ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাগরিক সেবা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) ১২ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা

সব ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে হয়রানিমুক্ত নাগরিক সেবা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) ১২ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) পাঠানো চিঠিতে প্রধান উপদেষ্টার এমন নির্দেশনা ডিসিদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, জন্মসনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট বা জমির নামজারি বা রেজিস্ট্রেশন জনগণের সব সেবাই হতে হবে হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশে। এ ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাজ করতে হবে সব ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে। মন দিতে হবে ঠিকঠাক দায়িত্বপালনে, পরিহার করতে হবে সরকারের সব ধরনের স্তুতিবাক্য।
চিঠিতে আরও বলা হয়, পুলিশি তদন্ত ছাড়াই পাসপোর্ট দিতে হবে। এ ছাড়া দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সহনীয় রাখাসহ জমি রেজিস্ট্রেশন, জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো সেবায় বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
একইসঙ্গে চিঠিতে বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দিয়ে বলা হয়, দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের আইন পুরোপুরি মেনে চলতে হবে। এ ক্ষেত্রে সব রকমের ভয়ভীতি, তদবির ও স্তুতিবাক্য পরিহার করতে হবে।
সবশেষে চিঠিতে ডিসিদের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম সরকারের নজরদারিতে রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ এ কে এম সাইফুল ইসলাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে জেলা প্রশাসকরা নাজুক পরিস্থিতিতে পরেছিলেন। সেখানে থেকে তাদের উত্তরণের জন্য এবং কাজে উদ্বুদ্ধ করার জন্য প্রধান উপদেষ্টা কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। এটা খুবই ভালো লক্ষণ।
Tag :

নাগরিক সেবা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) ১২ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা

Update Time : ০৫:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫
সব ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে হয়রানিমুক্ত নাগরিক সেবা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) ১২ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) পাঠানো চিঠিতে প্রধান উপদেষ্টার এমন নির্দেশনা ডিসিদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, জন্মসনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট বা জমির নামজারি বা রেজিস্ট্রেশন জনগণের সব সেবাই হতে হবে হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশে। এ ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাজ করতে হবে সব ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে। মন দিতে হবে ঠিকঠাক দায়িত্বপালনে, পরিহার করতে হবে সরকারের সব ধরনের স্তুতিবাক্য।
চিঠিতে আরও বলা হয়, পুলিশি তদন্ত ছাড়াই পাসপোর্ট দিতে হবে। এ ছাড়া দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সহনীয় রাখাসহ জমি রেজিস্ট্রেশন, জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো সেবায় বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
একইসঙ্গে চিঠিতে বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দিয়ে বলা হয়, দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের আইন পুরোপুরি মেনে চলতে হবে। এ ক্ষেত্রে সব রকমের ভয়ভীতি, তদবির ও স্তুতিবাক্য পরিহার করতে হবে।
সবশেষে চিঠিতে ডিসিদের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম সরকারের নজরদারিতে রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ এ কে এম সাইফুল ইসলাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে জেলা প্রশাসকরা নাজুক পরিস্থিতিতে পরেছিলেন। সেখানে থেকে তাদের উত্তরণের জন্য এবং কাজে উদ্বুদ্ধ করার জন্য প্রধান উপদেষ্টা কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। এটা খুবই ভালো লক্ষণ।