ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক বাজারে বড় পতন হয়েছে তেলের দামে

ইরানের সঙ্গে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের অবসান হতে পারে, এমন ইঙ্গিত মিলতেই আন্তর্জাতিক বাজারে বড় পতন হয়েছে তেলের দামে। গেল সপ্তাহে তেলের দাম কিছুটা বাড়ার পর এই সপ্তাহের শুরুতে কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সোমবার বৈশ্বিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮.৪৭ ডলারে নেমে আসে। যদিও এক মাস আগের তুলনায় দাম এখনো অনেক বেশি, তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার সম্ভাবনায় বাজারে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনা ‘গঠনমূলক ও সুশৃঙ্খলভাবে’ এগোচ্ছে। তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘চুক্তির জন্য তাড়াহুড়া করা যাবে না।

এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হতে পারে। বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই নৌপথ দিয়েই পরিচালিত হয়। ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই কার্যত অবরুদ্ধ রয়েছে প্রণালিটি।

এদিকে বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুদ্ধ বন্ধের আশা তৈরি হলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক জ্বালানি বিশ্লেষক জুন গোহ জানিয়েছেন, অবরুদ্ধ জাহাজে আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল বাজারে প্রবেশের আশায় দাম কমছে।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, উৎপাদন ও পরিশোধন কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

Tag :

আন্তর্জাতিক বাজারে বড় পতন হয়েছে তেলের দামে

Update Time : ০৫:৫৩:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের অবসান হতে পারে, এমন ইঙ্গিত মিলতেই আন্তর্জাতিক বাজারে বড় পতন হয়েছে তেলের দামে। গেল সপ্তাহে তেলের দাম কিছুটা বাড়ার পর এই সপ্তাহের শুরুতে কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সোমবার বৈশ্বিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮.৪৭ ডলারে নেমে আসে। যদিও এক মাস আগের তুলনায় দাম এখনো অনেক বেশি, তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার সম্ভাবনায় বাজারে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনা ‘গঠনমূলক ও সুশৃঙ্খলভাবে’ এগোচ্ছে। তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘চুক্তির জন্য তাড়াহুড়া করা যাবে না।

এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হতে পারে। বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই নৌপথ দিয়েই পরিচালিত হয়। ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই কার্যত অবরুদ্ধ রয়েছে প্রণালিটি।

এদিকে বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুদ্ধ বন্ধের আশা তৈরি হলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক জ্বালানি বিশ্লেষক জুন গোহ জানিয়েছেন, অবরুদ্ধ জাহাজে আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল বাজারে প্রবেশের আশায় দাম কমছে।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, উৎপাদন ও পরিশোধন কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।