জঙ্গী,বেনজির আহমেদ তাবরিজ, এমদাদুল হক এমদাদ,চৌধুরী নাজরিন রহমানসহ দলীয় নেতা কর্মীরা ।
সংবাদ সম্মেলন শেষে বিএনপির নেতা কর্মীরা শহরের বিক্ষোভ মিছিল ও মহিলা দল ঝাড়ু মিছিল বের করেন।
মাহবুব পিয়াল 


















