আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার রাত থেকে শুরু হওয়া নতুন হামলা বেশ তীব্র ছিল। বিভিন্ন এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত হানার খবরে কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
ইসরায়েলের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছে বিস্ফোরণের খবর। ধারণা করা হচ্ছে, হামলায় ইরান ‘ক্লাস্টার’ বা গুচ্ছ-বোমা ব্যবহার করেছে। এগুলো থেকে ছোট ছোট বহু বোমা ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলের অন্তত আটটি স্থানে এই ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা বিস্ফোরক পড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব ক্ষয়ক্ষতির ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। বাসিন্দারা আতঙ্কে এলাকা ছাড়ছেন। অনেকে পাশের বাংকারে আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু তাতেও নিরাপদ বোধ করছেন না তারা।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রতিরক্ষা ঘাঁটিগুলো পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এ তথ্য জানিয়ে বলেন, সেসব ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক সফলতার দাবিও করেন তিনি। এছাড়া যুদ্ধের বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের খবর প্রকাশের ধরনের সমালোচনা করেন বেসেন্ট। তার মতে, মার্কিন কর্মকর্তারা আসলে কী করছেন, সে বিষয়ে মার্কিনিদের কাছে ‘সঠিক চিত্র’ তুলে ধরা হচ্ছে না।
আন্তজার্তিক ডেস্ক 



















