ঢাকা ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ঈদুল আজহার আগে নখ ও চুল কাটা নিয়ে ইসলামি বিধান কী? দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাজুস ১৫ বছর পর পশ্চিমবঙ্গের শাসন ক্ষমতায় ফের পালাবদল, সরকার গঠনের পথে বিজেপি নিজের আসনেই বড় ব্যবধানে হেরেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হরমুজ প্রণালিতে কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলা হয়নি, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো ফুটেছে ‘পদ্ম’: মোদি ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে রেকর্ড ১৭ শিশুর প্রাণহানি ফরিদপুরে দৈনিক ফতেহাবাদ পত্রিকার ১৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা বিজেপি এগিয়ে এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ৩ মে ২০২৬

নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছে বিএনপি চেয়ারপারসন

নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

শনিবার বিকেল ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি হাসপাতালে পৌঁছান। এদিন বিকাল ৫টা ২৫ মিনিটে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে বের হন খালেদা জিয়া। চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার বাংলাদেশ জার্নালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতালের উদ্দ্যেশে রওনা হওয়ার আগে খালেদা জিয়ার বাসভবনে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্নমহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, বিএনপি নেতা ডা. রফিকুল ইসলাম, ইশরাক হোসেন প্রমুখ।

এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে যান খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। ২০২১ সালের এপ্রিলে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। নানা শারীরিক জটিলতায় ওই বছরের ২৭ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

একপর্যায়ে তাকে সিসিইউতে নেয়া হয়। প্রায় দুই মাস তিনি সিসিইউতে ছিলেন। ১৯ জুন বাসায় ফেরেন। এর মধ্যে করোনার টিকা নেওয়ার জন্য খালেদা জিয়া দুই দফায় মহাখালীর শেখ রাসেল ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে যান। ১৯ জুলাই করোনার প্রথম ডোজ টিকা নেয়ার পর ১৮ আগস্ট দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেন তিনি।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান। করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকার শর্ত সাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এ পর্যন্ত ছয় দফায় খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ফলে তিনি তার গুলশানের বাসায় অবস্থান করছেন।

Tag :
জনপ্রিয়

ঈদুল আজহার আগে নখ ও চুল কাটা নিয়ে ইসলামি বিধান কী?

নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছে বিএনপি চেয়ারপারসন

Update Time : ০২:২৭:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৩

নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

শনিবার বিকেল ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি হাসপাতালে পৌঁছান। এদিন বিকাল ৫টা ২৫ মিনিটে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে বের হন খালেদা জিয়া। চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার বাংলাদেশ জার্নালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতালের উদ্দ্যেশে রওনা হওয়ার আগে খালেদা জিয়ার বাসভবনে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্নমহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, বিএনপি নেতা ডা. রফিকুল ইসলাম, ইশরাক হোসেন প্রমুখ।

এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে যান খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। ২০২১ সালের এপ্রিলে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। নানা শারীরিক জটিলতায় ওই বছরের ২৭ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

একপর্যায়ে তাকে সিসিইউতে নেয়া হয়। প্রায় দুই মাস তিনি সিসিইউতে ছিলেন। ১৯ জুন বাসায় ফেরেন। এর মধ্যে করোনার টিকা নেওয়ার জন্য খালেদা জিয়া দুই দফায় মহাখালীর শেখ রাসেল ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে যান। ১৯ জুলাই করোনার প্রথম ডোজ টিকা নেয়ার পর ১৮ আগস্ট দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেন তিনি।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান। করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকার শর্ত সাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এ পর্যন্ত ছয় দফায় খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ফলে তিনি তার গুলশানের বাসায় অবস্থান করছেন।