ভারতের নতুন ধরনের করোনা কোনভাবে বাংলাদেশে ছড়াতে না পারে সেজন্য স্থলপথে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত ১৪ দিন বন্ধ ঘোষণা করলেও আটকেপড়া যাত্রীরা দূতাবাসের বিশেষ অনুমতি নিয়ে দেশে ফিরছেন। ফেরত আসাদের বেনাপোলের সাতটি আবাসিক হোটেলে ১৪ দিনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে ছয়জন করোনা আক্রান্ত ছিলেন। এরা ভারতে গিয়ে করোনা পজিটিভ হন। তবে নতুন করে এ পথে কোনো পাসপোর্টধারী ভারত ও বাংলাদেশে ঢোকেনি।
এ দিকে চিকিৎসা শেষে হাতে খরচের টাকা না থাকায় ভারত ফেরত বাংলাদেশিরা নিজ খরচে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে অসহায় দিন পার করছেন বলে জানা গেছে। তবে সরকারি নির্দেশনা মানতে তাদের বাধ্য হয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার আবু তাহের বলেন, ভারত ফেরত বাংলাদেশিরা বেনাপোল বন্দর এলাকার সাতটি আবাসিক হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে আছেন। সেখানে সব খরচ যাত্রীদের বহন করতে হবে। এছাড়া ফেরত আসা ছয়জন বাংলাদেশি করোনা পজিটিভ যাত্রীকে যশোর সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব বলেন, বাংলাদেশি উপ-হাইকমিশনারের ছাড়পত্র থাকায় তিনদিনে আটকে পড়া ৬৮৯ জন ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন। ভারতীয় নাগরিক দেশে ফিরে গেছেন ১০৯ জন। তবে নিষেধাজ্ঞার পর থেকে বাংলাদেশি কোনো পাসপোর্টধারী যাত্রী নতুন করে ভারতে যায়নি এবং ভারত থেকেও ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে আসেনি বলেও জানান তিনি।
অনলাইন ডেস্ক 
















