উপাত্ত অনুযায়ী, মাধ্যমিক পর্যায়ে ছেলেদের ঝরে পড়ার হার প্রায় ৩০ দশমিক ৬৩ শতাংশ। মেয়েদের ক্ষেত্রে এই হার আরও বেশি- প্রায় ৩৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ। অর্থাৎ প্রাথমিক শিক্ষায় মেয়েরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকলেও মাধ্যমিকের ধাপে এসে তাদের একটি বড় অংশ শিক্ষার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারছে না।
মেয়েদের এই ঝরে পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বাল্যবিবাহ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৭১ শতাংশ মেয়ে বাল্যবিবাহের কারণে পড়াশোনা থেকে ছিটকে পড়ে। ফলে বিদ্যালয়ে মেয়েদের ভর্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।কন্যাশিশুর শিক্ষা শুধু একটি শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ার বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি পরিবার, সমাজ এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন। তাই কন্যাশিশুকে বিদ্যালয়ে আনার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে ধরে রাখা, নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং বাল্যবিবাহের ঝুঁকি থেকে তাদের সুরক্ষা দেওয়াকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।












মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।