ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাজুস ১৫ বছর পর পশ্চিমবঙ্গের শাসন ক্ষমতায় ফের পালাবদল, সরকার গঠনের পথে বিজেপি নিজের আসনেই বড় ব্যবধানে হেরেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হরমুজ প্রণালিতে কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলা হয়নি, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো ফুটেছে ‘পদ্ম’: মোদি ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে রেকর্ড ১৭ শিশুর প্রাণহানি ফরিদপুরে দৈনিক ফতেহাবাদ পত্রিকার ১৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা বিজেপি এগিয়ে এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ৩ মে ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ৪ মে ২০২৬

শতাধিক সমর্থক নিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সোহেল তাজ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০২:১১:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০২২
  • ২৯৫ Time View

দীর্ঘ প্রায় আড়াই বছর পর শতাধিক সমর্থক নিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে গিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আসেন তিনি। কার্যালয়ের যে কক্ষটিতে কেন্দ্রীয় নেতারা বসেন সে কক্ষে বসেন সোহেল তাজ।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন শফিক, কার্যনির্বাহী সদস্য শাহবুদ্দিন ফরাজী, উপাধ্যক্ষ রেমণ্ড আরেংসহ দলটির বিভিন্ন উপকমিটির নেতা ও ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা।

সোহেল তাজ বলেন, রাজনৈতিক পরিবারেই আমার জন্ম। আমাদের রক্তের ভেতরে আওয়ামী লীগ। আমি রাজনীতির বাইরে ছিলাম না কোনো সময়। মাঝখানে কিছুদিন ব্যক্তিগত কাজে ছিলাম। এখন পার্টি অফিসে আসছি, নিয়মিত আসার চেষ্টা করব।

সোহেল তাজ বলেন, বরাবরই বলে আসছি, যদি দলের প্রয়োজন হয়, যদি ডাক পড়ে, আমি কাজ করতে প্রস্তুত আছি। আমার যদি ডাক পড়ে, আমি সাড়া দেব। আমি আবার রাজপথে থাকব। ২০০১ সালে বিএনপি জায়ামাত-জোট সরকারের সময় যেমন ছিলাম, ঠিক সেভাবেই থাকব। আমি সে অবস্থানেই আছি।

সোহেল তাজ ২০০৮ সালে প্রথম নির্বাচনে অংশ নিয়েই সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। পরে তাকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীও করেন শেখ হাসিনা। পাঁচ মাস পরই পদত্যাগ করেন সোহেল তাজ। ২০১২ সালের ২৩ এপ্রিল সংসদ সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগ করেন তিনি। তারপর রাজনীতি থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যান তিনি। তার সংসদীয় আসনে (গাজীপুর-৪) এখন সংসদ সদস্য তারই বোন সিমিন হোসেন রিমি।

আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ভুঁইয়া ডাবলু দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ মিনিট ধানমন্ডির কার্যালেয় বসে আড্ডা দিয়েছেন সোহেল তাজ। সেখানে উপস্থিত নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন।

তিনি বলেন, নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করাসহ স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। এ সময় সোহেল তাজের ছেলের বিয়ের দাওয়াত খেতে চান সেখানে উপস্থিত সবাই।

গত বছর করোনার সময়ে সোহেল তাজের ছেলে ও ডাবলুর মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়।

এ সময় রাজনৈতিক বিষয়ে তেমন কোনো আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ডাবলু।

এর আগে ২০১৯ সালে ছেলের বিয়ের দাওয়াত দিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এসেছিলেন সোহেল তাজ।

সোহেল তাজের বেয়াই ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক। বৃহস্পতিবার সোহেল তাজের সঙ্গে ডাবলুও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে আসেন।

এ সময় রাজনৈতিক কার্যালয়ের কক্ষে উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতারা সোহেল তাজের ছেলে ও ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলুর মেয়ের বিয়ে নিয়ে রসিকতা করে যারা ওই সময়ে দাওয়াত পায়নি তাদের জন্য একটা পার্টি দিতে বলেন।

সোহেল তাজের বোন মেহজাবিন আহমেদ এর আগে ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আসন্ন কাউন্সিল অধিবেশনে তানজিম আহমদ (সোহেল তাজ) দলীয় নেতৃত্বে আসছেন ইনশাআল্লাহ। জয় বাংলা! জয় বঙ্গবন্ধু! জয় শেখ হাসিনা! বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

আগামী ডিসেম্বরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন হওয়ার কথা।

Tag :
জনপ্রিয়

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাজুস

শতাধিক সমর্থক নিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সোহেল তাজ

Update Time : ০২:১১:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০২২

দীর্ঘ প্রায় আড়াই বছর পর শতাধিক সমর্থক নিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে গিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আসেন তিনি। কার্যালয়ের যে কক্ষটিতে কেন্দ্রীয় নেতারা বসেন সে কক্ষে বসেন সোহেল তাজ।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন শফিক, কার্যনির্বাহী সদস্য শাহবুদ্দিন ফরাজী, উপাধ্যক্ষ রেমণ্ড আরেংসহ দলটির বিভিন্ন উপকমিটির নেতা ও ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা।

সোহেল তাজ বলেন, রাজনৈতিক পরিবারেই আমার জন্ম। আমাদের রক্তের ভেতরে আওয়ামী লীগ। আমি রাজনীতির বাইরে ছিলাম না কোনো সময়। মাঝখানে কিছুদিন ব্যক্তিগত কাজে ছিলাম। এখন পার্টি অফিসে আসছি, নিয়মিত আসার চেষ্টা করব।

সোহেল তাজ বলেন, বরাবরই বলে আসছি, যদি দলের প্রয়োজন হয়, যদি ডাক পড়ে, আমি কাজ করতে প্রস্তুত আছি। আমার যদি ডাক পড়ে, আমি সাড়া দেব। আমি আবার রাজপথে থাকব। ২০০১ সালে বিএনপি জায়ামাত-জোট সরকারের সময় যেমন ছিলাম, ঠিক সেভাবেই থাকব। আমি সে অবস্থানেই আছি।

সোহেল তাজ ২০০৮ সালে প্রথম নির্বাচনে অংশ নিয়েই সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। পরে তাকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীও করেন শেখ হাসিনা। পাঁচ মাস পরই পদত্যাগ করেন সোহেল তাজ। ২০১২ সালের ২৩ এপ্রিল সংসদ সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগ করেন তিনি। তারপর রাজনীতি থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যান তিনি। তার সংসদীয় আসনে (গাজীপুর-৪) এখন সংসদ সদস্য তারই বোন সিমিন হোসেন রিমি।

আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ভুঁইয়া ডাবলু দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ মিনিট ধানমন্ডির কার্যালেয় বসে আড্ডা দিয়েছেন সোহেল তাজ। সেখানে উপস্থিত নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন।

তিনি বলেন, নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করাসহ স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। এ সময় সোহেল তাজের ছেলের বিয়ের দাওয়াত খেতে চান সেখানে উপস্থিত সবাই।

গত বছর করোনার সময়ে সোহেল তাজের ছেলে ও ডাবলুর মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়।

এ সময় রাজনৈতিক বিষয়ে তেমন কোনো আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ডাবলু।

এর আগে ২০১৯ সালে ছেলের বিয়ের দাওয়াত দিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এসেছিলেন সোহেল তাজ।

সোহেল তাজের বেয়াই ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক। বৃহস্পতিবার সোহেল তাজের সঙ্গে ডাবলুও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে আসেন।

এ সময় রাজনৈতিক কার্যালয়ের কক্ষে উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতারা সোহেল তাজের ছেলে ও ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলুর মেয়ের বিয়ে নিয়ে রসিকতা করে যারা ওই সময়ে দাওয়াত পায়নি তাদের জন্য একটা পার্টি দিতে বলেন।

সোহেল তাজের বোন মেহজাবিন আহমেদ এর আগে ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আসন্ন কাউন্সিল অধিবেশনে তানজিম আহমদ (সোহেল তাজ) দলীয় নেতৃত্বে আসছেন ইনশাআল্লাহ। জয় বাংলা! জয় বঙ্গবন্ধু! জয় শেখ হাসিনা! বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

আগামী ডিসেম্বরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন হওয়ার কথা।