ঢাকা ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ঈদুল আজহার আগে নখ ও চুল কাটা নিয়ে ইসলামি বিধান কী? দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাজুস ১৫ বছর পর পশ্চিমবঙ্গের শাসন ক্ষমতায় ফের পালাবদল, সরকার গঠনের পথে বিজেপি নিজের আসনেই বড় ব্যবধানে হেরেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হরমুজ প্রণালিতে কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলা হয়নি, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো ফুটেছে ‘পদ্ম’: মোদি ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে রেকর্ড ১৭ শিশুর প্রাণহানি ফরিদপুরে দৈনিক ফতেহাবাদ পত্রিকার ১৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা বিজেপি এগিয়ে এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ৩ মে ২০২৬

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আজমত উল্লা খান নির্বাচনী আচরণ লঙ্ঘন করে দুঃখিত ও অনুতপ্ত

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আজমত উল্লা খান নির্বাচনী আচরণ লঙ্ঘন করে দুঃখিত ও অনুতপ্ত। আমরা তার বক্তব্যে সন্তুষ্ট।’
আজ রবিবার আজমত উল্লার শুনানি শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।
মন্ত্রীকে নিয়ে সভা করায় ও মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শোডাউন করায় আজমত উল্লা খানের প্রার্থিতা কেন বাতিল করা হবে না, সেই ব্যাখ্যা নির্বাচন ভবনে এসে দেওয়ার জন্য গত ৩০ এপ্রিল নির্দেশনা দেয় ইসি।
রবিবার বিকালে সেই ব্যাখ্যার শুনানি শেষে সিইসি বলেন, ‘আমরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। উনি অত্যন্ত চমৎকারভাবে, অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, আগামীতে এ ধরনের ভুল হবে না। উনি বিশ্বাস করেন যে, কিছু কিছু ভুল অজ্ঞতাবশত হয়েছে, আর কিছুটা উনি বলেছেন যে, দু-একটা সভা হয়েছে। উনারা ডিসি এবং কমিশনারের অনুমতি নিয়ে সিটি করপোরেশনের বাইরে সেগুলো করেছেন। উনি ৫ ধারার যে বিধানটা বলেছেন, উনি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টা নিয়ে ইয়ে (সচেতন) ছিলেন না।’
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘ওই শোডাউনকেই আমরা বড় করে দেখেছিলাম। এ বিষয়ে উনি বলেছেন যে, সেদিন মনোনয়নপত্র সাবমিট করার ব্যাপার ছিল। বেশকিছু সংখ্যক কাউন্সিলর, তারা একই সঙ্গে দলবল নিয়ে এসেছেন। এজন্য বড় ধরনের একটা শোডাউনের মতো মনে হয়েছে। আমরা উনার বক্তব্যে প্রাথমিকভাবে অত্যন্ত সন্তুষ্ট। উনি সুন্দরভাবে আমাদের সঙ্গে কো-অপারেট করার এবং নির্বাচন আচরণ বিধি যাতে ভবিষ্যতে প্রতিপালিত হয়, অনুসরণ করা হয়, সেটা সর্বোতভাবে উনি চেষ্টা করবেন। আমরা যেটা শোকজ করেছি। উনি উনার বক্তব্যটা দিয়েছেন।’
সন্তুষ্ট হয়েছেন বললেন, তাহলে কী ক্ষমা করে দিলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমরা এখানে বলেছি, এখনো আমরা (কমিশন) কোনো সিদ্ধান্ত নিই নাই। কিন্তু উনি উনার বক্তব্য সুন্দরভাবে দিয়েছেন। অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বক্তব্য দিয়েছেন। আমরা লিখিতভাবে চাইলে সেটাও দিতে চেয়েছেন। আমরা ফারদার কোনো তদন্ত করবো না।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘দুঃখ প্রকাশ করেছেন সার্বিকভাবে, যদি নির্বাচন আচরণ বিধি ভঙ্গ হয়ে থাকে। উনি দুঃখিত এবং অনুতপ্ত। এই জিনিসগুলো সব সময় আপেক্ষিক। একটা জিনিস বিচারেও আমরা দেখি হয়েছে কি হয়নি, এটা অনেক সময় গ্রে এরিয়া থাকে। আমাদের দেশে যে নির্বাচনী সংস্কৃতি, যে কৃষ্টি বহু বছর ধরে গড়ে উঠেছে, সেখানে এই ধরনের নির্বাচনী উচ্ছ্বাস হয়ে থাকে। আমরা নির্বাচন কমিশনও মনে করি, এটা রাতারাতি এক ধাক্কা দিয়ে, সুইস টিপে বন্ধ করা যাবে না। সবার সহযোগিতা লাগবে। আমরাও এটাকে এনফোর্স করার চেষ্টা করব। হয়তো ইনশাল্লাহ এভাবে ধীরে ধীরে শুভ কালচার গড়ে উঠবে।
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘মন্ত্রী যে সভাতে ছিলেন, সেটা বাইরে ছিল। তারপরও উনি বলেছেন যে, ভবিষ্যতে বিষয়গুলো মেনে চলবেন।’
Tag :
জনপ্রিয়

ঈদুল আজহার আগে নখ ও চুল কাটা নিয়ে ইসলামি বিধান কী?

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আজমত উল্লা খান নির্বাচনী আচরণ লঙ্ঘন করে দুঃখিত ও অনুতপ্ত

Update Time : ১২:৪০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ মে ২০২৩
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আজমত উল্লা খান নির্বাচনী আচরণ লঙ্ঘন করে দুঃখিত ও অনুতপ্ত। আমরা তার বক্তব্যে সন্তুষ্ট।’
আজ রবিবার আজমত উল্লার শুনানি শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।
মন্ত্রীকে নিয়ে সভা করায় ও মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শোডাউন করায় আজমত উল্লা খানের প্রার্থিতা কেন বাতিল করা হবে না, সেই ব্যাখ্যা নির্বাচন ভবনে এসে দেওয়ার জন্য গত ৩০ এপ্রিল নির্দেশনা দেয় ইসি।
রবিবার বিকালে সেই ব্যাখ্যার শুনানি শেষে সিইসি বলেন, ‘আমরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। উনি অত্যন্ত চমৎকারভাবে, অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, আগামীতে এ ধরনের ভুল হবে না। উনি বিশ্বাস করেন যে, কিছু কিছু ভুল অজ্ঞতাবশত হয়েছে, আর কিছুটা উনি বলেছেন যে, দু-একটা সভা হয়েছে। উনারা ডিসি এবং কমিশনারের অনুমতি নিয়ে সিটি করপোরেশনের বাইরে সেগুলো করেছেন। উনি ৫ ধারার যে বিধানটা বলেছেন, উনি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টা নিয়ে ইয়ে (সচেতন) ছিলেন না।’
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘ওই শোডাউনকেই আমরা বড় করে দেখেছিলাম। এ বিষয়ে উনি বলেছেন যে, সেদিন মনোনয়নপত্র সাবমিট করার ব্যাপার ছিল। বেশকিছু সংখ্যক কাউন্সিলর, তারা একই সঙ্গে দলবল নিয়ে এসেছেন। এজন্য বড় ধরনের একটা শোডাউনের মতো মনে হয়েছে। আমরা উনার বক্তব্যে প্রাথমিকভাবে অত্যন্ত সন্তুষ্ট। উনি সুন্দরভাবে আমাদের সঙ্গে কো-অপারেট করার এবং নির্বাচন আচরণ বিধি যাতে ভবিষ্যতে প্রতিপালিত হয়, অনুসরণ করা হয়, সেটা সর্বোতভাবে উনি চেষ্টা করবেন। আমরা যেটা শোকজ করেছি। উনি উনার বক্তব্যটা দিয়েছেন।’
সন্তুষ্ট হয়েছেন বললেন, তাহলে কী ক্ষমা করে দিলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমরা এখানে বলেছি, এখনো আমরা (কমিশন) কোনো সিদ্ধান্ত নিই নাই। কিন্তু উনি উনার বক্তব্য সুন্দরভাবে দিয়েছেন। অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বক্তব্য দিয়েছেন। আমরা লিখিতভাবে চাইলে সেটাও দিতে চেয়েছেন। আমরা ফারদার কোনো তদন্ত করবো না।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘দুঃখ প্রকাশ করেছেন সার্বিকভাবে, যদি নির্বাচন আচরণ বিধি ভঙ্গ হয়ে থাকে। উনি দুঃখিত এবং অনুতপ্ত। এই জিনিসগুলো সব সময় আপেক্ষিক। একটা জিনিস বিচারেও আমরা দেখি হয়েছে কি হয়নি, এটা অনেক সময় গ্রে এরিয়া থাকে। আমাদের দেশে যে নির্বাচনী সংস্কৃতি, যে কৃষ্টি বহু বছর ধরে গড়ে উঠেছে, সেখানে এই ধরনের নির্বাচনী উচ্ছ্বাস হয়ে থাকে। আমরা নির্বাচন কমিশনও মনে করি, এটা রাতারাতি এক ধাক্কা দিয়ে, সুইস টিপে বন্ধ করা যাবে না। সবার সহযোগিতা লাগবে। আমরাও এটাকে এনফোর্স করার চেষ্টা করব। হয়তো ইনশাল্লাহ এভাবে ধীরে ধীরে শুভ কালচার গড়ে উঠবে।
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘মন্ত্রী যে সভাতে ছিলেন, সেটা বাইরে ছিল। তারপরও উনি বলেছেন যে, ভবিষ্যতে বিষয়গুলো মেনে চলবেন।’