Top_Header
দ্য পদ্মা২৪.কম
আন্তর্জাতিক

ভূমধ্যসাগরের উপকূলে একের পর এক ১২ বার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ইতালির সিসিলি দ্বীপ

ভূমধ্যসাগরের উপকূলে একের পর এক ১২ বার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ইতালির সিসিলি দ্বীপ

ভূমধ্যসাগরের উপকূলে একের পর এক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ইতালির সিসিলি দ্বীপ। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১২টি কম্পন অনুভূত হওয়ার পর উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পালার্মো ও মেসিনা শহরের কয়েকটি স্কুল খালি করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩। পরে একের পর এক কম্পন রেকর্ড করা হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কয়েকটি কম্পনের মাত্রা ৫ পর্যন্ত পৌঁছায়।

সিসিলির উপকূলীয় এলাকায় সুনামির ঝুঁকি বিবেচনায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সরকারি দপ্তরের কর্মীদেরও ভবন থেকে বের করে আনা হয়।

পশ্চিম উপকূলের ত্রাপানি শহরের একটি আদালতও সতর্কতামূলকভাবে খালি করা হয়েছে। সিসিলি ও মূল ইতালির মধ্যবর্তী লিপারি দ্বীপেও শিক্ষার্থী ও পৌরসভার কর্মীরা বিভিন্ন ভবন ছেড়ে বেরিয়ে আসেন।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সিসিলির উত্তর উপকূলের পালার্মো শহর থেকে ৬০ মাইলেরও কম দূরে। শহরটির জনসংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৪৮ হাজার।

পালার্মো ছাড়াও পত্তি, লিকাটা, কাপো দ’অরলান্দো ও কামপোফেলিচে দি রোচেল্লায় কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১৯ মিনিটে সমুদ্রের নিচে ১০ কিলোমিটার গভীরে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়।

তবে, ইতালির জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রাথমিক হিসাবে, ওই কম্পনের মাত্রা ছিল ৫। পরে তা সংশোধন করা হয়।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভূমিকম্পে কেউ আহত হয়েছেন বা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, এমন খবর পাওয়া যায়নি।

পালার্মোর মেয়র রবার্তো লাগাল্লা জানিয়েছেন, পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে, নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দা ও সেখানে অবস্থানকারীদের সমুদ্র থেকে দূরে থাকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র।

এর আগে, চলতি মাসের শুরুতে সিসিলির মারসালা শহর ও আশপাশের এলাকায় টর্নেডো আঘাত হানে। বিশেষজ্ঞরা ঘটনাটিকে ভূমধ্যসাগরীয় এ দ্বীপের জন্য প্রায় নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছিলেন।

গত ৯ অক্টোবরের ওই ঘটনায় বেশ কয়েকটি যানবাহন উল্টে যায় এবং দুজন গুরুতর আহত হন। ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে একটি বাড়ি ধ্বংস হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় একটি স্কুলসহ বেশ কয়েকটি ভবন। সূত্র: দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট

মন্তব্য ০

?
মন্তব্য প্রকাশের পর আপনি সেটি সম্পাদনা বা মুছে ফেলতে পারবেন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

ভূমধ্যসাগরের উপকূলে একের পর এক ১২ বার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ইতালির সিসিলি দ্বীপ
0:00 0:00
1.0x