ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বাইডেনের শরীরে কেবল ছড়িয়েই পড়েনি বরং বিভিন্ন অংশে মেটাস্টেসিস ঘটিয়েছে, ‘চরম যন্ত্রণায়’ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রপতি পদে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করল বিএনপি হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে এবার ৬ শর্ত দিলো ইরান কক্সবাজারের মাতারবাড়ী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৯ আগস্ট ২০২৬ সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠতে যাচ্ছে ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ধর্ষণ মামলার দুই আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:২৮:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর ২০২১
  • ৩৫৩ Time View

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ধর্ষণ মামলার দুই আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার রায় লক্ষ্মীপুর গ্রামে দুই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে তাদের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে টানা ১৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহতদের স্বজনরা।

সোমবার রাত দশটা ৪৫ মিনিটে ওই দুইজনকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন- মিন্টু ওরফে কালু (৩৬) এবং আজিজ ওরফে আজিজুলের (৩৬)।

এর আগে শেষবারের মতো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির সঙ্গে শনিবার সকালে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেন তার পরিবার। এ সময় তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এমনকি ধর্ষণ মামলার দুই আসামি কালু ও আজিজুল সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে কাঁদতে থাকেন।

এদিকে, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার তুহিনকান্তি খান সোমবার রাতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের জানান, দণ্ডপ্রাপ্তদের মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

চুয়াডাঙ্গা আদালত সূত্র ও মামলার বিবরণীতে জানা যায়, আলমডাঙ্গা থানার জোড়গাছা হাজিরপাড়া গ্রামের কমেলা খাতুন এবং তার বান্ধবী ফিঙ্গে বেগমকে ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রায়লক্ষ্মীপুর গ্রামের মাঠে ধর্ষণ করার পর হত্যা করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধের পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলা কাটা হয় ওই দুই নারীর। হত্যার পরদিনই আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন নিহত কমেলার মেয়ে নারগিস বেগম। মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ওই দুই জনসহ চারজনকে আসামি করা হয়। এরমধ্যে মামলা বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান আসামি মহি ও আপিল বিভাগে চলতি বছর সুজনকে খালাস দেন।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত সুজন, আজিজ ও মিন্টুর মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। এরপর আসামিপক্ষ হাইকোর্টে আপিল করেন। পরে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি শেষে ২০১২ সালে ১১ নভেম্বর নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখার আদেশ দেন হাইকোর্ট। এরপর চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ দুই আসামির রায় বহাল রাখেন এবং অপর আসামি সুজনকে খালাস দেন। গত ২০ জুলাই যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান সুজন। মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পরে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করলে তাও নামঞ্জুর হয়।

Tag :

বাইডেনের শরীরে কেবল ছড়িয়েই পড়েনি বরং বিভিন্ন অংশে মেটাস্টেসিস ঘটিয়েছে, ‘চরম যন্ত্রণায়’ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ধর্ষণ মামলার দুই আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর

Update Time : ০৪:২৮:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর ২০২১

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ধর্ষণ মামলার দুই আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার রায় লক্ষ্মীপুর গ্রামে দুই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে তাদের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে টানা ১৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহতদের স্বজনরা।

সোমবার রাত দশটা ৪৫ মিনিটে ওই দুইজনকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন- মিন্টু ওরফে কালু (৩৬) এবং আজিজ ওরফে আজিজুলের (৩৬)।

এর আগে শেষবারের মতো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির সঙ্গে শনিবার সকালে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেন তার পরিবার। এ সময় তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এমনকি ধর্ষণ মামলার দুই আসামি কালু ও আজিজুল সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে কাঁদতে থাকেন।

এদিকে, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার তুহিনকান্তি খান সোমবার রাতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের জানান, দণ্ডপ্রাপ্তদের মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

চুয়াডাঙ্গা আদালত সূত্র ও মামলার বিবরণীতে জানা যায়, আলমডাঙ্গা থানার জোড়গাছা হাজিরপাড়া গ্রামের কমেলা খাতুন এবং তার বান্ধবী ফিঙ্গে বেগমকে ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রায়লক্ষ্মীপুর গ্রামের মাঠে ধর্ষণ করার পর হত্যা করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধের পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলা কাটা হয় ওই দুই নারীর। হত্যার পরদিনই আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন নিহত কমেলার মেয়ে নারগিস বেগম। মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ওই দুই জনসহ চারজনকে আসামি করা হয়। এরমধ্যে মামলা বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান আসামি মহি ও আপিল বিভাগে চলতি বছর সুজনকে খালাস দেন।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত সুজন, আজিজ ও মিন্টুর মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। এরপর আসামিপক্ষ হাইকোর্টে আপিল করেন। পরে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি শেষে ২০১২ সালে ১১ নভেম্বর নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখার আদেশ দেন হাইকোর্ট। এরপর চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ দুই আসামির রায় বহাল রাখেন এবং অপর আসামি সুজনকে খালাস দেন। গত ২০ জুলাই যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান সুজন। মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পরে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করলে তাও নামঞ্জুর হয়।