ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

কারাগারে কয়েদির নারীসঙ্গ, জেল সুপার ও জেলার প্রত্যাহার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:০৪:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১
  • ৩৮০ Time View

হলমার্ক কেলেঙ্কারির সাজাপ্রাপ্ত বন্দি তুষারের সঙ্গে জেলখানায় এক নারীর সময় কাটানোর ঘটনায় গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার- ১ এর সিনিয়র জেল সুপার রত্না রায় ও জেলার নুর মোহাম্মদকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রোববার (২৪ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোমিনুর রহমান মামুন। তিনি জানান, রত্না রায় ও জেলার নুর মোহাম্মদকে প্রত্যাহার করে সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে এ ঘটনায় ডেপুটি জেল সুপার মোহাম্মদ সাকলাইন, সার্জেন্ট আব্দুল বারী ও সহকারী প্রধান কারারক্ষী খলিলুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়।

কারাগারের দায়িত্বশীল একটি সূত্র বলছে, ৬ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ওই নারী কারাগারের ভেতর ঢোকেন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বেরিয়ে যান। সিসি ক্যামেরায় পুরো সময়টা ধরা পড়েনি। এরমধ্যে রহস্য লুকিয়ে রয়েছে। একটি অ্যাম্বুলেন্সে চড়ে তিনি কারাফটকে আসার পর ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলাইন ও সিনিয়র জেল সুপার রত্না রায় ওই নারীকে অন্য কর্মচারীদের সামনেই গ্রহণ করেন। এর জন্য মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও সূত্রটি জানিয়েছে। তুষার আহমেদের সঙ্গে অপরিচিত ওই নারী অন্তরঙ্গ ছাড়াও নানা ভঙ্গিতে বেশ কিছু সময় কাটান কারা ফটকের ভেতরে। এটা কীভাবে সম্ভব এমন প্রশ্ন সচেতন মহলের। এ ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পরপরই কারা কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এছাড়া জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল কালামকে প্রধান করে পৃথক একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন গত ১২ জানুয়ারি।

দেশের ইতিহাসে সবচে বড় ঋণ কেলেঙ্কারি কারণে হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদ ও তার ভায়রা প্রতিষ্ঠানের জিএম তুষার ২০১২ সাল থেকে কারাগারে রয়েছেন।
Tag :

মার্কিন বাহিনীর বাগদাদ কিংবা তেহরান—কোথাও সামরিক অভিযানে যাওয়া ঠিক হয়নি: ট্রাম্প

কারাগারে কয়েদির নারীসঙ্গ, জেল সুপার ও জেলার প্রত্যাহার

Update Time : ০৯:০৪:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১

হলমার্ক কেলেঙ্কারির সাজাপ্রাপ্ত বন্দি তুষারের সঙ্গে জেলখানায় এক নারীর সময় কাটানোর ঘটনায় গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার- ১ এর সিনিয়র জেল সুপার রত্না রায় ও জেলার নুর মোহাম্মদকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রোববার (২৪ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোমিনুর রহমান মামুন। তিনি জানান, রত্না রায় ও জেলার নুর মোহাম্মদকে প্রত্যাহার করে সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে এ ঘটনায় ডেপুটি জেল সুপার মোহাম্মদ সাকলাইন, সার্জেন্ট আব্দুল বারী ও সহকারী প্রধান কারারক্ষী খলিলুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়।

কারাগারের দায়িত্বশীল একটি সূত্র বলছে, ৬ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ওই নারী কারাগারের ভেতর ঢোকেন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বেরিয়ে যান। সিসি ক্যামেরায় পুরো সময়টা ধরা পড়েনি। এরমধ্যে রহস্য লুকিয়ে রয়েছে। একটি অ্যাম্বুলেন্সে চড়ে তিনি কারাফটকে আসার পর ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলাইন ও সিনিয়র জেল সুপার রত্না রায় ওই নারীকে অন্য কর্মচারীদের সামনেই গ্রহণ করেন। এর জন্য মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও সূত্রটি জানিয়েছে। তুষার আহমেদের সঙ্গে অপরিচিত ওই নারী অন্তরঙ্গ ছাড়াও নানা ভঙ্গিতে বেশ কিছু সময় কাটান কারা ফটকের ভেতরে। এটা কীভাবে সম্ভব এমন প্রশ্ন সচেতন মহলের। এ ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পরপরই কারা কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এছাড়া জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল কালামকে প্রধান করে পৃথক একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন গত ১২ জানুয়ারি।

দেশের ইতিহাসে সবচে বড় ঋণ কেলেঙ্কারি কারণে হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদ ও তার ভায়রা প্রতিষ্ঠানের জিএম তুষার ২০১২ সাল থেকে কারাগারে রয়েছেন।