ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশুদের করোনা টিকা জুলাইয়ের শেষে: স্বাস্থ্যের ডিজি

জুলাইয়ের শেষে ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. খুরশিদ আলম।

আজ মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সকাল ১০টার পর ঢাকা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে বুস্টার ডোজ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের টিকার ডোজ আলাদা। তারা পাবে পয়েন্ট টু এমএলের ডোজ। এই টিকার ভায়াল আলাদা এবং সিরিঞ্জও আলাদা। আশা করছি, চলতি মাসের শেষে ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের করোনার টিকা প্রয়োগ শুরু করতে পারবো।

ডা. খুরশিদ আলম বলেন, আমরা ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছি। সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে আমরা মিটিং করবো। সবার সম্মিলিত উদ্যোগে শিশুদের টিকা কার্যক্রম শুরু করবো। প্রাথমিকভাবে ঢাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করলেও পর্যায়ক্রমে সারাদেশে চালু করা হবে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, মানুষের এখন টিকা নেওয়ার আগ্রহ অনেক কমে গেছে। আগে যেরকম ভয়াবহতা ছিল প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পরে সেই ভয়াবহতা না থাকায় আমরা তাদের মধ্যে আগ্রহ কম দেখছি। আমরা চেষ্টা করছি প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে তাদের আগ্রহ বাড়ানোর। মিডিয়া এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেহেতু করোনার প্রকোপ আবার বাড়ছে তাই সবাইকে বুস্টার ডোজ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক, ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক ডা. মো আশরাফুল আলমসহ অধিদপ্তরের অন্য কর্মকর্তারা।

এর আগে, সোমবার (১৮ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে চলমান টিকা কার্যক্রমসহ অন্যান্য সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, আগামী মাসে (আগস্ট) পাঁচ বছর থেকে ১১ বছরের শিশুদের করোনার টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।

Tag :

শিশুদের করোনা টিকা জুলাইয়ের শেষে: স্বাস্থ্যের ডিজি

Update Time : ০৪:৫১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২

জুলাইয়ের শেষে ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. খুরশিদ আলম।

আজ মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সকাল ১০টার পর ঢাকা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে বুস্টার ডোজ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের টিকার ডোজ আলাদা। তারা পাবে পয়েন্ট টু এমএলের ডোজ। এই টিকার ভায়াল আলাদা এবং সিরিঞ্জও আলাদা। আশা করছি, চলতি মাসের শেষে ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের করোনার টিকা প্রয়োগ শুরু করতে পারবো।

ডা. খুরশিদ আলম বলেন, আমরা ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছি। সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে আমরা মিটিং করবো। সবার সম্মিলিত উদ্যোগে শিশুদের টিকা কার্যক্রম শুরু করবো। প্রাথমিকভাবে ঢাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করলেও পর্যায়ক্রমে সারাদেশে চালু করা হবে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, মানুষের এখন টিকা নেওয়ার আগ্রহ অনেক কমে গেছে। আগে যেরকম ভয়াবহতা ছিল প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পরে সেই ভয়াবহতা না থাকায় আমরা তাদের মধ্যে আগ্রহ কম দেখছি। আমরা চেষ্টা করছি প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে তাদের আগ্রহ বাড়ানোর। মিডিয়া এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেহেতু করোনার প্রকোপ আবার বাড়ছে তাই সবাইকে বুস্টার ডোজ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক, ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক ডা. মো আশরাফুল আলমসহ অধিদপ্তরের অন্য কর্মকর্তারা।

এর আগে, সোমবার (১৮ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে চলমান টিকা কার্যক্রমসহ অন্যান্য সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, আগামী মাসে (আগস্ট) পাঁচ বছর থেকে ১১ বছরের শিশুদের করোনার টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।