ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবশেষে মারা গেল শিশু সাজিদ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:৪৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬৬ Time View

অবশেষে মারা গেল শিশু সাজিদ। রাজশাহীর তানোরে পরিত্যক্ত একটি গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদকে জীবিত উদ্ধারের পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. বার্নাবাস হাসদা।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত ৯টায় মিনিটে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

শিশুর মৃত্যু সংবাদ বলার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা খান। তিনি বলেন, শিশু সাজিদ বেঁচে নেই।

ডা. বার্নাবাস হাসদা, অতিরিক্ত ঠান্ডা এবং অক্সিজেন না পাওয়ায় শিশু সাজিদের মৃত্যু হয়েছে।

শিশুর নানা আইয়ূব আলী বলেন, উদ্ধারের সময় সাজিদ বেঁচে ছিল।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলছিলেন সে বেঁচে আছে। আমি নিজে দেখেছি সে বেঁচে ছিল। কিন্তু হাসপাতালে আসার পর মারা গেল। মরদেহ তার বাড়ি তানোর কুড়ির হাট পূর্ব পাড়া নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেনটেইন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘রাত ৯ টায় শিশুটিকে আমরা অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছি। পরে শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চিকিৎসকেরা জানাবেন।’

প্রায় ৩২ ঘণ্টা পর গভীর নলকূপের জন্য খনন করা গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছর বয়সী শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস।

Tag :

অবশেষে মারা গেল শিশু সাজিদ

Update Time : ০৪:৪৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

অবশেষে মারা গেল শিশু সাজিদ। রাজশাহীর তানোরে পরিত্যক্ত একটি গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদকে জীবিত উদ্ধারের পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. বার্নাবাস হাসদা।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত ৯টায় মিনিটে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

শিশুর মৃত্যু সংবাদ বলার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা খান। তিনি বলেন, শিশু সাজিদ বেঁচে নেই।

ডা. বার্নাবাস হাসদা, অতিরিক্ত ঠান্ডা এবং অক্সিজেন না পাওয়ায় শিশু সাজিদের মৃত্যু হয়েছে।

শিশুর নানা আইয়ূব আলী বলেন, উদ্ধারের সময় সাজিদ বেঁচে ছিল।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলছিলেন সে বেঁচে আছে। আমি নিজে দেখেছি সে বেঁচে ছিল। কিন্তু হাসপাতালে আসার পর মারা গেল। মরদেহ তার বাড়ি তানোর কুড়ির হাট পূর্ব পাড়া নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেনটেইন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘রাত ৯ টায় শিশুটিকে আমরা অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছি। পরে শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চিকিৎসকেরা জানাবেন।’

প্রায় ৩২ ঘণ্টা পর গভীর নলকূপের জন্য খনন করা গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছর বয়সী শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস।