ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে আরেকটি বিপ্লব আসন্ন, প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান শেষ মুহুর্তে শেখ হাসিনার সাথে যা ঘটেছিল! আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানকে ‘খুব কঠোরভাবে আঘাত’ করা হবে: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা দিল্লিতে শেখ হাসিনার অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধনের পর ঘুরে ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আজ ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজকের নামাজের সময়সূচি: ৫ আগস্ট ২০২৬

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৫৩তম জন্মদিন আজ

অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৫৩তম জন্মদিন আজ। ১৮৭৩ সালের এই দিনে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জের সাতুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের কাছে তিনি শেরে বাংলা (বাংলার বাঘ) এবং ‘হক সাহেব’ নামে পরিচিত ছিলেন।

অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় কৃষকদের কথা চিন্ত করে, কৃষকের দুঃখ মোচনে ঋণ সালিশি আইনসহ বেশ কয়েকটি আইন পাস করেন তিনি। কৃষির আধুনিকায়নের জন্য প্রতিষ্ঠা করেন ‘দি বেঙ্গল অ্যাগ্রিকালচারাল ইনস্টিটিউট’, যার বর্তমান নাম শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৩৫ সালে তিনি কলকাতার মেয়র ও ১৯৩৭ সাল থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন।

১৯৫৪ সালের ১৫ মে পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এ কে ফজলুল হক। ১৯৫৫ সালে তিনি পাকিস্তান কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ লাভ করেন। ১৯৫৬ সালের ২৪ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৫৮ সালের ১ এপ্রিল পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকার তাকে গভর্নরের পদ থেকে অপসারণ করে। এরপরই তিনি তার ৪৬ বছরের বৈচিত্রময় রাজনৈতিক জীবন থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন।

১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর আবুল কাশেম ফজলুল হককে পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদক ‘হেলাল-ই-পাকিস্তান’ খেতাব দেওয়া হয়।

১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ৮৮ বছর বয়সে মারা যান শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। একই স্থানে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও খাজা নাজিমুদ্দিনের কবর রয়েছে। তাদের তিনজনের সমাধিস্থলই ঐতিহাসিক তিন নেতার মাজার নামে পরিচিত।

Tag :

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে আরেকটি বিপ্লব আসন্ন, প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৫৩তম জন্মদিন আজ

Update Time : ০৪:৪৮:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৫৩তম জন্মদিন আজ। ১৮৭৩ সালের এই দিনে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জের সাতুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের কাছে তিনি শেরে বাংলা (বাংলার বাঘ) এবং ‘হক সাহেব’ নামে পরিচিত ছিলেন।

অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় কৃষকদের কথা চিন্ত করে, কৃষকের দুঃখ মোচনে ঋণ সালিশি আইনসহ বেশ কয়েকটি আইন পাস করেন তিনি। কৃষির আধুনিকায়নের জন্য প্রতিষ্ঠা করেন ‘দি বেঙ্গল অ্যাগ্রিকালচারাল ইনস্টিটিউট’, যার বর্তমান নাম শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৩৫ সালে তিনি কলকাতার মেয়র ও ১৯৩৭ সাল থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন।

১৯৫৪ সালের ১৫ মে পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এ কে ফজলুল হক। ১৯৫৫ সালে তিনি পাকিস্তান কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ লাভ করেন। ১৯৫৬ সালের ২৪ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৫৮ সালের ১ এপ্রিল পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকার তাকে গভর্নরের পদ থেকে অপসারণ করে। এরপরই তিনি তার ৪৬ বছরের বৈচিত্রময় রাজনৈতিক জীবন থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন।

১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর আবুল কাশেম ফজলুল হককে পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদক ‘হেলাল-ই-পাকিস্তান’ খেতাব দেওয়া হয়।

১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ৮৮ বছর বয়সে মারা যান শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। একই স্থানে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও খাজা নাজিমুদ্দিনের কবর রয়েছে। তাদের তিনজনের সমাধিস্থলই ঐতিহাসিক তিন নেতার মাজার নামে পরিচিত।