ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:২৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ এপ্রিল ২০২১
  • ৩৯৭ Time View
জমকালো আয়োজনের মধ্যদিয়ে উদ্বোধন হলো বঙ্গবন্ধু নবম বাংলাদেশ গেমসের। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারের আসরের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন। করোনা মহামারির কারণে দর্শকদের জন্যও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রবেশাধিকারে ছিল সীমাবদ্ধতা। তবে অনুষ্ঠানকে বর্ণিল সাজে সাজাতে আয়োজকদের কোনো কমতি ছিল না। নাচ-গানের সাথে ছিল লেজার লাইটের নান্দনিক শো। আর রাতের অন্ধকার ভেদ করে আতশবাজির বর্ণিল আলোয় আলোকিত হয়ে উঠে ঢাকার আকাশ। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষকী আয়োজনের অংশ হিসেবে এবারের বাংলাদেশ গেমসের নামকরণ হয় বঙ্গবন্ধু ৯ম বাংলাদেশ গেমস নামে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। এরপরই জাতীয় সংগীত বাজানোর মধ্যদিয়ে শুরু হয় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। প্রথমে অডিও ভিজ্যুয়াল প্রদর্শনীর মাধ্যমে দেশের খেলাধুলা তুলে ধরা হয় সবার সামনে। পরে দল বেঁধে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা মার্চপাস্টে অংশ নেন। মার্চপাস্টের পর খেলোয়ার-কর্মকর্তাদের শপথবাক্য পাঠ করান দেশসেরা আর্চার রোমান সানা। বিচারকদের পক্ষে শপথ পাঠ করেন আন্তর্জাতিক জুড়ো জাজ কামরুন নাহার হিরু। রাত ৭টা ১৫ মিনিটে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিওএ মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিওএ সভাপতি ও গেমসের সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।
এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।  এরপর গেমস আনুষ্টানিক  উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জ্বলে উঠে গেমসের মশাল। যা প্রজ্জ্বলন করেন গলফার সিদ্দিকুর রহমান ও সাঁতারু মাহফুজা খাতুন শিলা। এরপর গেমসের মাসকট শান্তির পায়রা প্যারেড করে মাঠজুড়ে। পরে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে নিয়ে হয় প্রদর্শনী। পনের মিনিটের এ শো শেষে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তারপর রাত সাড়ে ৮টায় মূল আকর্ষন লেজার শো ও আতশবাজির লাল নীল আলোয় নেচে উঠে পুরো স্টেডিয়াম।
গত বছর ১ এপ্রিল চলতি এ আসরের উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল। বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল সে সময়। এক বছর অপেক্ষার পর নবম এ আসরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলো। দশ দিনের ক্রীড়াযজ্ঞে ৩১ ডিসিপ্লিনে ৩৭৮টি স্বর্ণ পদকের জন্য লড়াই করবেন ৫৩০০ ক্রীড়াবিদ।
গত বুধবার বিকেলে টুঙ্গিপাড়া থেকে ১৮ জন তারকা ক্রীড়াবিদের হাত ঘুরে ঢাকায় আসে বাংলাদেশ গেমসের মশাল। বাংলাদেশ অলিম্পিক ভবনে (বিওএ) বিকালে সাবেক ক্রিকেট তারকা গাজী আশরাফ হোসেন লিপু ও সাবেক ফুটবল তারকা শেখ মোহাম্মদ আসলাম মশাল হস্তান্তর করেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের হাতে।
Tag :

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ০৪:২৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ এপ্রিল ২০২১
জমকালো আয়োজনের মধ্যদিয়ে উদ্বোধন হলো বঙ্গবন্ধু নবম বাংলাদেশ গেমসের। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারের আসরের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন। করোনা মহামারির কারণে দর্শকদের জন্যও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রবেশাধিকারে ছিল সীমাবদ্ধতা। তবে অনুষ্ঠানকে বর্ণিল সাজে সাজাতে আয়োজকদের কোনো কমতি ছিল না। নাচ-গানের সাথে ছিল লেজার লাইটের নান্দনিক শো। আর রাতের অন্ধকার ভেদ করে আতশবাজির বর্ণিল আলোয় আলোকিত হয়ে উঠে ঢাকার আকাশ। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষকী আয়োজনের অংশ হিসেবে এবারের বাংলাদেশ গেমসের নামকরণ হয় বঙ্গবন্ধু ৯ম বাংলাদেশ গেমস নামে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। এরপরই জাতীয় সংগীত বাজানোর মধ্যদিয়ে শুরু হয় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। প্রথমে অডিও ভিজ্যুয়াল প্রদর্শনীর মাধ্যমে দেশের খেলাধুলা তুলে ধরা হয় সবার সামনে। পরে দল বেঁধে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা মার্চপাস্টে অংশ নেন। মার্চপাস্টের পর খেলোয়ার-কর্মকর্তাদের শপথবাক্য পাঠ করান দেশসেরা আর্চার রোমান সানা। বিচারকদের পক্ষে শপথ পাঠ করেন আন্তর্জাতিক জুড়ো জাজ কামরুন নাহার হিরু। রাত ৭টা ১৫ মিনিটে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিওএ মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিওএ সভাপতি ও গেমসের সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।
এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।  এরপর গেমস আনুষ্টানিক  উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জ্বলে উঠে গেমসের মশাল। যা প্রজ্জ্বলন করেন গলফার সিদ্দিকুর রহমান ও সাঁতারু মাহফুজা খাতুন শিলা। এরপর গেমসের মাসকট শান্তির পায়রা প্যারেড করে মাঠজুড়ে। পরে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে নিয়ে হয় প্রদর্শনী। পনের মিনিটের এ শো শেষে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তারপর রাত সাড়ে ৮টায় মূল আকর্ষন লেজার শো ও আতশবাজির লাল নীল আলোয় নেচে উঠে পুরো স্টেডিয়াম।
গত বছর ১ এপ্রিল চলতি এ আসরের উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল। বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল সে সময়। এক বছর অপেক্ষার পর নবম এ আসরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলো। দশ দিনের ক্রীড়াযজ্ঞে ৩১ ডিসিপ্লিনে ৩৭৮টি স্বর্ণ পদকের জন্য লড়াই করবেন ৫৩০০ ক্রীড়াবিদ।
গত বুধবার বিকেলে টুঙ্গিপাড়া থেকে ১৮ জন তারকা ক্রীড়াবিদের হাত ঘুরে ঢাকায় আসে বাংলাদেশ গেমসের মশাল। বাংলাদেশ অলিম্পিক ভবনে (বিওএ) বিকালে সাবেক ক্রিকেট তারকা গাজী আশরাফ হোসেন লিপু ও সাবেক ফুটবল তারকা শেখ মোহাম্মদ আসলাম মশাল হস্তান্তর করেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের হাতে।