ঢাকা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠতে যাচ্ছে ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৮ আগস্ট ২০২৬ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ডাকা হচ্ছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন সিলেট ও বগুড়ায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৭, আহত ৫০ সৌদি আরব উত্তর ও দক্ষিণ দিক থেকে একযোগে বড় ধরনের সমন্বিত হামলার আশঙ্কা করছে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে ভারি বর্ষণের সতর্কবার্তা, ১০ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস থাইল্যান্ডের স্কুলে ১৪ বছরের শিক্ষার্থীর গুলিতে নিহত অন্তত ৬, আহত ১৫ জন

ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ভর্তিযুদ্ধ শুরু, প্রতি আসনে ২০ জন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এবার আসন প্রতি লড়ছেন ২০ জন, যা আগের বছর ছিল ১৮ জন।

শনিবার (০২ অক্টোবর) ঢাকা ও সাত বিভাগীয় শহরে সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটে আবেদন করেছেন ৪৭ হাজার ৬৩২ জন, যা গতবর্ষে ছিল ৪৫ হাজার ৩ জন। আসন সংখ্যা ২ হাজার ৩৭৮। আসন প্রতি লড়ছেন ২০ জন, যা আগের বছর ছিল ১৮ জন।

পরীক্ষায় ঢাকার বাইরের কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (৬ হাজার ৩৭৭জন), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (২ হাজার ৮৫২ জন), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (৫ হাজার ৭২ জন), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (৫ হাজার ২০৪ জন), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (৯২১ জন), বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (১ হাজার ৭৪১ জন), বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (৬ হাজার ৬১৫ জন)।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভর্তি-পরীক্ষা MCQ (Multiple Choice Question) ও লিখিত উভয় পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। মোট ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিটের পরীক্ষার MCQ অংশ ৪৫ মিনিটব্যাপী এবং লিখিত অংশ ৪৫ মিনিটব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে। এমসিকিউ অংশে বাংলায় ১৫, ইংরেজি ১৫ ও সাধারণ জ্ঞান থেকে ৩০ নম্বর থাকবে। যারা ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশুনা করেছেন তারা বাংলার পরিবর্তে সমান নম্বরে ইলেকটিভ ইংলিশের উত্তর করবেন।

লিখিত অংশেও বাংলা বা ইলেকটিভ অংশ থাকবে ২০ নম্বর এবং ইংরেজিতে থাকবে ২০ নম্বর। সর্বমোট নম্বর হবে ৪০।

ভর্তির জন্য মোট ১২০ নম্বরের (MCQ: ৬০, লিখিত ৪০, মাধ্যমিক/ সমমান: ১০, উচ্চ মাধ্যমিক ১০) ভিত্তিতে পরীক্ষার্থীদের মেধা তালিকা তৈরি করা হবে। এজন্য শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএকে ২ দিয়ে গুণ এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএকে ২ দিয়ে গুণ করে এই দুইয়ের যোগফল MCQ ও লিখিত অংশ মিলিয়ে ১০০ নম্বরের ভর্তি-পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে যোগ করে মোট ১২০ নম্বরের ওপর পরীক্ষার্থীর মেধাস্কোর তৈরি করা হবে।

ভর্তি-পরীক্ষার ১০০ নম্বরের মধ্যে পাস নম্বর ৪০। প্রার্থী ৪০ নম্বর না পেলে ভর্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। একইসঙ্গে ভর্তি-পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী MCQ অংশে বাংলায় ন্যূনতম ০৫ নম্বর, General English-এ ন্যূনতম ০৫ নম্বর, সাধারণ জ্ঞানে ন্যূনতম ১০ নম্বর এবং কমপক্ষে সর্বমোট ২৪ নম্বর পেলে উত্তীর্ণ বলে বিবেচিত হবে। এ-লেভেল সংশ্লিষ্টদের ক্ষেত্রে বাংলা বিষয়ের বিকল্প হিসেবে Elective English-এ ন্যূনতম ০৫ নম্বর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পেতে হবে। পরীক্ষার্থীকে লিখিত পরীক্ষার অংশে ন্যূনতম ১১ নম্বর পেতে হবে। এর মধ্যে বাংলা অংশে ন্যূনতম ৫ এবং General English-এ ন্যূনতম ৫ পাওয়া আবশ্যক। ‘এ’ লেভেলের ক্ষেত্রে উল্লিখিত শর্ত সমভাবে প্রযোজ্য হবে। প্রতি চারটি ভুল উত্তরের জন্য একটি শুদ্ধ উত্তরের নম্বর কাটা যাবে। অর্থাৎ প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।

Tag :

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠতে যাচ্ছে

ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ভর্তিযুদ্ধ শুরু, প্রতি আসনে ২০ জন

Update Time : ০৫:৪৪:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ অক্টোবর ২০২১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এবার আসন প্রতি লড়ছেন ২০ জন, যা আগের বছর ছিল ১৮ জন।

শনিবার (০২ অক্টোবর) ঢাকা ও সাত বিভাগীয় শহরে সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটে আবেদন করেছেন ৪৭ হাজার ৬৩২ জন, যা গতবর্ষে ছিল ৪৫ হাজার ৩ জন। আসন সংখ্যা ২ হাজার ৩৭৮। আসন প্রতি লড়ছেন ২০ জন, যা আগের বছর ছিল ১৮ জন।

পরীক্ষায় ঢাকার বাইরের কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (৬ হাজার ৩৭৭জন), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (২ হাজার ৮৫২ জন), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (৫ হাজার ৭২ জন), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (৫ হাজার ২০৪ জন), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (৯২১ জন), বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (১ হাজার ৭৪১ জন), বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (৬ হাজার ৬১৫ জন)।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভর্তি-পরীক্ষা MCQ (Multiple Choice Question) ও লিখিত উভয় পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। মোট ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিটের পরীক্ষার MCQ অংশ ৪৫ মিনিটব্যাপী এবং লিখিত অংশ ৪৫ মিনিটব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে। এমসিকিউ অংশে বাংলায় ১৫, ইংরেজি ১৫ ও সাধারণ জ্ঞান থেকে ৩০ নম্বর থাকবে। যারা ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশুনা করেছেন তারা বাংলার পরিবর্তে সমান নম্বরে ইলেকটিভ ইংলিশের উত্তর করবেন।

লিখিত অংশেও বাংলা বা ইলেকটিভ অংশ থাকবে ২০ নম্বর এবং ইংরেজিতে থাকবে ২০ নম্বর। সর্বমোট নম্বর হবে ৪০।

ভর্তির জন্য মোট ১২০ নম্বরের (MCQ: ৬০, লিখিত ৪০, মাধ্যমিক/ সমমান: ১০, উচ্চ মাধ্যমিক ১০) ভিত্তিতে পরীক্ষার্থীদের মেধা তালিকা তৈরি করা হবে। এজন্য শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএকে ২ দিয়ে গুণ এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএকে ২ দিয়ে গুণ করে এই দুইয়ের যোগফল MCQ ও লিখিত অংশ মিলিয়ে ১০০ নম্বরের ভর্তি-পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে যোগ করে মোট ১২০ নম্বরের ওপর পরীক্ষার্থীর মেধাস্কোর তৈরি করা হবে।

ভর্তি-পরীক্ষার ১০০ নম্বরের মধ্যে পাস নম্বর ৪০। প্রার্থী ৪০ নম্বর না পেলে ভর্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। একইসঙ্গে ভর্তি-পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী MCQ অংশে বাংলায় ন্যূনতম ০৫ নম্বর, General English-এ ন্যূনতম ০৫ নম্বর, সাধারণ জ্ঞানে ন্যূনতম ১০ নম্বর এবং কমপক্ষে সর্বমোট ২৪ নম্বর পেলে উত্তীর্ণ বলে বিবেচিত হবে। এ-লেভেল সংশ্লিষ্টদের ক্ষেত্রে বাংলা বিষয়ের বিকল্প হিসেবে Elective English-এ ন্যূনতম ০৫ নম্বর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পেতে হবে। পরীক্ষার্থীকে লিখিত পরীক্ষার অংশে ন্যূনতম ১১ নম্বর পেতে হবে। এর মধ্যে বাংলা অংশে ন্যূনতম ৫ এবং General English-এ ন্যূনতম ৫ পাওয়া আবশ্যক। ‘এ’ লেভেলের ক্ষেত্রে উল্লিখিত শর্ত সমভাবে প্রযোজ্য হবে। প্রতি চারটি ভুল উত্তরের জন্য একটি শুদ্ধ উত্তরের নম্বর কাটা যাবে। অর্থাৎ প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।