ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফরিদপুরে অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুস সামাদ স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন উৎসব ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন ভয়াবহ বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে, নিখোঁজ ১২০০ জনের বেশি আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৯ আগস্ট ২০২৬ বিশ্বের সব দেশকে ইরানের সতর্কবার্তা আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা ফরিদপুরের প্রবীণ শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এমএ সামাদ স্যারের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আগামীকাল ২৯ আগষ্ট শনিবার ৬২ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত, দেশে মারাত্মক বিদ্যুৎ বিপর্যয় ভয়াবহ হিমবাহধস ও বন্যার পর এবার তিব্বতে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও কমেছে

উপাচার্য, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে নোটিশ

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা এবং সব শিক্ষার্থীকে হল ছাড়তে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপাচার্য, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে নোটিশ দিয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত জানানোর পরই তারা এমন নোটিশ দেন। তাদের সবার নোটিশের মূল কথা প্রায় একইরকম।

অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া আজ বিকেল/সন্ধ্যার মধ্যে ভিসিকে তার বাংলো এবং সব শিক্ষক ও কর্মকর্তা/কর্মচারীকে তাদের কোয়ার্টার ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এ আদেশ বহাল থাকবে।

তবে ওই নোটিশে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করেছে। আর জাবির শিক্ষার্থীরা হামলার ঘটনায় নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করা শিক্ষক, কর্মকর্তা/কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি কোটা আন্দোলনের জেরে জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হল বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করেছেন কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারীরা স্লোগান দিতে থাকেন: ‘হল ছাড়ার সিদ্ধান্ত মানি না, মানব না; হল আমার বাসঘর, হল আমি ছাড়ব না; সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মানি না, মানব না; বাহ্ ভিসি চমৎকার, স্বৈরাচারের পাহারাদার; ভিসি কী করে, ক্যাম্পাসে রক্ত ঝরে’।

আন্দোলনকারীরা স্লোগান দিতে থাকেন: ‘হল ছাড়ার সিদ্ধান্ত মানি না, মানব না; হল আমার বাসঘর, হল আমি ছাড়ব না; সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মানি না, মানব না; বাহ্ ভিসি চমৎকার, স্বৈরাচারের পাহারাদার; ভিসি কী করে, ক্যাম্পাসে রক্ত ঝরে’।

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব হল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার দুপুরে হল প্রোভোস্ট অধ্যাপক ড. দিপীকা রাণী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, যারা হলে থাকতে চায় তারা থাকতে পারবে। আর যারা চায় না তারা চলে যেতে পারবে। হলের গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ স্বাভাবিক থাকবে।

Tag :
জনপ্রিয়

ফরিদপুরে অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুস সামাদ স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন উৎসব ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

উপাচার্য, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে নোটিশ

Update Time : ১২:১০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা এবং সব শিক্ষার্থীকে হল ছাড়তে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপাচার্য, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে নোটিশ দিয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত জানানোর পরই তারা এমন নোটিশ দেন। তাদের সবার নোটিশের মূল কথা প্রায় একইরকম।

অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া আজ বিকেল/সন্ধ্যার মধ্যে ভিসিকে তার বাংলো এবং সব শিক্ষক ও কর্মকর্তা/কর্মচারীকে তাদের কোয়ার্টার ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এ আদেশ বহাল থাকবে।

তবে ওই নোটিশে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করেছে। আর জাবির শিক্ষার্থীরা হামলার ঘটনায় নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করা শিক্ষক, কর্মকর্তা/কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি কোটা আন্দোলনের জেরে জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হল বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করেছেন কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারীরা স্লোগান দিতে থাকেন: ‘হল ছাড়ার সিদ্ধান্ত মানি না, মানব না; হল আমার বাসঘর, হল আমি ছাড়ব না; সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মানি না, মানব না; বাহ্ ভিসি চমৎকার, স্বৈরাচারের পাহারাদার; ভিসি কী করে, ক্যাম্পাসে রক্ত ঝরে’।

আন্দোলনকারীরা স্লোগান দিতে থাকেন: ‘হল ছাড়ার সিদ্ধান্ত মানি না, মানব না; হল আমার বাসঘর, হল আমি ছাড়ব না; সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মানি না, মানব না; বাহ্ ভিসি চমৎকার, স্বৈরাচারের পাহারাদার; ভিসি কী করে, ক্যাম্পাসে রক্ত ঝরে’।

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব হল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার দুপুরে হল প্রোভোস্ট অধ্যাপক ড. দিপীকা রাণী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, যারা হলে থাকতে চায় তারা থাকতে পারবে। আর যারা চায় না তারা চলে যেতে পারবে। হলের গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ স্বাভাবিক থাকবে।