ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও খলিলুর রহমানের মতবিনিময় সংঘাতের সমাধান না হলে তিনি ইরানকে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারেন: ট্রাম্প পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ নিয়ে নতুন বার্তা, কবে কোথায় আঘাত হানতে পারে আঘাত? সৌদির ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন চালু, বিশ্ববাজারে কমলো দাম সেপ্টেম্বরের প্রথম ২১ দিনে দেশে ২.০৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠালেন প্রবাসীরা ফরিদপুরের সালথায় ‎বিএনপি কর্মী হত্যা : জামিনে এসে বাদী ও স্বাক্ষীদের হুমকি, বিচারের দাবিতে তিন মাসের সন্তান কোলে নিয়ে আদালতে চত্বরে নিহতের স্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর বাড়ল বাসভাড়া

ফরিদপুরে কবি বাবু ফরিদীর মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ সভা

মাহবুব পিয়াল,ফরিদপুর: ফরিদপুরের বরেণ্য গল্পকার ও দ্রোহের কবি বাবু ফরিদীর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে পালিত হয়েছে। এই উপলক্ষে সোমবার (২০ জুলাই ) সন্ধ্যায় ফরিদপুরের ‘সাহিত্য ভবন’- এক স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়।
ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মফিজ ইমাম মিলনের সঞ্চালনায় স্মরন সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. তপন বাগচী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. তপন বাগচী কবি বাবু ফরিদীর লেখনীর বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বলেন, “বাবু ফরিদী শুধু একজন সাধারণ লেখক ছিলেন না, তিনি ছিলেন সমাজ পরিবর্তনের কারিগর। তাঁর গল্প ও কবিতা যুগে যুগে শোষিত মানুষের পক্ষে কথা বলেছে এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দ্রোহের আগুন জ্বালিয়েছে। বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের সুস্থ মানসিকতা গঠনে এবং বাংলা সাহিত্যের সমৃদ্ধিতে তাঁর ক্ষুরধার লেখনীর গুরুত্ব অপরিসীম। তরুণদের মাঝে তাঁর সৃষ্টিকে আরও বেশি করে ছড়িয়ে দিতে হবে।”
স্মরণ সভায় কবি বাবু ফরিদীর একমাত্র সন্তান অধ্যাপক দেবব্রত গুহ দেবু তাঁর বক্তব্যে কবির সৃষ্টি ও আদর্শকে তুলে ধরার তাগিদ দিয়ে ‘বাবু ফরিদী স্মৃতি সংসদ’গড়ে তোলার আহবান জানান।
স্মরণ সভায় প্রবীণ সাংবাদিক ও লেখক বদিউজ্জামান চৌধুরী ভাদু, রাজনীতিবিদ এ এফ কাইয়ুম জঙ্গি, ফরিদপুর মুসলিম মিশন কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল মামুন, ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের সহ-সভাপতি প্রফেসর আব্দুল হামিদ মোল্লা,কবি বাবু ফরিদীর সহধর্মীনি কৃষ্ণা গুহ , কবি শফিক ইসলাম, কবি রেহেনা আক্তার পিয়া, কবি আব্দুস সামাদ, কবি আব্দুর রাজ্জাক রাজা নাট্যকার ম.আহমেদ নিজাম- কবিতা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন।
স্মরণ সভাটি কবি, লেখক, সাংবাদিক, সাহিত্যপ্রেমী ও গুণীজনদের অংশগ্রহনে একটি সাহিত্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।

Tag :

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও খলিলুর রহমানের মতবিনিময়

ফরিদপুরে কবি বাবু ফরিদীর মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ সভা

Update Time : ১০:৩৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

মাহবুব পিয়াল,ফরিদপুর: ফরিদপুরের বরেণ্য গল্পকার ও দ্রোহের কবি বাবু ফরিদীর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে পালিত হয়েছে। এই উপলক্ষে সোমবার (২০ জুলাই ) সন্ধ্যায় ফরিদপুরের ‘সাহিত্য ভবন’- এক স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়।
ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মফিজ ইমাম মিলনের সঞ্চালনায় স্মরন সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. তপন বাগচী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. তপন বাগচী কবি বাবু ফরিদীর লেখনীর বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বলেন, “বাবু ফরিদী শুধু একজন সাধারণ লেখক ছিলেন না, তিনি ছিলেন সমাজ পরিবর্তনের কারিগর। তাঁর গল্প ও কবিতা যুগে যুগে শোষিত মানুষের পক্ষে কথা বলেছে এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দ্রোহের আগুন জ্বালিয়েছে। বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের সুস্থ মানসিকতা গঠনে এবং বাংলা সাহিত্যের সমৃদ্ধিতে তাঁর ক্ষুরধার লেখনীর গুরুত্ব অপরিসীম। তরুণদের মাঝে তাঁর সৃষ্টিকে আরও বেশি করে ছড়িয়ে দিতে হবে।”
স্মরণ সভায় কবি বাবু ফরিদীর একমাত্র সন্তান অধ্যাপক দেবব্রত গুহ দেবু তাঁর বক্তব্যে কবির সৃষ্টি ও আদর্শকে তুলে ধরার তাগিদ দিয়ে ‘বাবু ফরিদী স্মৃতি সংসদ’গড়ে তোলার আহবান জানান।
স্মরণ সভায় প্রবীণ সাংবাদিক ও লেখক বদিউজ্জামান চৌধুরী ভাদু, রাজনীতিবিদ এ এফ কাইয়ুম জঙ্গি, ফরিদপুর মুসলিম মিশন কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল মামুন, ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের সহ-সভাপতি প্রফেসর আব্দুল হামিদ মোল্লা,কবি বাবু ফরিদীর সহধর্মীনি কৃষ্ণা গুহ , কবি শফিক ইসলাম, কবি রেহেনা আক্তার পিয়া, কবি আব্দুস সামাদ, কবি আব্দুর রাজ্জাক রাজা নাট্যকার ম.আহমেদ নিজাম- কবিতা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন।
স্মরণ সভাটি কবি, লেখক, সাংবাদিক, সাহিত্যপ্রেমী ও গুণীজনদের অংশগ্রহনে একটি সাহিত্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।