ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা সোমবার মধ্য রাত থেকে শেষ হচ্ছে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১০:৪০:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১
  • ৩৩৯ Time View

ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা সোমবার মধ্য রাত থেকে শেষ হচ্ছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর নদীতে জাল ফেলার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন জেলেরা। কখন নদীতে মাছ শিকারে নামবেন এমন অপেক্ষায় জেলেরা।

৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশের বাধাহীন প্রজননের জন্য নদীতে সব রকম মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে মৎস্য বিভাগ। এ সময় ইলিশ পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ ছিলো।

মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে ফের সরগরম হয়ে উঠবে মৎস্যঘাটগুলো। খুলবে বন্ধ থাকা বরফকল। জেলে পল্লীও হয়ে উঠবে মুখর। জেলে, মৎস্যজীবী ও আড়ৎদারদের হাকডাকে মুখরিত হয়ে উঠবে আড়তগুলো।

ভোলা জেলা সমিতির সভাপতি মো. এরশাদ ফরাজি বলেন, ‘ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা থাকায় অনেক জেলেই নদীতে যায়নি। এতদিন জেলেরা অপেক্ষায় ছিলো কবে থেকে মাছ ধরা শুরু হবে। তাদের সেই প্রতীক্ষার পালা শেষ। তারা এখন নদীতে নামার প্রস্তুতি নিয়েছেন। জাল ও নৌকা নিয়ে জেলেরা নেমে পড়বেন মাছ শিকারে। নিবন্ধিত অনেক জেলেই এবার পুনর্বাসনের চাল পেয়েছেন।

জেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, গত ২১ দিনে জেলায় ৩৪২টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এরমধ্যে ৩৯৯ জেলেকে জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। এরমধ্যে ১১৮ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ২৮১ জনকে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এছাড়াও ৭ লাখ ৫৭ হাজার মিটার জাল এবং ২ হাজার ১৫৩ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জরিমানা আদায় করা হয়েছে ১১ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন ইলিশ ধরার বন্ধ ছিলো। ২৬ অক্টোবর থেকে মাছ ধরার শুরু হচ্ছে। এখন আর জেলেদের মাছ ধরতে কোনো বাধা নেই। মৎস্য বিভাগের অভিযানের ফলে নদীতে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। আশাকরি এ বছর ইলিশের উৎপাদন আগের চেয়ে অনেক বাড়বে।’

Tag :
জনপ্রিয়

ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা সোমবার মধ্য রাত থেকে শেষ হচ্ছে

Update Time : ১০:৪০:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১

ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা সোমবার মধ্য রাত থেকে শেষ হচ্ছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর নদীতে জাল ফেলার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন জেলেরা। কখন নদীতে মাছ শিকারে নামবেন এমন অপেক্ষায় জেলেরা।

৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশের বাধাহীন প্রজননের জন্য নদীতে সব রকম মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে মৎস্য বিভাগ। এ সময় ইলিশ পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ ছিলো।

মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে ফের সরগরম হয়ে উঠবে মৎস্যঘাটগুলো। খুলবে বন্ধ থাকা বরফকল। জেলে পল্লীও হয়ে উঠবে মুখর। জেলে, মৎস্যজীবী ও আড়ৎদারদের হাকডাকে মুখরিত হয়ে উঠবে আড়তগুলো।

ভোলা জেলা সমিতির সভাপতি মো. এরশাদ ফরাজি বলেন, ‘ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা থাকায় অনেক জেলেই নদীতে যায়নি। এতদিন জেলেরা অপেক্ষায় ছিলো কবে থেকে মাছ ধরা শুরু হবে। তাদের সেই প্রতীক্ষার পালা শেষ। তারা এখন নদীতে নামার প্রস্তুতি নিয়েছেন। জাল ও নৌকা নিয়ে জেলেরা নেমে পড়বেন মাছ শিকারে। নিবন্ধিত অনেক জেলেই এবার পুনর্বাসনের চাল পেয়েছেন।

জেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, গত ২১ দিনে জেলায় ৩৪২টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এরমধ্যে ৩৯৯ জেলেকে জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। এরমধ্যে ১১৮ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ২৮১ জনকে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এছাড়াও ৭ লাখ ৫৭ হাজার মিটার জাল এবং ২ হাজার ১৫৩ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জরিমানা আদায় করা হয়েছে ১১ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন ইলিশ ধরার বন্ধ ছিলো। ২৬ অক্টোবর থেকে মাছ ধরার শুরু হচ্ছে। এখন আর জেলেদের মাছ ধরতে কোনো বাধা নেই। মৎস্য বিভাগের অভিযানের ফলে নদীতে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। আশাকরি এ বছর ইলিশের উৎপাদন আগের চেয়ে অনেক বাড়বে।’