ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নেপালে ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে সহায়তা দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নেপালে বন্যা ও ধসে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক ভয়াবহ বন্যায় তছনছ নেপালের রসুয়া, নিহত বেড়ে ৯৮, নিখোঁজ কয়েকশ পর্যটক ফরিদপুরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল ফরিদপুরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুছ অনুষ্ঠিত আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৬ আগস্ট ২০২৬ ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য দ্রুতই নীতিমালা প্রণয়ন করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা কাউকে বন্ধ কিংবা থামিয়ে রাখার কোনো মানসিকতা বর্তমান সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের পতন দেখা গেলেও বাংলাদেশের বাজারে ঘটলো ঠিক উল্টো ঘটনা শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলার হাইকোর্টের রায় পিছিয়ে সোমবার

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে ইরানে হামলার পর বাড়ল ডলারের দাম

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে ইরানে হামলার পর বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে আবারও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বিনিয়োগের প্রবণতা বাড়ায় সপ্তাহের সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে মার্কিন ডলার। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম। ফলে এশিয়ার লেনদেন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই মুদ্রাবাজারে ডলারের শক্তিশালী অবস্থান স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে মার্কিন ডলারের অবস্থান ডলার সূচকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০১ দশমিক ১৮ পয়েন্টে। এটি ২ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ অবস্থান।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ার আশঙ্কা বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা তুলনামূলক নিরাপদ সম্পদ হিসেবে মার্কিন ডলারের দিকে ঝুঁকছেন। একই কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

জাপানি ইয়েনের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১৬২ দশমিক ২৮ ইয়েনে পৌঁছেছে।

একই সময়ে ইউরোর দাম দশমিক ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ১৪০৫ মার্কিন ডলারে। ব্রিটিশ পাউন্ডও একই হারে কমে লেনদেন হচ্ছে ১ দশমিক ৩৩৫৩ মার্কিন ডলারে।

অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার মুদ্রা অস্ট্রেলিয়ান ডলার অবশ্য স্থিতিশীল রয়েছে। এ সময় এক অস্ট্রেলিয়ান ডলারের মূল্য ছিল ০.৬৯২৬ মার্কিন ডলার।

ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারেও কিছুটা চাপ লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েন দশমিক ২ শতাংশ কমে ৬৩ হাজার ৫১৮ দশমিক ৩৫ ডলারে নেমে এসেছে। আর দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি ইথার দশমিক ৫ শতাংশ কমে লেনদেন হচ্ছে ১ হাজার ৭৭৪ দশমিক ৪৫ ডলারে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যদি আরও অস্থিতিশীল হয়, তাহলে আগামী কয়েক দিনে বৈশ্বিক মুদ্রাবাজার, জ্বালানি বাজার এবং ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে আরও বড় ধরনের ওঠানামা দেখা যেতে পারে।

Tag :
জনপ্রিয়

নেপালে ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে সহায়তা দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে ইরানে হামলার পর বাড়ল ডলারের দাম

Update Time : ০২:৪৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে ইরানে হামলার পর বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে আবারও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বিনিয়োগের প্রবণতা বাড়ায় সপ্তাহের সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে মার্কিন ডলার। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম। ফলে এশিয়ার লেনদেন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই মুদ্রাবাজারে ডলারের শক্তিশালী অবস্থান স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে মার্কিন ডলারের অবস্থান ডলার সূচকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০১ দশমিক ১৮ পয়েন্টে। এটি ২ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ অবস্থান।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ার আশঙ্কা বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা তুলনামূলক নিরাপদ সম্পদ হিসেবে মার্কিন ডলারের দিকে ঝুঁকছেন। একই কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

জাপানি ইয়েনের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১৬২ দশমিক ২৮ ইয়েনে পৌঁছেছে।

একই সময়ে ইউরোর দাম দশমিক ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ১৪০৫ মার্কিন ডলারে। ব্রিটিশ পাউন্ডও একই হারে কমে লেনদেন হচ্ছে ১ দশমিক ৩৩৫৩ মার্কিন ডলারে।

অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার মুদ্রা অস্ট্রেলিয়ান ডলার অবশ্য স্থিতিশীল রয়েছে। এ সময় এক অস্ট্রেলিয়ান ডলারের মূল্য ছিল ০.৬৯২৬ মার্কিন ডলার।

ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারেও কিছুটা চাপ লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েন দশমিক ২ শতাংশ কমে ৬৩ হাজার ৫১৮ দশমিক ৩৫ ডলারে নেমে এসেছে। আর দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি ইথার দশমিক ৫ শতাংশ কমে লেনদেন হচ্ছে ১ হাজার ৭৭৪ দশমিক ৪৫ ডলারে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যদি আরও অস্থিতিশীল হয়, তাহলে আগামী কয়েক দিনে বৈশ্বিক মুদ্রাবাজার, জ্বালানি বাজার এবং ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে আরও বড় ধরনের ওঠানামা দেখা যেতে পারে।