ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফরিদপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম কমেছে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে, ১ জুন থেকেই কার্যকর ভোলায় তোফায়েল আহমেদের জানাজায় মানুষের ঢল এসএসসি পরীক্ষার সূচি আবারও পরিবর্তন হতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আদালতে ন্যায় বিচার চাইলেন রামিসার বাবা ফরিদপুরে ট্রাকের পেছনে প্রাইভেটকারের ধাক্কা: নিহত বেড়ে ৫ শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধে জড়িত সকল পক্ষের সাথে আলোচনা করতে প্রস্তুত: পুতিন

রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধে জড়িত সকল পক্ষের সাথে আলোচনা করতে প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কিন্তু কিয়েভ এবং তার পশ্চিমা মিত্ররা আলোচনা করতে অস্বীকার করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন রাশিয়াওয়ানে রবিবার (২৫ ডিসেম্বর) প্রচারিত একটি সাক্ষাত্কারে পুতিন বলেছেন, আমরা গ্রহণযোগ্য সমাধানের জন্য সবার সাথে আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে এটি তাদের উপর নির্ভর করে।

পুতিন বলেন, রাশিয়া ইউক্রেনে সঠিক দিকে কাজ করছে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পশ্চিমারা রাশিয়াকে আলোচনার থেকে আলাদা করার চেষ্টা করছে। তারা সর্বদা ‘বিভক্ত এবং জয়’ করার চেষ্টা করেছে, বিপরীতে আমাদের লক্ষ্য রাশিয়ান জনগণকে একত্রিত করা।
পুতিন আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি আমরা সঠিক পথে কাজ করছি, আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থ, আমাদের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা ছাড়া আমাদের আর কোন বিকল্প নেই।
ইউক্রেনে রাশিয়ার ২৪ ফেব্রুয়ারী আক্রমণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাতের সূত্রপাত করেছে এবং ১৯৬২ কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের পর থেকে মস্কো এবং পশ্চিমের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘর্ষের সূত্রপাত করেছে৷
এর আগে, চলতি মাসের শুরুতে হোয়াইট হাউসে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথে আলোচনার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছিলেন, যুদ্ধ শেষ করার উপায় খুঁজতে তিনি পুতিনের সাথে কথা বলতে প্রস্তুত। তবে প্রথমেই ইউক্রেন থেকে রুশ বাহিনীকে সরিয়ে আনতে হবে এবং পুতিন যদি সংঘাতের অবসানে আলোচনায় রাজি থাকেন।
বাইডেনের এই মন্তব্যের একদিন পর ক্রেমলিন জানায়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের সংঘাত অবসানের বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন তবে কোন শর্ত মেনে নেয়া হবেনা।
এক সংবাদ সম্মেলনে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভকে বাইডেনের মন্তব্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট আমাদের স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য সর্বদা আলোচনার জন্য প্রস্তুত ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। তবে রাশিয়া ইউক্রেন থেকে তার সৈন্য সরিয়ে নেয়ার শর্ত মেনে নেয়া হবে না।
প্রসঙ্গত, রাশিয়ান এবং ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা সংঘাতের প্রাথমিক পর্যায়ে বেশ কয়েক দফা আলোচনা করেছেন, যার মধ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের আয়োজন করা মিটিংও ছিল। যেগুলো যুদ্ধ অবসানে কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। তবে জাতিসংঘ এবং তুরস্কের মধস্থতায় একটি থেকে শস্য রপ্তানির জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে রাশিয়া এবং ইউক্রেন।
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বরাবরই বলেছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ক্ষমতায় থাকবেন ততক্ষণ মস্কোর সঙ্গে শান্তি আলোচনা করতে পারবে না কিয়েভ।
সূত্র: আলজাজিরা, রয়টার্স
Tag :

ফরিদপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধে জড়িত সকল পক্ষের সাথে আলোচনা করতে প্রস্তুত: পুতিন

Update Time : ০৪:৫৬:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২২
রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধে জড়িত সকল পক্ষের সাথে আলোচনা করতে প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কিন্তু কিয়েভ এবং তার পশ্চিমা মিত্ররা আলোচনা করতে অস্বীকার করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন রাশিয়াওয়ানে রবিবার (২৫ ডিসেম্বর) প্রচারিত একটি সাক্ষাত্কারে পুতিন বলেছেন, আমরা গ্রহণযোগ্য সমাধানের জন্য সবার সাথে আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে এটি তাদের উপর নির্ভর করে।

পুতিন বলেন, রাশিয়া ইউক্রেনে সঠিক দিকে কাজ করছে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পশ্চিমারা রাশিয়াকে আলোচনার থেকে আলাদা করার চেষ্টা করছে। তারা সর্বদা ‘বিভক্ত এবং জয়’ করার চেষ্টা করেছে, বিপরীতে আমাদের লক্ষ্য রাশিয়ান জনগণকে একত্রিত করা।
পুতিন আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি আমরা সঠিক পথে কাজ করছি, আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থ, আমাদের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা ছাড়া আমাদের আর কোন বিকল্প নেই।
ইউক্রেনে রাশিয়ার ২৪ ফেব্রুয়ারী আক্রমণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাতের সূত্রপাত করেছে এবং ১৯৬২ কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের পর থেকে মস্কো এবং পশ্চিমের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘর্ষের সূত্রপাত করেছে৷
এর আগে, চলতি মাসের শুরুতে হোয়াইট হাউসে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথে আলোচনার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছিলেন, যুদ্ধ শেষ করার উপায় খুঁজতে তিনি পুতিনের সাথে কথা বলতে প্রস্তুত। তবে প্রথমেই ইউক্রেন থেকে রুশ বাহিনীকে সরিয়ে আনতে হবে এবং পুতিন যদি সংঘাতের অবসানে আলোচনায় রাজি থাকেন।
বাইডেনের এই মন্তব্যের একদিন পর ক্রেমলিন জানায়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের সংঘাত অবসানের বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন তবে কোন শর্ত মেনে নেয়া হবেনা।
এক সংবাদ সম্মেলনে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভকে বাইডেনের মন্তব্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট আমাদের স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য সর্বদা আলোচনার জন্য প্রস্তুত ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। তবে রাশিয়া ইউক্রেন থেকে তার সৈন্য সরিয়ে নেয়ার শর্ত মেনে নেয়া হবে না।
প্রসঙ্গত, রাশিয়ান এবং ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা সংঘাতের প্রাথমিক পর্যায়ে বেশ কয়েক দফা আলোচনা করেছেন, যার মধ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের আয়োজন করা মিটিংও ছিল। যেগুলো যুদ্ধ অবসানে কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। তবে জাতিসংঘ এবং তুরস্কের মধস্থতায় একটি থেকে শস্য রপ্তানির জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে রাশিয়া এবং ইউক্রেন।
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বরাবরই বলেছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ক্ষমতায় থাকবেন ততক্ষণ মস্কোর সঙ্গে শান্তি আলোচনা করতে পারবে না কিয়েভ।
সূত্র: আলজাজিরা, রয়টার্স