ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতি বছর ৭ নভেম্বর জাতীয়ভাবে পালিত হবে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’, পরিপত্র জারি

প্রতি বছর ৭ নভেম্বর জাতীয়ভাবে পালিত হবে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’। এজন্য সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো পালন নিয়ে পরিপত্রে এ দিবসটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘ক’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আরেকটি পরিপত্র জারির মাধ্যমে এ সংশোধন এনেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এতে বলা হয়, সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, প্রতি বছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হবে।

এজন্য ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ১১ মার্চ জারি করা পরিপত্রের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবসের তালিকায় যথাস্থানে সন্নিবেশিত হিসেবে গণ্য হবে।

উক্ত সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে পরিপত্রে।

সর্বশেষ গত ১১ মার্চ সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো পালন নিয়ে নতুন পরিপত্র জারি করা হয়। সেখানে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের বিষয়টি ছিল না। এছাড়া বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এই দিবসের কোন স্বীকৃতি ছিল না।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত সিপাহী-জনতা বিপ্লবের স্মরণে পালিত হয়। কর্নেল (অব.) আবু তাহেরের নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানে জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান, পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় আসেন।‌ জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের আমলে মূলত ৭ নভেম্বর বাংলাদেশে সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হয়। এই বিপ্লবের বিরোধী ও সমালোচক গোষ্ঠী, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ বিপ্লবীদের আক্রমণে খালেদ মোশাররফসহ আরও কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুর প্রতিবাদে এই দিনটিকে ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে।

Tag :
জনপ্রিয়

প্রতি বছর ৭ নভেম্বর জাতীয়ভাবে পালিত হবে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’, পরিপত্র জারি

Update Time : ০৫:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

প্রতি বছর ৭ নভেম্বর জাতীয়ভাবে পালিত হবে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’। এজন্য সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো পালন নিয়ে পরিপত্রে এ দিবসটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘ক’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আরেকটি পরিপত্র জারির মাধ্যমে এ সংশোধন এনেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এতে বলা হয়, সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, প্রতি বছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হবে।

এজন্য ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ১১ মার্চ জারি করা পরিপত্রের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবসের তালিকায় যথাস্থানে সন্নিবেশিত হিসেবে গণ্য হবে।

উক্ত সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে পরিপত্রে।

সর্বশেষ গত ১১ মার্চ সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো পালন নিয়ে নতুন পরিপত্র জারি করা হয়। সেখানে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের বিষয়টি ছিল না। এছাড়া বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এই দিবসের কোন স্বীকৃতি ছিল না।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত সিপাহী-জনতা বিপ্লবের স্মরণে পালিত হয়। কর্নেল (অব.) আবু তাহেরের নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানে জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান, পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় আসেন।‌ জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের আমলে মূলত ৭ নভেম্বর বাংলাদেশে সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হয়। এই বিপ্লবের বিরোধী ও সমালোচক গোষ্ঠী, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ বিপ্লবীদের আক্রমণে খালেদ মোশাররফসহ আরও কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুর প্রতিবাদে এই দিনটিকে ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে।