বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের হত্যার তদন্ত করবে জাতিসঙ্ঘ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে এ কথা জানিয়েছেন জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক।
বুধবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এ কথা জানান।
এ সময় জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার প্রধান জানান, বাংলাদেশের ছাত্র বিপ্লবের সময় আন্দোলনকারীদের হত্যার তদন্তে জাতিসঙ্ঘের নেতৃত্বে খুব শিগগিরই তদন্ত শুরু করা হবে। জাতিসঙ্ঘের বিশেষজ্ঞদের একটি দল শিগগিরই বাংলাদেশে আসবে বলে লিখেছেন শফিকুল আলম।
এ সময় জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার প্রধান জানান, বাংলাদেশের ছাত্র বিপ্লবের সময় আন্দোলনকারীদের হত্যার তদন্তে জাতিসঙ্ঘের নেতৃত্বে খুব শিগগিরই তদন্ত শুরু করা হবে। জাতিসঙ্ঘের বিশেষজ্ঞদের একটি দল শিগগিরই বাংলাদেশে আসবে বলে লিখেছেন শফিকুল আলম।
বাংলাদেশের ছাত্র অভ্যুত্থানকে সমর্থন করার জন্য প্রধান উপদেষ্টা মানবাধিকার প্রধান তুর্ক এবং জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে ধন্যবাদ জানান বলে ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন শফিকুল আলম।
ড. ইউনূস এ সময় মানবাধিকার প্রধানকে জানান, তার প্রশাসনের মূল ভিত্তি হবে মানবাধিকার। সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থাকবে প্রতিটি নাগরিককে সুরক্ষা দেয়া।
প্রেস সচিব আরো লেখেন, অধ্যাপক ইউনূস দেশ পুনর্গঠনে এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে জাতিসঙ্ঘের সহযোগিতা চেয়েছেন।
সূত্র : বিবিসি
অনলাইন ডেস্ক 
















