ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
শুক্রবার পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুরে ব্যবসায়ী ইউসুফ ফকির হত্যার আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আন্দোলন কতদিন চলবে, যা বলছে ককরোচ পার্টি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে প্রতিবাদের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করুন মোবাইল দিয়েই গাজী নজরুলকে বহিষ্কার করেছে জামায়াত ফরিদপুরে যাত্রা শুরু করল ‘পেয়ালা ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ ফরিদপুরে নারীর মানসিক স্বাস্থ্য: সচেতনতা, সহমর্মিতা ও করণীয় বিষয়ক নন্দিতা সুরক্ষার কর্মশালা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১১:০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৯৭ Time View

গোপালগঞ্জের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে। অনেক কেন্দ্রে ধানের শীষ ছাড়া অন্য প্রার্থীর এজেন্ট নেই।

এবার সারা বাংলাদেশের ভোটের চিত্র একরকম, কিন্তু গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারে– এমন আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। কারণ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া হলো বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান এবং তার সমাধিস্থলও সেখানে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ওই জেলা থেকে নির্বাচন করতেন।

গোপালগঞ্জ-৩ আসন, অর্থাৎ টুঙ্গিপাড়ায় গতকাল থেকেই বিবিসির সংবাদদাতা রয়েছেন।

তিনিসকাল ৭টায় টুঙ্গিপাড়ার ডিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে জানান, প্রিজাইডিং অফিসাররা সকাল ৭টার আগেই কেন্দ্রে চলে এলেও ভোটার উপস্থিতির হার শূন্যের কাছাকাছি। অথচ এখানে মোট ভোটার ২৫৪০ জন এবং এদের মাঝে নারী ভোটার ১২৪০ জন।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনের মোট ভোটার প্রায় তিন লাখ। এবং, গোপালগঞ্জ ১, ২ ও ৩ – এই তিনটি আসনের মোটার ভোটার প্রায় ১০ লাখ। এই পুরো জেলাটিই মূলত আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত অঞ্চল।গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকেই শেখ হাসিনা নির্বাচন করতেন এবং আওয়ামী লীগ যতবারই নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, ততবারই তারা এই আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে। কিন্তু এবার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। তাই, ভোটারদের মাঝে ভোট নিয়ে এক ধরনের অনাগ্রহ আছে।

আওয়ামী লীগও এখানে ভোট বর্জনের ডাক দিয়েছে। আওয়ামী লীগের এই ভোট বর্জনের ডাক গোপালগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি কার্যকর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগে পদধারী নেতারা প্রকাশ্যে এসে ভোট বর্জনের মতো কোনো কর্মসূচি দেয়নি। কারণ তাদের অনেকের নামেই মামলা রয়েছে এবং কেউ কেউ জেলে।

তবে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ভোট নিয়ে আগ্রহ কম হলেও প্রার্থীদের এজেন্টরা আশা করছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা বাড়তে পারে। তারা আশা করছেন, ৫০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি হতে পারে।

গোপালগঞ্জ-৩ আসন ঘুরে বিবিসি সংবাদদাতারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা দেখতে পেয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয়

শুক্রবার পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

গোপালগঞ্জের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে

Update Time : ১১:০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গোপালগঞ্জের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে। অনেক কেন্দ্রে ধানের শীষ ছাড়া অন্য প্রার্থীর এজেন্ট নেই।

এবার সারা বাংলাদেশের ভোটের চিত্র একরকম, কিন্তু গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারে– এমন আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। কারণ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া হলো বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান এবং তার সমাধিস্থলও সেখানে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ওই জেলা থেকে নির্বাচন করতেন।

গোপালগঞ্জ-৩ আসন, অর্থাৎ টুঙ্গিপাড়ায় গতকাল থেকেই বিবিসির সংবাদদাতা রয়েছেন।

তিনিসকাল ৭টায় টুঙ্গিপাড়ার ডিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে জানান, প্রিজাইডিং অফিসাররা সকাল ৭টার আগেই কেন্দ্রে চলে এলেও ভোটার উপস্থিতির হার শূন্যের কাছাকাছি। অথচ এখানে মোট ভোটার ২৫৪০ জন এবং এদের মাঝে নারী ভোটার ১২৪০ জন।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনের মোট ভোটার প্রায় তিন লাখ। এবং, গোপালগঞ্জ ১, ২ ও ৩ – এই তিনটি আসনের মোটার ভোটার প্রায় ১০ লাখ। এই পুরো জেলাটিই মূলত আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত অঞ্চল।গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকেই শেখ হাসিনা নির্বাচন করতেন এবং আওয়ামী লীগ যতবারই নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, ততবারই তারা এই আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে। কিন্তু এবার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। তাই, ভোটারদের মাঝে ভোট নিয়ে এক ধরনের অনাগ্রহ আছে।

আওয়ামী লীগও এখানে ভোট বর্জনের ডাক দিয়েছে। আওয়ামী লীগের এই ভোট বর্জনের ডাক গোপালগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি কার্যকর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগে পদধারী নেতারা প্রকাশ্যে এসে ভোট বর্জনের মতো কোনো কর্মসূচি দেয়নি। কারণ তাদের অনেকের নামেই মামলা রয়েছে এবং কেউ কেউ জেলে।

তবে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ভোট নিয়ে আগ্রহ কম হলেও প্রার্থীদের এজেন্টরা আশা করছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা বাড়তে পারে। তারা আশা করছেন, ৫০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি হতে পারে।

গোপালগঞ্জ-৩ আসন ঘুরে বিবিসি সংবাদদাতারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা দেখতে পেয়েছেন।