ঢাকা ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস বরেণ্য কবি ও সাংবাদিক শেখ শামসুল হকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা: বাংলা একাডেমি থেকে মরণোত্তর সম্মাননার দাবি ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ব্যতীত আন্দোলন থামবে না: ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা চীন বা রাশিয়া যদি ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করে, সেটি তাদের জন্য ‘খুবই খারাপ’ হবে: ট্রাম্প আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৫ জুলাই ২০২৬ দ্রুত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক না করলে সৌদি আরবের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি বাতিল: হোয়াইট হাউস ইরানের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হায়েলা’ স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রটি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার মূলে বড় ধরনের আঘাত হানার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইরানের আধা-সামরিক বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, তেলআবিবের দক্ষিণে অবস্থিত ইসরায়েলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হায়েলা’ (সদত মিচা) স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রটি এক ভয়াবহ ড্রোন হামলায় পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তরের তথ্যমতে, এই ‘হায়েলা’ কেন্দ্রটি ছিল জায়নবাদী শাসনের বিমান ঘাঁটিগুলোর সঙ্গে যুদ্ধবিমানের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান সমন্বয় কেন্দ্র। এটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণ নেটওয়ার্কের জন্য একটি অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এই কেন্দ্রটি ধ্বংস হওয়ার ফলে ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড এবং স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা।

এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ওই ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বিশাল আকারের সামরিক অভিযান শুরু করে, যার ফলে ইরানি ভূখণ্ডে ব্যাপক প্রাণহানি এবং অবকাঠামোর ক্ষতি হয়। এর জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী এখন ইসরায়েলের অধিকৃত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে কয়েক দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের তরঙ্গ পাঠিয়ে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাচ্ছে।

বর্তমানে যুদ্ধের ময়দানে দুই পক্ষই অনড় অবস্থানে রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যুদ্ধ প্রায় শেষের দিকে এবং ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতে হবে। তবে ইরান সেই দাবিকে স্রেফ তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে।

আইআরজিসি এবং ইরানি সামরিক নেতৃত্বের পাল্টা দাবি, এই যুদ্ধের সমাপ্তি বা ইতি কখন ঘটবে তা ওয়াশিংটন নির্ধারণ করতে পারবে না; বরং ইরানের সশস্ত্র বাহিনীই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ গতিপথ ঠিক করবে।

Tag :
জনপ্রিয়

অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

ইসরায়েলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হায়েলা’ স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রটি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে

Update Time : ১১:৫৮:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার মূলে বড় ধরনের আঘাত হানার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইরানের আধা-সামরিক বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, তেলআবিবের দক্ষিণে অবস্থিত ইসরায়েলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হায়েলা’ (সদত মিচা) স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রটি এক ভয়াবহ ড্রোন হামলায় পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তরের তথ্যমতে, এই ‘হায়েলা’ কেন্দ্রটি ছিল জায়নবাদী শাসনের বিমান ঘাঁটিগুলোর সঙ্গে যুদ্ধবিমানের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান সমন্বয় কেন্দ্র। এটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণ নেটওয়ার্কের জন্য একটি অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এই কেন্দ্রটি ধ্বংস হওয়ার ফলে ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড এবং স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা।

এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ওই ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বিশাল আকারের সামরিক অভিযান শুরু করে, যার ফলে ইরানি ভূখণ্ডে ব্যাপক প্রাণহানি এবং অবকাঠামোর ক্ষতি হয়। এর জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী এখন ইসরায়েলের অধিকৃত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে কয়েক দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের তরঙ্গ পাঠিয়ে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাচ্ছে।

বর্তমানে যুদ্ধের ময়দানে দুই পক্ষই অনড় অবস্থানে রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যুদ্ধ প্রায় শেষের দিকে এবং ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতে হবে। তবে ইরান সেই দাবিকে স্রেফ তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে।

আইআরজিসি এবং ইরানি সামরিক নেতৃত্বের পাল্টা দাবি, এই যুদ্ধের সমাপ্তি বা ইতি কখন ঘটবে তা ওয়াশিংটন নির্ধারণ করতে পারবে না; বরং ইরানের সশস্ত্র বাহিনীই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ গতিপথ ঠিক করবে।