ঢাকা ১০:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দান করার পরও আজীবন বাবা-মায়ের ভোগদখল করার অধিকার দিয়ে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস ইরানে আক্রমণ হলে হামলা তীব্রতর হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ে ১১ দল আজ রাজপথে নেমেছে: ডা. শফিকুর রহমান ইরানের সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনা ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এ আঘাত হানবে মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঢাকা ফেরা মানুষের ঢল নেমেছে

রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঢাকা ফেরা মানুষের ঢল নেমেছে। মধ্যরাত থেকেই উপচেপড়া যাত্রী নিয়ে ঘাটে ভিড়ছে একের পর এক লঞ্চ।

রোববার ভোরে ঢাকায় ফেরা লঞ্চের সারিতে ভরে যায় সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের সব পন্টুন। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে আবারও ঢাকায় ফিরছেন কর্মজীবীরা।

রোববার মধ্যরাত থেকেই ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নিয়ে সদরঘাটে ভিড়তে থাকে দক্ষিণাঞ্চলের একের পর এক লঞ্চ। করোনাভীতি কাটিয়ে দীর্ঘ দুই বছর পর স্বজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরে সবার মুখেই স্বস্তির ছাপ ছিল।

যাত্রীরা জানান, ঈদ ভালোই কেটেছে আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে। তবে গাদাগাদি করে লঞ্চে যাত্রীবহনে ভোগান্তি ছিল চরমে। অধিকাংশ লঞ্চই সময়মতো সদরঘাটে না পৌঁছানোয় ভোগান্তি বাড়ে বহুগুণ।

যাত্রীরা আরও জানান, অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ার কারণে দেরিতে লঞ্চ ছেড়েছে। বসার জায়গা পাওয়া যায় না, দুই হাত জায়গা ২০০ টাকা দিয়ে কিনে বসতে হয়েছে। যে টিকিটের দাম ছিল ৪০০ টাকা সেখানে তারা ৫০০ টাকা নিয়েছে।

সদরঘাট নৌথানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাইয়ুম আলী সরদার বলেন, কোথায় কোন দুর্ঘটনার সংবাদ নেই। পিক পিকেটিংয়ের খবর আসেনি। এবারে ঈদ যাত্রা সবার জন্য শুভ হয়েছে। এখন পর্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানান তিনি।

Tag :

দান করার পরও আজীবন বাবা-মায়ের ভোগদখল করার অধিকার দিয়ে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস

রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঢাকা ফেরা মানুষের ঢল নেমেছে

Update Time : ০৫:৪৩:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মে ২০২২

রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঢাকা ফেরা মানুষের ঢল নেমেছে। মধ্যরাত থেকেই উপচেপড়া যাত্রী নিয়ে ঘাটে ভিড়ছে একের পর এক লঞ্চ।

রোববার ভোরে ঢাকায় ফেরা লঞ্চের সারিতে ভরে যায় সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের সব পন্টুন। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে আবারও ঢাকায় ফিরছেন কর্মজীবীরা।

রোববার মধ্যরাত থেকেই ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নিয়ে সদরঘাটে ভিড়তে থাকে দক্ষিণাঞ্চলের একের পর এক লঞ্চ। করোনাভীতি কাটিয়ে দীর্ঘ দুই বছর পর স্বজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরে সবার মুখেই স্বস্তির ছাপ ছিল।

যাত্রীরা জানান, ঈদ ভালোই কেটেছে আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে। তবে গাদাগাদি করে লঞ্চে যাত্রীবহনে ভোগান্তি ছিল চরমে। অধিকাংশ লঞ্চই সময়মতো সদরঘাটে না পৌঁছানোয় ভোগান্তি বাড়ে বহুগুণ।

যাত্রীরা আরও জানান, অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ার কারণে দেরিতে লঞ্চ ছেড়েছে। বসার জায়গা পাওয়া যায় না, দুই হাত জায়গা ২০০ টাকা দিয়ে কিনে বসতে হয়েছে। যে টিকিটের দাম ছিল ৪০০ টাকা সেখানে তারা ৫০০ টাকা নিয়েছে।

সদরঘাট নৌথানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাইয়ুম আলী সরদার বলেন, কোথায় কোন দুর্ঘটনার সংবাদ নেই। পিক পিকেটিংয়ের খবর আসেনি। এবারে ঈদ যাত্রা সবার জন্য শুভ হয়েছে। এখন পর্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানান তিনি।