ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ পঞ্চগড়ে তাপমাত্রার পারদ নেমেছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:৩৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ২৪৬ Time View

শুরু হয়েছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। গত কয়েক দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজ তাপমাত্রার পারদ নেমেছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে। শনিবার (১৬ ডিসেম্বরে) ভোর ৬টায় পঞ্চগড়ে এ তাপমাত্রা রেকর্ডের তথ্যটি গণমাধ্যমকে জানান প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যেবক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেল শাহ্ বলেন, তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গতকাল ৯টায় দশমিক ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। তবে সামনে দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

উত্তরের হিমেল হওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমিক, রিকশা-ভ্যান চালকসহ শ্রমজীবীরা। দৈনন্দিন আয় কমে গেছে দিনমজুরসহ খেটে খাওয়া মানুষের। পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা কষ্টে দিনযাপন করছে। বিভিন্ন এলাকায় খড়কুটো জ্বালিয়ে বাড়ির আশপাশে এবং পথঘাটে শীতার্তদের শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

তীব্র শীতের জন্য মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রাকে বির্পযস্ত করে তুলেছে। অসহনীয় এই অব্যাহত শীতে শিশু এবং বয়স্ক মানুষ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছেন জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোতে।

Tag :

আজ পঞ্চগড়ে তাপমাত্রার পারদ নেমেছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে

Update Time : ০৪:৩৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩

শুরু হয়েছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। গত কয়েক দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজ তাপমাত্রার পারদ নেমেছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে। শনিবার (১৬ ডিসেম্বরে) ভোর ৬টায় পঞ্চগড়ে এ তাপমাত্রা রেকর্ডের তথ্যটি গণমাধ্যমকে জানান প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যেবক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেল শাহ্ বলেন, তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গতকাল ৯টায় দশমিক ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। তবে সামনে দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

উত্তরের হিমেল হওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমিক, রিকশা-ভ্যান চালকসহ শ্রমজীবীরা। দৈনন্দিন আয় কমে গেছে দিনমজুরসহ খেটে খাওয়া মানুষের। পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা কষ্টে দিনযাপন করছে। বিভিন্ন এলাকায় খড়কুটো জ্বালিয়ে বাড়ির আশপাশে এবং পথঘাটে শীতার্তদের শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

তীব্র শীতের জন্য মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রাকে বির্পযস্ত করে তুলেছে। অসহনীয় এই অব্যাহত শীতে শিশু এবং বয়স্ক মানুষ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছেন জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোতে।